নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিমের আহ্বানে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ পাঁচটি দলের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিষয়টি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রচার ও দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, আহমদ আবদুল কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরু, পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লোকমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।
বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক থেকে যে কোনো মূল্যে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো কুচক্রি মহল যাতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে না পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নেতারা।
বৈঠকে আগামীতে দেশ গঠনে এবং দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আরও ঘনিষ্ঠভাবে ঐক্যবদ্ধ কৌশল গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিমের আহ্বানে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ পাঁচটি দলের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিষয়টি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রচার ও দাওয়াবিষয়ক সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, আহমদ আবদুল কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরু, পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লোকমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।
বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক থেকে যে কোনো মূল্যে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো কুচক্রি মহল যাতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে না পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নেতারা।
বৈঠকে আগামীতে দেশ গঠনে এবং দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আরও ঘনিষ্ঠভাবে ঐক্যবদ্ধ কৌশল গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে