নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘ত্রাণের জন্য মানুষের হাহাকার, খাবারের জন্য হাহাকার। সেদিকে সরকার কর্ণপাত না করে গণমাধ্যমসহ সকল কিছুকে পদ্মা সেতু নিয়ে ব্যস্ত রেখেছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত বন্যা, খরা ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সরকারের ব্যর্থতা ও উদাসীনতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন গত দুই মাস ধরে টাকা পয়সা খরচ করে প্রস্তুতি নিয়ে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি অফিসকে নির্দেশনা দিয়ে তারা ১০ লাখ মানুষকে নিয়ে একটা মহোৎসব করতে চেয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেখানে ১ লাখ লোকও হয় নাই। এই সরকারকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের উপস্থিতি এই জানান দেয়।’
নুর বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, অবশ্যই পদ্মা সেতু আমাদের গর্বের প্রতীক। আমরা অবশ্যই পদ্মা সেতুর পক্ষে। কিন্তু এটা নিয়ে সরকার এত অতিকথন করেছে যা নিয়ে দেশের মানুষ বিরক্ত হয়েছে।’
নুর আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সমজে মারাত্মক মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে। কি দুর্ভাগ্য আমাদের, জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষকদের জুতার মালা পরানো হচ্ছে। শিক্ষকদের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে মারা হচ্ছে। এই হচ্ছে শেখ হাসিনার উন্নয়ন।’
ডাকসুর সাবেক ভিপি বলেন, এই ফ্যাসিবাদী সরকারের জন্য মানুষ অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা ভোট দিতে পারছে না। দেশে গণতন্ত্র নাই। আইনের শাসন নাই। মানুষ যখন নির্বাচনের জন্য সংগঠিত হচ্ছে তখন তারা ইভিএমের নামে ভেলকিবাজি শুরু করেছে। আগামী নির্বাচন নাকি ইভিএমে হবে। যে দেশের মানুষ এখনো দলিল লেখে টিপ সই দিয়ে, সেই দেশে ইভিএম নির্বাচন কতটুকু বাস্তবসম্মত তা আপনারা বিবেচনা করে দেখেন। যেসব রাজনৈতিক দলগুলো ইসির সংলাপে অংশ নিয়েছে, তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগসহ চারটা দল ব্যতীত সবাই বলেছে, ইভিএমে ভোট সম্ভব না।’

গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘ত্রাণের জন্য মানুষের হাহাকার, খাবারের জন্য হাহাকার। সেদিকে সরকার কর্ণপাত না করে গণমাধ্যমসহ সকল কিছুকে পদ্মা সেতু নিয়ে ব্যস্ত রেখেছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত বন্যা, খরা ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সরকারের ব্যর্থতা ও উদাসীনতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন গত দুই মাস ধরে টাকা পয়সা খরচ করে প্রস্তুতি নিয়ে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি অফিসকে নির্দেশনা দিয়ে তারা ১০ লাখ মানুষকে নিয়ে একটা মহোৎসব করতে চেয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেখানে ১ লাখ লোকও হয় নাই। এই সরকারকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের উপস্থিতি এই জানান দেয়।’
নুর বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, অবশ্যই পদ্মা সেতু আমাদের গর্বের প্রতীক। আমরা অবশ্যই পদ্মা সেতুর পক্ষে। কিন্তু এটা নিয়ে সরকার এত অতিকথন করেছে যা নিয়ে দেশের মানুষ বিরক্ত হয়েছে।’
নুর আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সমজে মারাত্মক মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে। কি দুর্ভাগ্য আমাদের, জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষকদের জুতার মালা পরানো হচ্ছে। শিক্ষকদের স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে মারা হচ্ছে। এই হচ্ছে শেখ হাসিনার উন্নয়ন।’
ডাকসুর সাবেক ভিপি বলেন, এই ফ্যাসিবাদী সরকারের জন্য মানুষ অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা ভোট দিতে পারছে না। দেশে গণতন্ত্র নাই। আইনের শাসন নাই। মানুষ যখন নির্বাচনের জন্য সংগঠিত হচ্ছে তখন তারা ইভিএমের নামে ভেলকিবাজি শুরু করেছে। আগামী নির্বাচন নাকি ইভিএমে হবে। যে দেশের মানুষ এখনো দলিল লেখে টিপ সই দিয়ে, সেই দেশে ইভিএম নির্বাচন কতটুকু বাস্তবসম্মত তা আপনারা বিবেচনা করে দেখেন। যেসব রাজনৈতিক দলগুলো ইসির সংলাপে অংশ নিয়েছে, তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগসহ চারটা দল ব্যতীত সবাই বলেছে, ইভিএমে ভোট সম্ভব না।’

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৭ মিনিট আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১২ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১২ ঘণ্টা আগে