জুলাই সনদ–গণভোট
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে সৃষ্ট মতভেদ নিরসনে রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এই সরকার নিরপেক্ষতা লঙ্ঘন করে একটি দলের পক্ষ নিয়ে তাদেরকে দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের এই নেতা।
সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার আগের দিন আজ শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিকেলে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ছাত্রদল।
স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশে বলতে চাচ্ছি, আমরা মনে করেছিলাম, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রেফারির ভূমিকা পালন করবে। অন্তর্বর্তী সরকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করবেন; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা পালন করবেন। অথচ এখন আপনারা রেফারি হয়ে হাত দিয়ে একটা গোল দিয়ে দিয়েছেন। এখন বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সাত দিনের মধ্যে, না হলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
দলগুলোকে এভাবে সময় বেঁধে দেওয়ার এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা কোনো নির্বাচিত সরকার নয়, এটা আপনারা যেন সব সময় ইয়াদ (মনে) রাখেন। আপনাদের এ রকম কোনো এখতিয়ার নাই, আমাদেরকে ডিকটেট (আদেশ) করার যে, সাত দিনের ভিতরে আপনার সিদ্ধান্ত না হলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এত শক্তি প্রদর্শন আপনাদের বোধ হয় মানায় না!’
সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপি যোগাযোগ রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেটা এনসিপি হোক, জামায়াত হোক বা অন্যান্য পার্টি হোক। সবার সাথে আমরা গণতান্ত্রিক কালচার (সংস্কৃতি) হিসেবে রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং আলাপ–আলোচনা, সম্পর্ক রাখব। কিন্তু কোনো বিষয়ে আলোচনা করার জন্য কোনো রেফারির ভূমিকায় কোনো দলকে দিয়ে আপনারা আহ্বান জানাবেন ইনডাইরেক্টলি, সেটা বোধ হয় সঠিক হচ্ছে না।’
জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা যাঁরা ১৯৭১ সালে উল্টা দিকে যাত্রা করেছিলেন, ১৯৪৭ সালে বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, জাতীয় পার্টির হাত ধরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের সহচর হয়েছিলেন, আপনারা আবার যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, কী পরিণতি হবে, আল্লাহ মালুম! আপনারা যা শুরু করেছেন, তাতে করে উৎসাহিত হবে পতিত ফ্যাসিস্ট। তাতে উৎসাহিত হবে বাংলাদেশে অন্য যেকোনো রকমের অগণতান্ত্রিক শক্তি।
‘কিন্তু সে জন্য যদি আপনারা বলতে চান যে, আপনারা খেতে পারবেন না, সে জন্য বাড়া ভাতে ছাই ছিটিয়ে দিবেন। সেটা বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো গ্রহণ করবে না। সেই সুযোগ দেবে না।’
জামায়াতের নায়েবে আমিরের দুদিন আগের বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘আপনারা ঘি খেতে চান, খান। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথের এই ময়দানকে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আর উত্তপ্ত হতে দেব না। ঠিক। আপনারা বলেছেন, ১১ তারিখ পর্যন্ত আলটিমেটাম। আলটিমেটাম দিচ্ছেন সরকারকে? তো সরকার তো আপনাদের পক্ষে সুপারিশ দিয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তো আপনারা যা চান, তাই দিয়েছে। সে জন্য আপনারা তার সাথে সুর মিলিয়ে তাই কথা বলছেন।’
দেশে গণভোটের কোনো প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করে এই বিএনপির নেতা বলেন, এই গণভোটের মধ্য দিয়ে আইন প্রণীত হয়ে যাবে। এই গণভোটটার মধ্য দিয়ে সংবিধান পরিবর্তিত হয়ে যাবে। কিন্তু একটা নৈতিক বাধ্যবাধকতা সংসদ সদস্যদের ওপরে এবং আগামী সংসদের ওপরে আরোপিত হবে যে, জনগণ চায় এই সংস্কার বাস্তবায়ন হোক অথবা চায় না। নির্বাচনের দিন ছাড়া গণভোটের বিকল্প নেই।
১৩ নভেম্বর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৩ তারিখ বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি রায় (রায়ের তারিখ) ঘোষণা হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সেদিন নাকি লকডাউন সারা বাংলাদেশে। মানুষ বলে না যে, পাগলের সুখ মনে মনে। এই এক বছরের ভেতরে কীভাবে আপনাদের মনে হলো যে, ফ্যাসিস্ট পতিত শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তির পক্ষে বাংলাদেশে লড়া, আপনারা আহ্বান করবেন আর জনগণ সাড়া দেবে? যদি দুঃসাহস থাকে আপনারা আসেন। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদেরকে কীভাবে আপ্যায়ন করে দেখব। আমরা তো চাই, আপনারা এসে বিচারের মুখোমুখি হোন।’
দেশ ক্রমেই অস্থিতিশীল হচ্ছে বলে মন্তব্য করে আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার হচ্ছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অনেক কিছু বলা হচ্ছে। কারা রাজপথকে উত্তপ্ত করে রাখতে চায়, কারা গত এক বছর দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে ভারতকে সুযোগ করে দিচ্ছে, ইতিহাসে তাদের কথা লেখা থাকবে। ভারত চায় অস্থিতিশীল বাংলাদেশ। ভারতের সে প্রত্যাশা যারা পূরণ করতে চায়, তাদেরকে আমরা ক্ষমা করব না।’
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারকে নিরপেক্ষতার সঙ্গে সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যাবতীয় কর্মকাণ্ড শুরু করার আহ্বান জানান। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদেরকে সমর্থন করেছি, করব ওই সীমারেখার মধ্যে। আর যদি মনে করেন, আরেকটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদেরকে আহ্বান জানাবেন আলোচনার জন্য।
‘তারা কারা? অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আমাদেরকে আহ্বান জানায় কোনো বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, যেকোনো ইস্যুতে, আমরা সব সময় আলোচনায় আগ্রহী, যাব। কিন্তু অন্য কোনো একটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদেরকে আহ্বান জানানো হচ্ছে কেন?’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করে আসা সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ নিয়ে দলের গুরুতর আপত্তির কথা বলেছেন। বিএনপির ভাষ্যমতে, গত ১৭ অক্টোবর যে জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছিল, সেটি তারা বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। কিন্তু ২৮ অক্টোবর জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে প্রস্তাব জমা দিয়েছে, তাতে তাদের আপত্তি রয়েছে।
দলটি বলেছে, ওই প্রস্তাবের তফসিলে উল্লেখিত সনদে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ ছাড়া সনদ বাস্তবায়নে গণভোট কবে হবে, তা নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। বিএনপি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট করার পক্ষে। অপর দিকে জামায়াতে ইসলামী চায়, আগে গণভোট করে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার পর তার আলোকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে জুলাই সনদ বা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানায় অন্তর্বর্তী সরকার। গত রোববার উপদেষ্টা পরিষদের এক সভা থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলো যদি এক সপ্তাহের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত দিতে না পারে, তাহলে সরকার তার মতো করে সিদ্ধান্ত নেবে।
এ বিষয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। মির্জা ফখরুল তখন তাঁকে বলেছিলেন, দলের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে অবস্থান জানাবেন। বিষয়টি নিয়ে আজ আলোচনা সভায় দলের পক্ষ থেকে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে সৃষ্ট মতভেদ নিরসনে রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এই সরকার নিরপেক্ষতা লঙ্ঘন করে একটি দলের পক্ষ নিয়ে তাদেরকে দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের এই নেতা।
সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার আগের দিন আজ শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিকেলে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ছাত্রদল।
স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশে বলতে চাচ্ছি, আমরা মনে করেছিলাম, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রেফারির ভূমিকা পালন করবে। অন্তর্বর্তী সরকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করবেন; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা পালন করবেন। অথচ এখন আপনারা রেফারি হয়ে হাত দিয়ে একটা গোল দিয়ে দিয়েছেন। এখন বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সাত দিনের মধ্যে, না হলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
দলগুলোকে এভাবে সময় বেঁধে দেওয়ার এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা কোনো নির্বাচিত সরকার নয়, এটা আপনারা যেন সব সময় ইয়াদ (মনে) রাখেন। আপনাদের এ রকম কোনো এখতিয়ার নাই, আমাদেরকে ডিকটেট (আদেশ) করার যে, সাত দিনের ভিতরে আপনার সিদ্ধান্ত না হলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এত শক্তি প্রদর্শন আপনাদের বোধ হয় মানায় না!’
সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপি যোগাযোগ রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেটা এনসিপি হোক, জামায়াত হোক বা অন্যান্য পার্টি হোক। সবার সাথে আমরা গণতান্ত্রিক কালচার (সংস্কৃতি) হিসেবে রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং আলাপ–আলোচনা, সম্পর্ক রাখব। কিন্তু কোনো বিষয়ে আলোচনা করার জন্য কোনো রেফারির ভূমিকায় কোনো দলকে দিয়ে আপনারা আহ্বান জানাবেন ইনডাইরেক্টলি, সেটা বোধ হয় সঠিক হচ্ছে না।’
জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা যাঁরা ১৯৭১ সালে উল্টা দিকে যাত্রা করেছিলেন, ১৯৪৭ সালে বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, জাতীয় পার্টির হাত ধরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের সহচর হয়েছিলেন, আপনারা আবার যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, কী পরিণতি হবে, আল্লাহ মালুম! আপনারা যা শুরু করেছেন, তাতে করে উৎসাহিত হবে পতিত ফ্যাসিস্ট। তাতে উৎসাহিত হবে বাংলাদেশে অন্য যেকোনো রকমের অগণতান্ত্রিক শক্তি।
‘কিন্তু সে জন্য যদি আপনারা বলতে চান যে, আপনারা খেতে পারবেন না, সে জন্য বাড়া ভাতে ছাই ছিটিয়ে দিবেন। সেটা বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো গ্রহণ করবে না। সেই সুযোগ দেবে না।’
জামায়াতের নায়েবে আমিরের দুদিন আগের বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘আপনারা ঘি খেতে চান, খান। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথের এই ময়দানকে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আর উত্তপ্ত হতে দেব না। ঠিক। আপনারা বলেছেন, ১১ তারিখ পর্যন্ত আলটিমেটাম। আলটিমেটাম দিচ্ছেন সরকারকে? তো সরকার তো আপনাদের পক্ষে সুপারিশ দিয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তো আপনারা যা চান, তাই দিয়েছে। সে জন্য আপনারা তার সাথে সুর মিলিয়ে তাই কথা বলছেন।’
দেশে গণভোটের কোনো প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করে এই বিএনপির নেতা বলেন, এই গণভোটের মধ্য দিয়ে আইন প্রণীত হয়ে যাবে। এই গণভোটটার মধ্য দিয়ে সংবিধান পরিবর্তিত হয়ে যাবে। কিন্তু একটা নৈতিক বাধ্যবাধকতা সংসদ সদস্যদের ওপরে এবং আগামী সংসদের ওপরে আরোপিত হবে যে, জনগণ চায় এই সংস্কার বাস্তবায়ন হোক অথবা চায় না। নির্বাচনের দিন ছাড়া গণভোটের বিকল্প নেই।
১৩ নভেম্বর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৩ তারিখ বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি রায় (রায়ের তারিখ) ঘোষণা হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সেদিন নাকি লকডাউন সারা বাংলাদেশে। মানুষ বলে না যে, পাগলের সুখ মনে মনে। এই এক বছরের ভেতরে কীভাবে আপনাদের মনে হলো যে, ফ্যাসিস্ট পতিত শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তির পক্ষে বাংলাদেশে লড়া, আপনারা আহ্বান করবেন আর জনগণ সাড়া দেবে? যদি দুঃসাহস থাকে আপনারা আসেন। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদেরকে কীভাবে আপ্যায়ন করে দেখব। আমরা তো চাই, আপনারা এসে বিচারের মুখোমুখি হোন।’
দেশ ক্রমেই অস্থিতিশীল হচ্ছে বলে মন্তব্য করে আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার হচ্ছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অনেক কিছু বলা হচ্ছে। কারা রাজপথকে উত্তপ্ত করে রাখতে চায়, কারা গত এক বছর দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে ভারতকে সুযোগ করে দিচ্ছে, ইতিহাসে তাদের কথা লেখা থাকবে। ভারত চায় অস্থিতিশীল বাংলাদেশ। ভারতের সে প্রত্যাশা যারা পূরণ করতে চায়, তাদেরকে আমরা ক্ষমা করব না।’
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারকে নিরপেক্ষতার সঙ্গে সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যাবতীয় কর্মকাণ্ড শুরু করার আহ্বান জানান। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদেরকে সমর্থন করেছি, করব ওই সীমারেখার মধ্যে। আর যদি মনে করেন, আরেকটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদেরকে আহ্বান জানাবেন আলোচনার জন্য।
‘তারা কারা? অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আমাদেরকে আহ্বান জানায় কোনো বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, যেকোনো ইস্যুতে, আমরা সব সময় আলোচনায় আগ্রহী, যাব। কিন্তু অন্য কোনো একটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আমাদেরকে আহ্বান জানানো হচ্ছে কেন?’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করে আসা সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ নিয়ে দলের গুরুতর আপত্তির কথা বলেছেন। বিএনপির ভাষ্যমতে, গত ১৭ অক্টোবর যে জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছিল, সেটি তারা বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। কিন্তু ২৮ অক্টোবর জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে প্রস্তাব জমা দিয়েছে, তাতে তাদের আপত্তি রয়েছে।
দলটি বলেছে, ওই প্রস্তাবের তফসিলে উল্লেখিত সনদে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ ছাড়া সনদ বাস্তবায়নে গণভোট কবে হবে, তা নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। বিএনপি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট করার পক্ষে। অপর দিকে জামায়াতে ইসলামী চায়, আগে গণভোট করে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার পর তার আলোকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে জুলাই সনদ বা সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানায় অন্তর্বর্তী সরকার। গত রোববার উপদেষ্টা পরিষদের এক সভা থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলো যদি এক সপ্তাহের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত দিতে না পারে, তাহলে সরকার তার মতো করে সিদ্ধান্ত নেবে।
এ বিষয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। মির্জা ফখরুল তখন তাঁকে বলেছিলেন, দলের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে অবস্থান জানাবেন। বিষয়টি নিয়ে আজ আলোচনা সভায় দলের পক্ষ থেকে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

সীমিত মানুষের ওপর করা জরিপের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আগাম বার্তা দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘ডিটেইল প্ল্যানিং’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় চলে এলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটে থাকা দলগুলোর নেতারা নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে হেনস্তা-হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের শীর্ষ নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘তারা আগে এক প্লেটে বসে খেত। এখন তাদের প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সীমিত মানুষের ওপর করা জরিপের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আগাম বার্তা দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।
বিবৃতিতে গাজী আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এখান থেকে মাত্র ১ হাজার ৩৪২ জনের মতামত নিয়ে করা জরিপের ভিত্তিতে আগামীর নির্বাচনে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, কে বেশি আসন পাবে, কোন দল জয়ী হলে দেশের ভালো হবে ইত্যাদি প্রশ্নে পূর্বাভাস দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস।
কারণ উল্লেখ করে গাজী আতাউর বলেন, এত অল্পসংখ্যক নমুনা ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক ভোটারের চিন্তা সম্পর্কে আভাস পাওয়া যায় না। তারপরও দেশের শীর্ষ একটি পত্রিকা এই জরিপের সংবাদ গুরুত্বসহ উপস্থাপন করে আগামী নির্বাচনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করছে বলে মনে করা অযৌক্তিক না।
ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ইসলামপন্থীদের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। চাঁদাবাজদের প্রতি মানুষের অনীহা প্রকট হয়েছে। কিন্তু এই জরিপ সেই পুরোনো বন্দোবস্তের পক্ষে জনমত আছে বলে উপস্থাপন করেছে। এই জরিপ জনমতকে ভিন্নপথে পরিচালিত করার একটি অপপ্রয়াস ছাড়া কিছু না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে জনমতকে ভুলভাবে প্রভাবিত করার জন্য তথ্যের ভুল উপস্থাপন, অপতথ্য তৈরি ও উপস্থাপনের নিন্দা করে এবং সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তথ্য তৈরি ও উপস্থাপনের আহ্বান জানায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সীমিত মানুষের ওপর করা জরিপের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আগাম বার্তা দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।
বিবৃতিতে গাজী আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এখান থেকে মাত্র ১ হাজার ৩৪২ জনের মতামত নিয়ে করা জরিপের ভিত্তিতে আগামীর নির্বাচনে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, কে বেশি আসন পাবে, কোন দল জয়ী হলে দেশের ভালো হবে ইত্যাদি প্রশ্নে পূর্বাভাস দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস।
কারণ উল্লেখ করে গাজী আতাউর বলেন, এত অল্পসংখ্যক নমুনা ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক ভোটারের চিন্তা সম্পর্কে আভাস পাওয়া যায় না। তারপরও দেশের শীর্ষ একটি পত্রিকা এই জরিপের সংবাদ গুরুত্বসহ উপস্থাপন করে আগামী নির্বাচনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করছে বলে মনে করা অযৌক্তিক না।
ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ইসলামপন্থীদের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। চাঁদাবাজদের প্রতি মানুষের অনীহা প্রকট হয়েছে। কিন্তু এই জরিপ সেই পুরোনো বন্দোবস্তের পক্ষে জনমত আছে বলে উপস্থাপন করেছে। এই জরিপ জনমতকে ভিন্নপথে পরিচালিত করার একটি অপপ্রয়াস ছাড়া কিছু না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে জনমতকে ভুলভাবে প্রভাবিত করার জন্য তথ্যের ভুল উপস্থাপন, অপতথ্য তৈরি ও উপস্থাপনের নিন্দা করে এবং সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তথ্য তৈরি ও উপস্থাপনের আহ্বান জানায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা যাঁরা ১৯৭১ সালে উল্টা দিকে যাত্রা করেছিলেন, ১৯৪৭ সালে বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, জাতীয় পার্টির হাত ধরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের সহচর হয়েছিলেন, আপনারা আবার যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, কী পরিণতি হবে, আল্লাহ মালুম!
০৮ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘ডিটেইল প্ল্যানিং’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় চলে এলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটে থাকা দলগুলোর নেতারা নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে হেনস্তা-হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের শীর্ষ নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘তারা আগে এক প্লেটে বসে খেত। এখন তাদের প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্
২ ঘণ্টা আগেবাসস, ঢাকা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘ডিটেইল প্ল্যানিং’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আসুন, আমরা সকলে মিলে যদি সরকারকে সহযোগিতা করি, যে সরকার নির্বাচিত হবে এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে চাই, ইনশা আল্লাহ, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। সেই সরকারকে সফল করতে হলে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিএনপির লাখ লাখ নেতা-কর্মীকে সহযোগিতা করতে হবে।’
দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যে অন্যায় করে, সে কোনো দলের হতে পারে না। অন্যায় যে করে, সে অন্যায়কারী। কাজেই, যেকোনো মূল্যে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, কঠোর হস্তে দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলাকে আমাদের ঠিক রাখতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছে নিরাপদ। দেশের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা বলেন, এটিতেও বিএনপির রেকর্ড রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা, এটিতেও বিএনপির রেকর্ড রয়েছে।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমরা একটি রাজনৈতিক দল। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই জনগণ আমাদের কাছে শুধু কথার ফুলঝুড়ি প্রত্যাশা করে না, কথার ফুলঝুড়ি যদি দিতে হয়, অনেক কথা আমরা বলতে পারি; কিন্তু জনগণ আমাদের কাছে প্রত্যাশা করে যে—আমরা কীভাবে দেশ পরিচালনা করব? পুরো পরিকল্পনা জনগণ আমাদের কাছে দেখতে চায়। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘‘ডিটেইল প্ল্যানিং’’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়।’
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আজ দেশের স্বাধীনতা বলেন, সার্বভৌমত্ব বলেন, গণতন্ত্র বলেন—সবকিছু নির্ভর করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ওপরে। আমরা যদি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি, এই দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। এই দেশকে আমরা ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করতে পারব। যদি আমরা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে না পারি, জনগণকে সঙ্গে রাখতে না পারি, এই দেশের অস্তিত্ব নিয়ে ভবিষ্যতে প্রশ্ন দেখা দেবে। কাজেই, আপনাদেরকে এখন সজাগ হতে হবে। ঘরে বসে থাকার বিন্দুমাত্র সময় নেই, মাঠে চলে যেতে হবে, মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, পথে-প্রান্তরে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’
এর আগে সকালে একই অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আজকে একটা জরিপের রিপোর্ট বের হয়েছে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বেশি আসন এই নির্বাচনে কে পাবে? কোন দল? শতকরা ৬৬ জন উত্তরদাতা বলেছে বিএনপি। আর শতকরা ২৬ জন উত্তরদাতা বলেছে জামায়াতে ইসলামী। ডিফারেন্স হলো, ৪৪ ভাগ। আর অন্য যারা, তারা তো অনেক অনেক কম আরকি। এমনকি অনেক উল্লেখযোগ্য দল, তারা শতকরা এক ভাগও না। এরচেয়েও কম। এতে হতাশ হয়ে, নিরাশ হয়ে কেউ ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিতেই পারে। কিন্তু যে জনগণ তাদের মনস্থির করে ফেলেছে, তারাই ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দেবে না। এটা মনে রাখতে হবে।’
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতন ও একটা নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক দফা, এই এক দফা আমরা অর্জন করেছি। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, বাকি অংশটুকু পূরণ করার জন্যই অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু এই বাংলাদেশের জনগণ মাত্র কিছুদিন আগে ১৫ বছর ধইরা সিন্দাবাদের দৈত্যের মতো ঘাড়ে চেপে বসা একটা নিপীড়নকারী, একটা খুনি, একটা ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করেছে। সেই জনগণ কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেবে না। কোনো ষড়যন্ত্র এই জনগণকে পরাজিত করতে পারেনি এবং পারবে না ইনশা আল্লাহ।’
‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট
এদিকে আজ মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লিখেছেন, ‘দুর্নীতি কীভাবে বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিচ্ছে—তা বুঝতে দূরে যাওয়ার দরকার নেই। মেধার ভিত্তিতে চাকরি খুঁজতে বের হওয়া একজন গ্র্যাজুয়েটের সঙ্গে কথা বললেই বুঝবেন। মাসের পর মাস ধরে একটি সাধারণ সরকারি সেবা পেতে হিমশিম খাওয়া কৃষকের দিকে তাকান। হাসপাতালে গিয়ে এক তরুণের পরিবার কীভাবে ভোগান্তিতে পড়ে, সেটা শুনুন। অথবা ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখতে ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়া উদ্যোক্তাদের ভোগান্তি দেখুন। খাবারের দাম কেন বাড়ে, স্কুলে ভালো পড়াশোনা কেন মেলে না, রাস্তায় কেন নিরাপত্তা নেই—সবকিছুর পিছনে সেই একই কারণ—দুর্নীতি। এটা লাখো মানুষের প্রতিদিনের জীবনকে দমবন্ধ করে ফেলেছে।’
আগামী দিনের লড়াইয়ে বিএনপি নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত উল্লেখ করে তারেক রহমান লেখেন, ‘বহু বছর অব্যবস্থাপনার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই অবশ্যই কঠিন হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসই প্রমাণ করে, যখন সৎ নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও জনগণের সমর্থন একসাথে আসে, তখন পরিবর্তন অসম্ভব নয়। জনগণ যদি দায়িত্ব দেয়—বিএনপি আবারও সেই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।’
অন্যদিকে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশ দীর্ঘ দেড় দশক ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কালো অধ্যায় পার করেছে, যখন মানবাধিকার সমাধিস্থ করা হয়েছিল, গণতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল, রাষ্ট্রব্যবস্থাকে নেওয়া হয়েছিল হাতের মুঠোয়। এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁরা রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ছাত্র, শ্রমিক কিংবা সাধারণ মানুষ যে-ই হোন না কেন, মিথ্যা মামলা, কারাবাস, শারীরিক নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানবাধিকার দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানবাধিকার কোনো বিশেষ দিনের বিষয় নয়, এটি প্রতিদিনের মানবাধিকার হরণের প্রতি লক্ষ রাখা ও প্রতিকারের উদ্যোগ গ্রহণ করা। দেশের আপামর জনগণের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন কারাবন্দী থেকে, মিথ্যা মামলায় শাস্তিপ্রাপ্ত হয়ে যে নির্মম পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন, তা এক চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই অধ্যায় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কখনো থেমে থাকা উচিত নয়। ন্যায়সংগত প্রতিবাদের বিজয় অনিবার্য। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অসুস্থ দেশনেত্রীর আশু সুস্থতা কামনা করছি।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘ডিটেইল প্ল্যানিং’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আসুন, আমরা সকলে মিলে যদি সরকারকে সহযোগিতা করি, যে সরকার নির্বাচিত হবে এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে চাই, ইনশা আল্লাহ, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। সেই সরকারকে সফল করতে হলে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিএনপির লাখ লাখ নেতা-কর্মীকে সহযোগিতা করতে হবে।’
দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যে অন্যায় করে, সে কোনো দলের হতে পারে না। অন্যায় যে করে, সে অন্যায়কারী। কাজেই, যেকোনো মূল্যে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, কঠোর হস্তে দেশের মানুষের স্বার্থে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলাকে আমাদের ঠিক রাখতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছে নিরাপদ। দেশের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা বলেন, এটিতেও বিএনপির রেকর্ড রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা, এটিতেও বিএনপির রেকর্ড রয়েছে।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমরা একটি রাজনৈতিক দল। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই জনগণ আমাদের কাছে শুধু কথার ফুলঝুড়ি প্রত্যাশা করে না, কথার ফুলঝুড়ি যদি দিতে হয়, অনেক কথা আমরা বলতে পারি; কিন্তু জনগণ আমাদের কাছে প্রত্যাশা করে যে—আমরা কীভাবে দেশ পরিচালনা করব? পুরো পরিকল্পনা জনগণ আমাদের কাছে দেখতে চায়। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘‘ডিটেইল প্ল্যানিং’’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়।’
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আজ দেশের স্বাধীনতা বলেন, সার্বভৌমত্ব বলেন, গণতন্ত্র বলেন—সবকিছু নির্ভর করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ওপরে। আমরা যদি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি, এই দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। এই দেশকে আমরা ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করতে পারব। যদি আমরা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে না পারি, জনগণকে সঙ্গে রাখতে না পারি, এই দেশের অস্তিত্ব নিয়ে ভবিষ্যতে প্রশ্ন দেখা দেবে। কাজেই, আপনাদেরকে এখন সজাগ হতে হবে। ঘরে বসে থাকার বিন্দুমাত্র সময় নেই, মাঠে চলে যেতে হবে, মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, পথে-প্রান্তরে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’
এর আগে সকালে একই অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আজকে একটা জরিপের রিপোর্ট বের হয়েছে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বেশি আসন এই নির্বাচনে কে পাবে? কোন দল? শতকরা ৬৬ জন উত্তরদাতা বলেছে বিএনপি। আর শতকরা ২৬ জন উত্তরদাতা বলেছে জামায়াতে ইসলামী। ডিফারেন্স হলো, ৪৪ ভাগ। আর অন্য যারা, তারা তো অনেক অনেক কম আরকি। এমনকি অনেক উল্লেখযোগ্য দল, তারা শতকরা এক ভাগও না। এরচেয়েও কম। এতে হতাশ হয়ে, নিরাশ হয়ে কেউ ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিতেই পারে। কিন্তু যে জনগণ তাদের মনস্থির করে ফেলেছে, তারাই ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দেবে না। এটা মনে রাখতে হবে।’
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতন ও একটা নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক দফা, এই এক দফা আমরা অর্জন করেছি। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, বাকি অংশটুকু পূরণ করার জন্যই অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু এই বাংলাদেশের জনগণ মাত্র কিছুদিন আগে ১৫ বছর ধইরা সিন্দাবাদের দৈত্যের মতো ঘাড়ে চেপে বসা একটা নিপীড়নকারী, একটা খুনি, একটা ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করেছে। সেই জনগণ কোনো ষড়যন্ত্র হতে দেবে না। কোনো ষড়যন্ত্র এই জনগণকে পরাজিত করতে পারেনি এবং পারবে না ইনশা আল্লাহ।’
‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট
এদিকে আজ মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লিখেছেন, ‘দুর্নীতি কীভাবে বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিচ্ছে—তা বুঝতে দূরে যাওয়ার দরকার নেই। মেধার ভিত্তিতে চাকরি খুঁজতে বের হওয়া একজন গ্র্যাজুয়েটের সঙ্গে কথা বললেই বুঝবেন। মাসের পর মাস ধরে একটি সাধারণ সরকারি সেবা পেতে হিমশিম খাওয়া কৃষকের দিকে তাকান। হাসপাতালে গিয়ে এক তরুণের পরিবার কীভাবে ভোগান্তিতে পড়ে, সেটা শুনুন। অথবা ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখতে ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়া উদ্যোক্তাদের ভোগান্তি দেখুন। খাবারের দাম কেন বাড়ে, স্কুলে ভালো পড়াশোনা কেন মেলে না, রাস্তায় কেন নিরাপত্তা নেই—সবকিছুর পিছনে সেই একই কারণ—দুর্নীতি। এটা লাখো মানুষের প্রতিদিনের জীবনকে দমবন্ধ করে ফেলেছে।’
আগামী দিনের লড়াইয়ে বিএনপি নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত উল্লেখ করে তারেক রহমান লেখেন, ‘বহু বছর অব্যবস্থাপনার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই অবশ্যই কঠিন হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসই প্রমাণ করে, যখন সৎ নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও জনগণের সমর্থন একসাথে আসে, তখন পরিবর্তন অসম্ভব নয়। জনগণ যদি দায়িত্ব দেয়—বিএনপি আবারও সেই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।’
অন্যদিকে জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশ দীর্ঘ দেড় দশক ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কালো অধ্যায় পার করেছে, যখন মানবাধিকার সমাধিস্থ করা হয়েছিল, গণতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল, রাষ্ট্রব্যবস্থাকে নেওয়া হয়েছিল হাতের মুঠোয়। এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁরা রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ছাত্র, শ্রমিক কিংবা সাধারণ মানুষ যে-ই হোন না কেন, মিথ্যা মামলা, কারাবাস, শারীরিক নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘মানবাধিকার দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানবাধিকার কোনো বিশেষ দিনের বিষয় নয়, এটি প্রতিদিনের মানবাধিকার হরণের প্রতি লক্ষ রাখা ও প্রতিকারের উদ্যোগ গ্রহণ করা। দেশের আপামর জনগণের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন কারাবন্দী থেকে, মিথ্যা মামলায় শাস্তিপ্রাপ্ত হয়ে যে নির্মম পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন, তা এক চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই অধ্যায় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কখনো থেমে থাকা উচিত নয়। ন্যায়সংগত প্রতিবাদের বিজয় অনিবার্য। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অসুস্থ দেশনেত্রীর আশু সুস্থতা কামনা করছি।’

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা যাঁরা ১৯৭১ সালে উল্টা দিকে যাত্রা করেছিলেন, ১৯৪৭ সালে বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, জাতীয় পার্টির হাত ধরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের সহচর হয়েছিলেন, আপনারা আবার যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, কী পরিণতি হবে, আল্লাহ মালুম!
০৮ নভেম্বর ২০২৫
সীমিত মানুষের ওপর করা জরিপের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আগাম বার্তা দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় চলে এলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটে থাকা দলগুলোর নেতারা নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে হেনস্তা-হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের শীর্ষ নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘তারা আগে এক প্লেটে বসে খেত। এখন তাদের প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় চলে এলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটে থাকা দলগুলোর নেতারা নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে হেনস্তা-হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের শীর্ষ নেতারা।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পল্টনে নাগরিক ঐক্যের অফিসে গণতন্ত্র মঞ্চের এক জরুরি সভায় এমন কথা জানিয়েছেন মঞ্চের নেতারা। সভা শেষে মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য আকবর খান প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘কাল-পরশু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। আমরাও চাই সরকার তার ঘোষিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করুক। কিন্তু নির্বাচনের জন্য যে ধরনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকা দরকার, সরকার তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।’
নির্বাচনকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানান নেতারা। তাঁরা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর জনগণের আস্থা-বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে। নির্বাচনে বেশুমার টাকার খেলা বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। এই নির্বাচনকে কোনো অবস্থাতেই অতীতের স্বৈরাচারী আমলের মতো প্রশ্নবিদ্ধ করা করা যাবে না।’
সভায় রামগতির আলেকজান্ডার হাইস্কুলে জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রবের নির্বাচনী জনসভায় দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানান মঞ্চের নেতারা। তাঁরা বলেন, ‘নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সংঘাত-সহিংসতাও তত ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্ত্রবাজ-সন্ত্রাসীদের সহিংস তৎপরতা বাড়ছে। এসব ব্যাপার প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি চলতে দিলে জননিরাপত্তাও হুমকির মধ্যে পড়ে যাবে।’
নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রবের নির্বাচনী এলাকায় তাঁদের অফিসে হামলা, ভাঙচুর এবং নির্বাচনী সভা-সমাবেশ করতে বাধা দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল একদল সন্ত্রাসী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এই ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল। তারপরও গতকালকে জনসভায় আসা-যাওয়ার পথে পথে যেভাবে হামলাসহ আক্রমণ করা হয়েছে, তা খুবই দুঃখজনক এবং ন্যক্কারজনক।’
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় চলে এলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটে থাকা দলগুলোর নেতারা নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে হেনস্তা-হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের শীর্ষ নেতারা।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পল্টনে নাগরিক ঐক্যের অফিসে গণতন্ত্র মঞ্চের এক জরুরি সভায় এমন কথা জানিয়েছেন মঞ্চের নেতারা। সভা শেষে মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য আকবর খান প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘কাল-পরশু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। আমরাও চাই সরকার তার ঘোষিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করুক। কিন্তু নির্বাচনের জন্য যে ধরনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকা দরকার, সরকার তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।’
নির্বাচনকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানান নেতারা। তাঁরা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর জনগণের আস্থা-বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে। নির্বাচনে বেশুমার টাকার খেলা বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। এই নির্বাচনকে কোনো অবস্থাতেই অতীতের স্বৈরাচারী আমলের মতো প্রশ্নবিদ্ধ করা করা যাবে না।’
সভায় রামগতির আলেকজান্ডার হাইস্কুলে জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রবের নির্বাচনী জনসভায় দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ জানান মঞ্চের নেতারা। তাঁরা বলেন, ‘নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সংঘাত-সহিংসতাও তত ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্ত্রবাজ-সন্ত্রাসীদের সহিংস তৎপরতা বাড়ছে। এসব ব্যাপার প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি চলতে দিলে জননিরাপত্তাও হুমকির মধ্যে পড়ে যাবে।’
নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রবের নির্বাচনী এলাকায় তাঁদের অফিসে হামলা, ভাঙচুর এবং নির্বাচনী সভা-সমাবেশ করতে বাধা দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল একদল সন্ত্রাসী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এই ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল। তারপরও গতকালকে জনসভায় আসা-যাওয়ার পথে পথে যেভাবে হামলাসহ আক্রমণ করা হয়েছে, তা খুবই দুঃখজনক এবং ন্যক্কারজনক।’
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী।

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা যাঁরা ১৯৭১ সালে উল্টা দিকে যাত্রা করেছিলেন, ১৯৪৭ সালে বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, জাতীয় পার্টির হাত ধরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের সহচর হয়েছিলেন, আপনারা আবার যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, কী পরিণতি হবে, আল্লাহ মালুম!
০৮ নভেম্বর ২০২৫
সীমিত মানুষের ওপর করা জরিপের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আগাম বার্তা দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘ডিটেইল প্ল্যানিং’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘তারা আগে এক প্লেটে বসে খেত। এখন তাদের প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘তারা আগে এক প্লেটে বসে খেত। এখন তাদের প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি।’
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন এসব কথা বলেন।
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আপনারা (বিএনপি) ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ বাংলাদেশে প্রত্যেকটা সেক্টরে দুর্নীতি করেছেন। আর এখন নতুন করে প্ল্যাটফর্ম বাগিয়েছেন, তুমি ইসলাম নিয়ে অর্ধেক আর আমি অর্ধেক। আগে এক প্লেটে বসে খাইত আর এখন প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি। জামায়াতে ইসলামীও দুর্নীতির জন্য সমান দোষে দোষী।’
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ের ঘটনা বর্ণনা করে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘৫ আগস্ট যখন বিপ্লব হলো, ক্যান্টনমেন্টে মিটিং বসল, পরবর্তীতে একটি জাতীয় সরকারের আলাপ আসল। বাংলাদেশের “দুর্নীতির অন্যতম মাস্টারমাইন্ড” ২০০১-২০০৬, তার মাথায় আওয়ামী বুদ্ধিপনা চেপে বসল। আমরা যদি একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে পারতাম, সকল দলের যদি অংশগ্রহণ থাকত, বিপ্লবী একটি সংবিধান বানাতে পারতাম। তাহলে দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড যে আছে, তার পাল্লায় বর্তমান দেশে যে পরিস্থিতি আছে, সেটা পড়তে হতো না।’
এ দুটি দলের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন আরও বলেন, ‘ওই সময় বিএনপিও ছিল ক্যান্টনমেন্টে, জামায়াতে ইসলামীও ছিল। জামায়াতে ইসলামী মুখে মুখে বিপ্লব বলে, অন্তরে তাদের আওয়ামী প্রীতি বিরাজ করে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ প্রতিনিধিদেরও সমালোচনা করেন নাসীরুদ্দীন। তিনি বলেন, ‘তারা (জামায়াতে ইসলামী) বাংলাদেশটাকে দেখানোর চেষ্টা করেছিল যে আমরা ইনক্লুসিভ (অন্তর্ভুক্তিমূলক) রাজনীতি করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সেক্যুলার জায়গায় ছাত্ররা তাদের ভোট দিয়েছিল। তারা কিছু ভালো কাজ করেছিল। সেই ফল তারা পেয়েছে। যখনই ডাকসুর ফলাফল আসল, দুই মাসের মাথায় তাদের মুখোশ উন্মোচিত হলো। এখন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ভোট নিয়ে হেলিকপ্টারে করে ঘুরে ঘুরে জামায়াতে ইসলামীর প্রোপাগান্ডা করে বেড়াচ্ছে পুরো বাংলাদেশে। এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি আমরা দেখতে চাইনি।’
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনকালের জন্য বিএনপির ব্যর্থতা দায়ী বলে মন্তব্য করেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি বলেন, ‘এক থেকে ছয়ের ব্যর্থতার জন্য যেমন বিএনপি দায়ী, গত ১৫ বছরের শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসন, এটার পেছনেও বিএনপির ব্যর্থতা অনেকাংশে দায়ী।’
কারও নাম উল্লেখ না করে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আমাদের ভয় দেখানোর প্রচেষ্টা করা হয়। ভয়টা বাংলাদেশ থেকে দেখায় না। লন্ডন থেকে দেখায়। আমরা কি অনলাইনে কাউকে ভয় পাই? বাস্তবেই কাউকে ভয় পাই না। অনলাইনে ভয় দেখায়।’
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘যে নির্বাচন ’২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে, এই নির্বাচনের একমাত্র অ্যাজেন্ডা হওয়ার কথা ছিল সংস্কার। কিন্তু নানাভাবে এই নির্বাচনটাকে একটা শোডাউনের নির্বাচনে পরিণত করা হয়েছে।’
নাম উল্লেখ না করে বিএনপি ও জামায়াতের সমালোচনা করে আখতার বলেন, ‘একদল বলেছে, আমরা আগে ক্ষমতা পরিচালনা করেছি, অভিজ্ঞতা আছে। আরেক দল বলছে, আমরা কখনোই ক্ষমতায় আসি নাই, আমরা নতুন কিছু দিতে চাই, যদিও তারা মন্ত্রিত্ব শেয়ার করেছে।’ অর্ধসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করে মানুষকে অন্ধকারে রাখার রাজনীতি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আখতার বলেন, ‘এই নির্বাচনটা শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের বিষয় নয়। এই নির্বাচনের একটা পার্ট হচ্ছে গণভোট। যে গণভোটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আমরা যে সংস্কার চেয়েছিলাম, তার কতটুকু গৃহীত হবে, সেটাও এই নির্বাচনের একটা পার্ট।’
জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, সদস্যসচিব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘তারা আগে এক প্লেটে বসে খেত। এখন তাদের প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি।’
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন এসব কথা বলেন।
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আপনারা (বিএনপি) ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ বাংলাদেশে প্রত্যেকটা সেক্টরে দুর্নীতি করেছেন। আর এখন নতুন করে প্ল্যাটফর্ম বাগিয়েছেন, তুমি ইসলাম নিয়ে অর্ধেক আর আমি অর্ধেক। আগে এক প্লেটে বসে খাইত আর এখন প্লেট ভাগ হয়েছে, কিন্তু এক পাতিলে তরকারি। জামায়াতে ইসলামীও দুর্নীতির জন্য সমান দোষে দোষী।’
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ের ঘটনা বর্ণনা করে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘৫ আগস্ট যখন বিপ্লব হলো, ক্যান্টনমেন্টে মিটিং বসল, পরবর্তীতে একটি জাতীয় সরকারের আলাপ আসল। বাংলাদেশের “দুর্নীতির অন্যতম মাস্টারমাইন্ড” ২০০১-২০০৬, তার মাথায় আওয়ামী বুদ্ধিপনা চেপে বসল। আমরা যদি একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে পারতাম, সকল দলের যদি অংশগ্রহণ থাকত, বিপ্লবী একটি সংবিধান বানাতে পারতাম। তাহলে দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড যে আছে, তার পাল্লায় বর্তমান দেশে যে পরিস্থিতি আছে, সেটা পড়তে হতো না।’
এ দুটি দলের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন আরও বলেন, ‘ওই সময় বিএনপিও ছিল ক্যান্টনমেন্টে, জামায়াতে ইসলামীও ছিল। জামায়াতে ইসলামী মুখে মুখে বিপ্লব বলে, অন্তরে তাদের আওয়ামী প্রীতি বিরাজ করে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ প্রতিনিধিদেরও সমালোচনা করেন নাসীরুদ্দীন। তিনি বলেন, ‘তারা (জামায়াতে ইসলামী) বাংলাদেশটাকে দেখানোর চেষ্টা করেছিল যে আমরা ইনক্লুসিভ (অন্তর্ভুক্তিমূলক) রাজনীতি করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সেক্যুলার জায়গায় ছাত্ররা তাদের ভোট দিয়েছিল। তারা কিছু ভালো কাজ করেছিল। সেই ফল তারা পেয়েছে। যখনই ডাকসুর ফলাফল আসল, দুই মাসের মাথায় তাদের মুখোশ উন্মোচিত হলো। এখন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ভোট নিয়ে হেলিকপ্টারে করে ঘুরে ঘুরে জামায়াতে ইসলামীর প্রোপাগান্ডা করে বেড়াচ্ছে পুরো বাংলাদেশে। এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি আমরা দেখতে চাইনি।’
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনকালের জন্য বিএনপির ব্যর্থতা দায়ী বলে মন্তব্য করেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি বলেন, ‘এক থেকে ছয়ের ব্যর্থতার জন্য যেমন বিএনপি দায়ী, গত ১৫ বছরের শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসন, এটার পেছনেও বিএনপির ব্যর্থতা অনেকাংশে দায়ী।’
কারও নাম উল্লেখ না করে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘আমাদের ভয় দেখানোর প্রচেষ্টা করা হয়। ভয়টা বাংলাদেশ থেকে দেখায় না। লন্ডন থেকে দেখায়। আমরা কি অনলাইনে কাউকে ভয় পাই? বাস্তবেই কাউকে ভয় পাই না। অনলাইনে ভয় দেখায়।’
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘যে নির্বাচন ’২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে, এই নির্বাচনের একমাত্র অ্যাজেন্ডা হওয়ার কথা ছিল সংস্কার। কিন্তু নানাভাবে এই নির্বাচনটাকে একটা শোডাউনের নির্বাচনে পরিণত করা হয়েছে।’
নাম উল্লেখ না করে বিএনপি ও জামায়াতের সমালোচনা করে আখতার বলেন, ‘একদল বলেছে, আমরা আগে ক্ষমতা পরিচালনা করেছি, অভিজ্ঞতা আছে। আরেক দল বলছে, আমরা কখনোই ক্ষমতায় আসি নাই, আমরা নতুন কিছু দিতে চাই, যদিও তারা মন্ত্রিত্ব শেয়ার করেছে।’ অর্ধসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করে মানুষকে অন্ধকারে রাখার রাজনীতি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আখতার বলেন, ‘এই নির্বাচনটা শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের বিষয় নয়। এই নির্বাচনের একটা পার্ট হচ্ছে গণভোট। যে গণভোটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আমরা যে সংস্কার চেয়েছিলাম, তার কতটুকু গৃহীত হবে, সেটাও এই নির্বাচনের একটা পার্ট।’
জাতীয় যুবশক্তির প্রতিনিধি সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, সদস্যসচিব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনারা যাঁরা ১৯৭১ সালে উল্টা দিকে যাত্রা করেছিলেন, ১৯৪৭ সালে বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন, জাতীয় পার্টির হাত ধরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের সহচর হয়েছিলেন, আপনারা আবার যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, কী পরিণতি হবে, আল্লাহ মালুম!
০৮ নভেম্বর ২০২৫
সীমিত মানুষের ওপর করা জরিপের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল সম্পর্কে আগাম বার্তা দেওয়া ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রয়াস বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ‘ডিটেইল প্ল্যানিং’ শুধু বিএনপির আছে, আর কোনো দলের নয়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় চলে এলেও দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। জোটে থাকা দলগুলোর নেতারা নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে হেনস্তা-হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের শীর্ষ নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে