নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে কিশোর নিহতের ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের লোকজনকে দায়ী করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই ঘটনায় নিজেদের অপরাধ অন্যের ঘাড়ে চাপাতে বিএনপি নেতা–কর্মীদের নামে মামলা দিতে নিহতের পরিবারকে চাপ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিনের বাসভবনের সামনে ৫ অক্টোবরের চট্টগ্রাম রোডমার্চকে সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে জাহিদ হাসান রুমন নামে এক নিরীহ দোকান কর্মচারী জাহিদ হাসান রুমনকে পাথর ছুড়ে নির্মমভাবে হত্যাসহ অনেক নেতা-কর্মীকে আহত করে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের দুই ঘণ্টা পর নুরুল আমিনের বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।’
এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বরাবরের মতো সরকারি মদদে দেশব্যাপী বেপরোয়াভাবে শুরু হয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রক্ত ঝরানোর নির্মম খেলা এবং নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে বিএনপি নেতা–কর্মীদের ঘায়েল করতে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়েরের ন্যক্কারজনক অপকৌশল। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এখন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী অবৈধ সরকার উন্মাদ হয়ে পড়েছে। আর তাই মানুষের রক্তে হাত রঞ্জিত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করছে না তারা। চট্টগ্রামের মীরের সরাইতে একজন সাধারণ দোকান কর্মচারী জাহিদ হাসান রুমন কে হত্যার মধ্য দিয়ে সেটির বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হলো। কিন্তু হত্যা নির্যাতন নিপীড়ন করে তাদের শেষ রক্ষা হবে না। জনগণের তীব্র আন্দোলনে অচিরেই অবৈধ আওয়ামী সরকারের পতন নিশ্চিত হবে।’
ফখরুল বলেন, ‘আমি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অবিলম্বে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানাচ্ছি। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত জাহিদ হাসান রুমনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে কিশোর নিহতের ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের লোকজনকে দায়ী করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই ঘটনায় নিজেদের অপরাধ অন্যের ঘাড়ে চাপাতে বিএনপি নেতা–কর্মীদের নামে মামলা দিতে নিহতের পরিবারকে চাপ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিনের বাসভবনের সামনে ৫ অক্টোবরের চট্টগ্রাম রোডমার্চকে সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে জাহিদ হাসান রুমন নামে এক নিরীহ দোকান কর্মচারী জাহিদ হাসান রুমনকে পাথর ছুড়ে নির্মমভাবে হত্যাসহ অনেক নেতা-কর্মীকে আহত করে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের দুই ঘণ্টা পর নুরুল আমিনের বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।’
এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বরাবরের মতো সরকারি মদদে দেশব্যাপী বেপরোয়াভাবে শুরু হয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রক্ত ঝরানোর নির্মম খেলা এবং নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে বিএনপি নেতা–কর্মীদের ঘায়েল করতে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়েরের ন্যক্কারজনক অপকৌশল। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এখন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী অবৈধ সরকার উন্মাদ হয়ে পড়েছে। আর তাই মানুষের রক্তে হাত রঞ্জিত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করছে না তারা। চট্টগ্রামের মীরের সরাইতে একজন সাধারণ দোকান কর্মচারী জাহিদ হাসান রুমন কে হত্যার মধ্য দিয়ে সেটির বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হলো। কিন্তু হত্যা নির্যাতন নিপীড়ন করে তাদের শেষ রক্ষা হবে না। জনগণের তীব্র আন্দোলনে অচিরেই অবৈধ আওয়ামী সরকারের পতন নিশ্চিত হবে।’
ফখরুল বলেন, ‘আমি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অবিলম্বে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানাচ্ছি। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত জাহিদ হাসান রুমনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।’

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আজ সকাল থেকেই রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠক করছেন ইসলামী আন্দোলন ছাড়া অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
৫ মিনিট আগে
দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১৫ ঘণ্টা আগে