নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জামিন পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর মতে, খালেদা জিয়ার জামিন প্রাপ্য। আর এই প্রাপ্য কেন দেওয়া হচ্ছে না, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনাসভায় তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'কেন দিচ্ছেন না বেগম জিয়ার প্রাপ্য জামিন? বেগম জিয়া তো দয়া চাইছেন না আপনাদের কাছে। আপনারা তাঁর যে প্রাপ্য, তাঁর জামিন, সেটা দেন। আপনারা এই ধরনের মামলায় সবাইকে জামিন দিয়েছেন। তাহলে তাঁকে দিচ্ছেন না কেন? তাঁর পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে দশ বছর করেছেন।'
শর্তসাপেক্ষে বাড়িতে থাকার অনুমতি পাওয়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও করোনায় আক্রান্ত হলে চলতি বছরের এপ্রিলে তাঁকে এই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা নিয়ে জুনে বাড়ি ফেরেন খালেদা জিয়া।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব জানান, কয়েক দিন ধরে অল্প অল্প জ্বর আসছিল বিএনপির চেয়ারপারসনের। সবশেষ হাসপাতাল থেকে আসার পর তাঁর আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। এই অবস্থায় তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকেরা বারবার বলে আসছেন, তাঁর যে অসুস্থতা, তার যে রোগ, সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা এখানে সম্ভব নয়। সব ধরনের রোগের একসঙ্গে চিকিৎসা হতে পারে এমন মানসম্পন্ন যে হাসপাতাল, সেখানে তাঁকে নেওয়া দরকার। চিকিৎসকেরা পরিষ্কার করে বলেছেন, বাংলাদেশে এ রকম কোনো ব্যবস্থা নেই। এর জন্য তাঁকে বাইরে নিতে হবে।
'খালেদা জিয়া কেন হাসপাতালে' এবং কেন তিনি অসুস্থ—এমন প্রশ্ন রেখে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, যে তিন বছর তিনি জেলে ছিলেন, তাঁর কোনো চিকিৎসা হয়নি। ইচ্ছা করেই তাঁর চিকিৎসা করা হয়নি।
তাঁর বিরুদ্ধে যে মামলা, সেই মামলার রায়ে তিনি তহবিল তছরুপ করেছেন—এ রকম কিছু বলা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কেন বিষয়টা লক্ষ্য করেননি। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। অথচ সমানে বলা হচ্ছে তিনি এতিমের টাকা মেরে খেয়েছেন।
ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে শুধু একটি কারণে। সরকার জানে তিনি বের হলে তাদের ক্ষমতা থাকবে না।

দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জামিন পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর মতে, খালেদা জিয়ার জামিন প্রাপ্য। আর এই প্রাপ্য কেন দেওয়া হচ্ছে না, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনাসভায় তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'কেন দিচ্ছেন না বেগম জিয়ার প্রাপ্য জামিন? বেগম জিয়া তো দয়া চাইছেন না আপনাদের কাছে। আপনারা তাঁর যে প্রাপ্য, তাঁর জামিন, সেটা দেন। আপনারা এই ধরনের মামলায় সবাইকে জামিন দিয়েছেন। তাহলে তাঁকে দিচ্ছেন না কেন? তাঁর পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে দশ বছর করেছেন।'
শর্তসাপেক্ষে বাড়িতে থাকার অনুমতি পাওয়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও করোনায় আক্রান্ত হলে চলতি বছরের এপ্রিলে তাঁকে এই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা নিয়ে জুনে বাড়ি ফেরেন খালেদা জিয়া।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব জানান, কয়েক দিন ধরে অল্প অল্প জ্বর আসছিল বিএনপির চেয়ারপারসনের। সবশেষ হাসপাতাল থেকে আসার পর তাঁর আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। এই অবস্থায় তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকেরা বারবার বলে আসছেন, তাঁর যে অসুস্থতা, তার যে রোগ, সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা এখানে সম্ভব নয়। সব ধরনের রোগের একসঙ্গে চিকিৎসা হতে পারে এমন মানসম্পন্ন যে হাসপাতাল, সেখানে তাঁকে নেওয়া দরকার। চিকিৎসকেরা পরিষ্কার করে বলেছেন, বাংলাদেশে এ রকম কোনো ব্যবস্থা নেই। এর জন্য তাঁকে বাইরে নিতে হবে।
'খালেদা জিয়া কেন হাসপাতালে' এবং কেন তিনি অসুস্থ—এমন প্রশ্ন রেখে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, যে তিন বছর তিনি জেলে ছিলেন, তাঁর কোনো চিকিৎসা হয়নি। ইচ্ছা করেই তাঁর চিকিৎসা করা হয়নি।
তাঁর বিরুদ্ধে যে মামলা, সেই মামলার রায়ে তিনি তহবিল তছরুপ করেছেন—এ রকম কিছু বলা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কেন বিষয়টা লক্ষ্য করেননি। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। অথচ সমানে বলা হচ্ছে তিনি এতিমের টাকা মেরে খেয়েছেন।
ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে শুধু একটি কারণে। সরকার জানে তিনি বের হলে তাদের ক্ষমতা থাকবে না।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে