নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নন, তিনি সারা বিশ্বের নন্দিত নেতা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘দেশের মানুষ বলে—শেখ হাসিনার বিকল্প শুধু শেখ হাসিনাই। আমরা আর কাউকে চিনি না। আমরা নৌকা চিনি, শেখ হাসিনাকে চিনি।’
আজ শনিবার রাজধানীর কাওলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অবাক লাগে, কষ্ট লাগে যখন অনেকেই অনেক কথা বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন জায়গা দিয়ে। আজকে আমরা দেখেছি, যারা জনগণ থেকে বিমুখ হয়েছে, সন্ত্রাসী-জঙ্গির উত্থান যারা করেছিলেন, যারা দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন, তাঁরাই আবার অনেক ধরনের কথা বলেন। লাভ হবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাঁদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাদের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করুন।’
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণের ভাষায়, ম্যান্ডেটে চলে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কোনো সন্ত্রাস, কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো মাসেল পাওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগ, প্রধানমন্ত্রী ভর করে না। তিনি জনগণের শক্তিতে চলেন। এ দেশের জনগণ, এটাই তাঁর একমাত্র প্রতিজ্ঞা যে, এ দেশ আর অন্ধকারে যাবে না। দেশের জনগণ আবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রিয় নেতা নন, তিনি সারা বিশ্বের নন্দিত নেতা। যেখানেই গেছি, সেখানেই তাঁর প্রশংসা। সবাই জিজ্ঞেস করে, তোমাদের প্রধানমন্ত্রীর কী ক্যারিশমা যে এই দরিদ্রতম দেশকে আজকে একটা উন্নত দেশে পরিণত করেছেন। উত্তর একটাই, যার ধমনিতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, তিনি দেশকে ভালোবাসেন, দেশের জনগণকে ভালোবাসেন এবং জনগণও তাঁকে ভালোবাসে।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশ ঘুরে বেড়ান উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার অনুভূতি, সারা দেশের মানুষ এক সুরে, একবাক্যে কথা বলে—প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে যেভাবে আলোকিত করেছেন, সেখান থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না। অন্ধকারের দৃশ্য আমরা দেখেছি, হত্যা-খুন-জঙ্গিবাদের উত্থান আমরা দেখেছি। বিদ্যুৎ নেই, ওষুধ নেই, খাদ্য নেই—সেই বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নন, তিনি সারা বিশ্বের নন্দিত নেতা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘দেশের মানুষ বলে—শেখ হাসিনার বিকল্প শুধু শেখ হাসিনাই। আমরা আর কাউকে চিনি না। আমরা নৌকা চিনি, শেখ হাসিনাকে চিনি।’
আজ শনিবার রাজধানীর কাওলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অবাক লাগে, কষ্ট লাগে যখন অনেকেই অনেক কথা বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন জায়গা দিয়ে। আজকে আমরা দেখেছি, যারা জনগণ থেকে বিমুখ হয়েছে, সন্ত্রাসী-জঙ্গির উত্থান যারা করেছিলেন, যারা দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন, তাঁরাই আবার অনেক ধরনের কথা বলেন। লাভ হবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাঁদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাদের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করুন।’
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণের ভাষায়, ম্যান্ডেটে চলে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কোনো সন্ত্রাস, কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো মাসেল পাওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগ, প্রধানমন্ত্রী ভর করে না। তিনি জনগণের শক্তিতে চলেন। এ দেশের জনগণ, এটাই তাঁর একমাত্র প্রতিজ্ঞা যে, এ দেশ আর অন্ধকারে যাবে না। দেশের জনগণ আবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রিয় নেতা নন, তিনি সারা বিশ্বের নন্দিত নেতা। যেখানেই গেছি, সেখানেই তাঁর প্রশংসা। সবাই জিজ্ঞেস করে, তোমাদের প্রধানমন্ত্রীর কী ক্যারিশমা যে এই দরিদ্রতম দেশকে আজকে একটা উন্নত দেশে পরিণত করেছেন। উত্তর একটাই, যার ধমনিতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, তিনি দেশকে ভালোবাসেন, দেশের জনগণকে ভালোবাসেন এবং জনগণও তাঁকে ভালোবাসে।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশ ঘুরে বেড়ান উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার অনুভূতি, সারা দেশের মানুষ এক সুরে, একবাক্যে কথা বলে—প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে যেভাবে আলোকিত করেছেন, সেখান থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না। অন্ধকারের দৃশ্য আমরা দেখেছি, হত্যা-খুন-জঙ্গিবাদের উত্থান আমরা দেখেছি। বিদ্যুৎ নেই, ওষুধ নেই, খাদ্য নেই—সেই বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
৯ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১১ ঘণ্টা আগে