নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইনাম আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকার বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইনাম আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর বিষয়টি তাঁর ছেলে নাদিম চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
ইনাম আহমদ চৌধুরী ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর দলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছিল তাঁকে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগমুহূর্তে ১৯ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন সাবেক আমলা ইনাম আহমদ। আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলে ইনাম আহমেদ চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়।
ইনাম আহমদ চৌধুরী ১৯৩৭ সালের ২৯ জুন সিলেটের গোলাপগঞ্জের বারোকোট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা গিয়াসুদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছিলেন ঢাকার কমিশনার। মা রফিকুন্নেছা খাতুন চৌধুরী।
ইনাম তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের আসামের শিলংয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। ১৯৫২-৫৩ সালে ঢাকা কলেজছাত্র সংসদের জেনারেল সেক্রেটারি থাকাকালে শহীদ মিনার নির্মাণ ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
ইনাম আহমদ চৌধুরী ১৯৬০ সালে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তানে যোগদান করেন। ব্যাংককে জাতিসংঘের ‘এস্কাপ’ কমিশনের সেক্রেটারি, আইডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি ছিলেন লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) সভাপতি। লন্ডনে ইকোনমিক মিনিস্টার পদে থাকাকালে লন্ডনের অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদের অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইনাম আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকার বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইনাম আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুর বিষয়টি তাঁর ছেলে নাদিম চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
ইনাম আহমদ চৌধুরী ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর দলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছিল তাঁকে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগমুহূর্তে ১৯ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন সাবেক আমলা ইনাম আহমদ। আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলে ইনাম আহমেদ চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়।
ইনাম আহমদ চৌধুরী ১৯৩৭ সালের ২৯ জুন সিলেটের গোলাপগঞ্জের বারোকোট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা গিয়াসুদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছিলেন ঢাকার কমিশনার। মা রফিকুন্নেছা খাতুন চৌধুরী।
ইনাম তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের আসামের শিলংয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। ১৯৫২-৫৩ সালে ঢাকা কলেজছাত্র সংসদের জেনারেল সেক্রেটারি থাকাকালে শহীদ মিনার নির্মাণ ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
ইনাম আহমদ চৌধুরী ১৯৬০ সালে সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তানে যোগদান করেন। ব্যাংককে জাতিসংঘের ‘এস্কাপ’ কমিশনের সেক্রেটারি, আইডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি ছিলেন লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) সভাপতি। লন্ডনে ইকোনমিক মিনিস্টার পদে থাকাকালে লন্ডনের অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদের অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
১ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে