নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিরোধী রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, তালাবন্ধ করা, নেতাদের অফিসে ঢুকতে না দেওয়া, সভা-সমাবেশে বাধা প্রদান, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও গণ গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের সমন্বয়ক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ‘সরকার দেশকে পুলিশি ও গুন্ডাদের রাজত্বে পরিণত করেছে।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার করে নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন বন্ধ ও রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন রুহিন হোসেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘সরকার সভা-সমাবেশ বন্ধ করে শুধু রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেনি, জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। ভয়ের রাজত্ব তৈরি করে দুর্নীতি-লুটপাট অব্যাহত রেখে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চাইছে। সরকার দেশকে পুলিশি ও গুন্ডাদের রাজত্বে পরিণত করেছে।’
এ বাম নেতা আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসকেরা এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে জনগনের কণ্ঠরোধ করতে চায়। কিন্তু ইতিহাসে ওইসব স্বৈরাচারী শাসকেরা বেশি দিন ক্ষমতায় টিকতে পারে না। বিনা ভোটের সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন— বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদের (মার্কসবাদী)সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের ডা. হারুন উর রশীদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহিদুল ইসলাম সবুজ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা রুবেল সিকদার প্রমুখ।

বিরোধী রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, তালাবন্ধ করা, নেতাদের অফিসে ঢুকতে না দেওয়া, সভা-সমাবেশে বাধা প্রদান, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও গণ গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের সমন্বয়ক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ‘সরকার দেশকে পুলিশি ও গুন্ডাদের রাজত্বে পরিণত করেছে।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার করে নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন বন্ধ ও রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন রুহিন হোসেন।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘সরকার সভা-সমাবেশ বন্ধ করে শুধু রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেনি, জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। ভয়ের রাজত্ব তৈরি করে দুর্নীতি-লুটপাট অব্যাহত রেখে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চাইছে। সরকার দেশকে পুলিশি ও গুন্ডাদের রাজত্বে পরিণত করেছে।’
এ বাম নেতা আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসকেরা এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে জনগনের কণ্ঠরোধ করতে চায়। কিন্তু ইতিহাসে ওইসব স্বৈরাচারী শাসকেরা বেশি দিন ক্ষমতায় টিকতে পারে না। বিনা ভোটের সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন— বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদের (মার্কসবাদী)সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের ডা. হারুন উর রশীদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহিদুল ইসলাম সবুজ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা রুবেল সিকদার প্রমুখ।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
২ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৪ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১৪ ঘণ্টা আগে