নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। তবে এতে নতুন মুখ ছাড়াই বিদায়ী কমিটির সদস্যরাই স্থান পেয়েছেন। একই ধারাবাহিকতায় দলটির থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত উপদেষ্টামণ্ডলীতেও নতুন মুখ আসেনি। সভাপতিমণ্ডলী ও সম্পাদকমণ্ডলী থেকে বাদ পড়া পাঁচ নেতা এতে যুক্ত হয়েছেন কেবল।
আজ শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ নাম প্রস্তাব করেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। পরে কাউন্সিলেরা সমর্থন করলে তা পাস হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন:
আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মশিউর রহমান, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু, মহিউদ্দিন খান আলমগীর, শফিক আহমেদ, সতীশ চন্দ্র রায়, অধ্যাপক ড. আব্দুল খালেক, আ ফ ম রুহুল হক, কাজী আকরাম উদ্দীন, সৈয়দ রেজাউর রহমান, অধ্যাপক অনুপম সেন, অধ্যাপক হামিদা বানু, অধ্যাপক হোসেন মনসুর, অধ্যাপিকা সুলতানা শফি, এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী, মোহাম্মদ জমির, খন্দকার গোলাম মওলা নকশাবন্দি।
এ ছাড়া আরও আছেন— ড. মির্জা এমএ জলিল, ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক, ড. সাইদুর রহমান খান, ড. গওহর রিজভী, অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, মো. রাশিদুল আলম, ইয়াফেস ওসমান, কাজী সিরাজুল ইসলাম, চৌধুরী খালেকুজ্জামান, মোজাফফর হোসেন পল্টু, সালমান এফ রহমান, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আতাউর রহমান, একে এম রহমতুল্লাহ, শাহাবুদ্দিন চুপ্পু, মতিউর রহমান, ড. শামসুল আলম, মতিউর রহমান খান, জহিরুল ইসলাম খোকা, রমেশ চন্দ্র সেন, নুরল ইসলাম নাহিদ, আবদুল মান্নান খান, হারুনুর রশিদ, হাবিবুর রহমান সিরাজ।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। তবে এতে নতুন মুখ ছাড়াই বিদায়ী কমিটির সদস্যরাই স্থান পেয়েছেন। একই ধারাবাহিকতায় দলটির থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত উপদেষ্টামণ্ডলীতেও নতুন মুখ আসেনি। সভাপতিমণ্ডলী ও সম্পাদকমণ্ডলী থেকে বাদ পড়া পাঁচ নেতা এতে যুক্ত হয়েছেন কেবল।
আজ শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ নাম প্রস্তাব করেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। পরে কাউন্সিলেরা সমর্থন করলে তা পাস হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন:
আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মশিউর রহমান, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু, মহিউদ্দিন খান আলমগীর, শফিক আহমেদ, সতীশ চন্দ্র রায়, অধ্যাপক ড. আব্দুল খালেক, আ ফ ম রুহুল হক, কাজী আকরাম উদ্দীন, সৈয়দ রেজাউর রহমান, অধ্যাপক অনুপম সেন, অধ্যাপক হামিদা বানু, অধ্যাপক হোসেন মনসুর, অধ্যাপিকা সুলতানা শফি, এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী, মোহাম্মদ জমির, খন্দকার গোলাম মওলা নকশাবন্দি।
এ ছাড়া আরও আছেন— ড. মির্জা এমএ জলিল, ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক, ড. সাইদুর রহমান খান, ড. গওহর রিজভী, অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, মো. রাশিদুল আলম, ইয়াফেস ওসমান, কাজী সিরাজুল ইসলাম, চৌধুরী খালেকুজ্জামান, মোজাফফর হোসেন পল্টু, সালমান এফ রহমান, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আতাউর রহমান, একে এম রহমতুল্লাহ, শাহাবুদ্দিন চুপ্পু, মতিউর রহমান, ড. শামসুল আলম, মতিউর রহমান খান, জহিরুল ইসলাম খোকা, রমেশ চন্দ্র সেন, নুরল ইসলাম নাহিদ, আবদুল মান্নান খান, হারুনুর রশিদ, হাবিবুর রহমান সিরাজ।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৩ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১৩ ঘণ্টা আগে