নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সংকটে শেখ হাসিনা একা নন, পাশে বোন রেহানা দাঁড়িয়ে আছেন দৃঢ় চিত্তে, পিতা মুজিবের স্বপ্নকে সামনে রেখে।’
আজ শনিবার পুরোনো বাণিজ্য মেলা মাঠে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প (কাওলা-ফার্মগেট) অংশের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সংকটে যেমন বঙ্গমাতা সহযোদ্ধা, সহকর্মী ছিলেন, তেমনই নেত্রী শেখ হাসিনার পাশে সংকটে যখন শেখ রেহানাকে দেখি, তখন সেই পুরোনো দিনের হারানো স্মৃতি বারবার মনে পড়ে। সংকটে তিনিও একা নন, পাশে বোন রেহানা দাঁড়িয়ে আছেন দৃঢ় চিত্তে, পিতা মুজিবের স্বপ্নকে সামনে রেখে।’
বিএনপি নেতাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কোন দুঃখে কেন পদত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা? কী কারণে পদত্যাগ করবেন? কোন দেশের নির্বাচনী নীতিমালায় এটা আছে?’
সামনে লড়াই, আগামী ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা উল্লেখ করে উপস্থিতির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পারবেন তো! ফাইনাল খেলায় জিততে পারবেন! পারবেন। ওদের (বিএনপি) হাতে শোকের পতাকা। এখন শোক মিছিলে নামছে। আমাদের হাতে থাকবে বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিজয়ের পতাকা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আগামী নির্বাচনে এগিয়ে যাব বিজয়ের সোনালি বন্দরে। প্রস্তুত আছেন তো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলতে হবে, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে খেলা হবে।’
সিয়েরালিওনে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসে যাচ্ছে শুনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে কিছুটা উল্লাসের ভাব দেখা যাচ্ছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সিয়েরালিওন যা করল, সেই কুকর্ম তো তোমরা করেছ। ক্ষমতায় থাকতে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার, মাগুরার নির্বাচন করেছ। তোমরা জালিয়াতির নির্বাচন করেছ। আগামী নির্বাচনে যারা বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি কেন আসবে না, তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কেন আসবে না? তারাই তো অপরাধী। আমরা তো নির্বাচন চাই ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন চাই। আমাদের লিডার বারবার এ কথা বলে দিয়েছেন। আমাদের সিয়েরালিওনের কথা বলে লাভ নেই। আমাদের গ্যাবনের কথা বলে লাভ নেই।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘চোর’ ও ‘লুটপাটকারী’ আখ্যায়িত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তাকে বাংলাদেশের মানুষ মানে? তোমাদের আন্দোলনের নেতা কে? আগামী নির্বাচনে তোমাদের প্রধানমন্ত্রী কে? বাংলার মানুষ এই লুটপাটকারী, অর্থ পাচারকারী, দুর্নীতিবাজ, ষড়যন্ত্রকারীকে কোনো দিনও মানেনি, কোনো দিনও মানবে না।’
বিএনপি আমলে হাওয়া ভবনে লুটপাট হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর দোসর। তোমরা কী দিয়েছ, ঘোড়ার ডিম। দেশের মানুষ বিএনপির কাছে কী পেল? একেবারে অশ্বডিম্ব। আর কিছুই পায়নি। শত সেতু শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছেন। অপেক্ষা করেন, কয়েক দিন পরেই আরও দেড় শ সেতু এক দিনে উদ্বোধন হবে।’
বিএনপির নেতারা ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আন্দোলন তো নাই। মাঝে মাঝে আন্দোলনে বিরতি দেয়। তখন ঘরে বসে বসে আনন্দে এয়ারকন্ডিশন রুমে হিন্দি সিরিয়াল দেখে। আর বাইরে পুলিশের গতিবিধি লক্ষ করে। এরা কাপুরুষ। এক কাপুরুষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। তারেক রহমান পালিয়ে যায়নি? কী বলে পালিয়ে ছিল? মুচলেকা দিয়ে আর রাজনীতি করবে না বলে। অর্থ পাচারের দণ্ড নিয়ে লন্ডনে আছে, সে নাকি বাংলাদেশের বীর নেতা!’
সুধী সমাবেশের উপস্থিতির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আবার দেখা হবে। আবার দেখা হবে বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বিজয়ের মিছিলে পতাকা হাতে আবারও দেখা হবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে কত লোক, লোকে লোকারণ্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে এলাম, পথে পথে মানুষ আর মানুষ। বাইরে কয়েকটা সমুদ্র। এটা হয়ে গেছে মহাসমুদ্র। মহাসমুদ্রের গর্জন ধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। জনতার মহাসমুদ্র। গতকাল (শুক্রবার) ছাত্র সমাবেশ দেখে ষড়যন্ত্রকারীদের চোখে ঘুম নাই। তারা অন্তর জ্বালায় মরে! এত ছাত্র, এত ছাত্রী কোথা থেকে এল? আজকে ওরা এই ছবি দেখে মূর্ছা যাবে। এই মহাসমুদ্র দেখলে ওরা হারিয়ে যাবে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সংকটে শেখ হাসিনা একা নন, পাশে বোন রেহানা দাঁড়িয়ে আছেন দৃঢ় চিত্তে, পিতা মুজিবের স্বপ্নকে সামনে রেখে।’
আজ শনিবার পুরোনো বাণিজ্য মেলা মাঠে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প (কাওলা-ফার্মগেট) অংশের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সংকটে যেমন বঙ্গমাতা সহযোদ্ধা, সহকর্মী ছিলেন, তেমনই নেত্রী শেখ হাসিনার পাশে সংকটে যখন শেখ রেহানাকে দেখি, তখন সেই পুরোনো দিনের হারানো স্মৃতি বারবার মনে পড়ে। সংকটে তিনিও একা নন, পাশে বোন রেহানা দাঁড়িয়ে আছেন দৃঢ় চিত্তে, পিতা মুজিবের স্বপ্নকে সামনে রেখে।’
বিএনপি নেতাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কোন দুঃখে কেন পদত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা? কী কারণে পদত্যাগ করবেন? কোন দেশের নির্বাচনী নীতিমালায় এটা আছে?’
সামনে লড়াই, আগামী ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা উল্লেখ করে উপস্থিতির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পারবেন তো! ফাইনাল খেলায় জিততে পারবেন! পারবেন। ওদের (বিএনপি) হাতে শোকের পতাকা। এখন শোক মিছিলে নামছে। আমাদের হাতে থাকবে বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিজয়ের পতাকা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আগামী নির্বাচনে এগিয়ে যাব বিজয়ের সোনালি বন্দরে। প্রস্তুত আছেন তো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলতে হবে, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে খেলা হবে।’
সিয়েরালিওনে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসে যাচ্ছে শুনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে কিছুটা উল্লাসের ভাব দেখা যাচ্ছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সিয়েরালিওন যা করল, সেই কুকর্ম তো তোমরা করেছ। ক্ষমতায় থাকতে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার, মাগুরার নির্বাচন করেছ। তোমরা জালিয়াতির নির্বাচন করেছ। আগামী নির্বাচনে যারা বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি কেন আসবে না, তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কেন আসবে না? তারাই তো অপরাধী। আমরা তো নির্বাচন চাই ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন চাই। আমাদের লিডার বারবার এ কথা বলে দিয়েছেন। আমাদের সিয়েরালিওনের কথা বলে লাভ নেই। আমাদের গ্যাবনের কথা বলে লাভ নেই।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘চোর’ ও ‘লুটপাটকারী’ আখ্যায়িত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তাকে বাংলাদেশের মানুষ মানে? তোমাদের আন্দোলনের নেতা কে? আগামী নির্বাচনে তোমাদের প্রধানমন্ত্রী কে? বাংলার মানুষ এই লুটপাটকারী, অর্থ পাচারকারী, দুর্নীতিবাজ, ষড়যন্ত্রকারীকে কোনো দিনও মানেনি, কোনো দিনও মানবে না।’
বিএনপি আমলে হাওয়া ভবনে লুটপাট হয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর দোসর। তোমরা কী দিয়েছ, ঘোড়ার ডিম। দেশের মানুষ বিএনপির কাছে কী পেল? একেবারে অশ্বডিম্ব। আর কিছুই পায়নি। শত সেতু শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছেন। অপেক্ষা করেন, কয়েক দিন পরেই আরও দেড় শ সেতু এক দিনে উদ্বোধন হবে।’
বিএনপির নেতারা ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আন্দোলন তো নাই। মাঝে মাঝে আন্দোলনে বিরতি দেয়। তখন ঘরে বসে বসে আনন্দে এয়ারকন্ডিশন রুমে হিন্দি সিরিয়াল দেখে। আর বাইরে পুলিশের গতিবিধি লক্ষ করে। এরা কাপুরুষ। এক কাপুরুষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। তারেক রহমান পালিয়ে যায়নি? কী বলে পালিয়ে ছিল? মুচলেকা দিয়ে আর রাজনীতি করবে না বলে। অর্থ পাচারের দণ্ড নিয়ে লন্ডনে আছে, সে নাকি বাংলাদেশের বীর নেতা!’
সুধী সমাবেশের উপস্থিতির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আবার দেখা হবে। আবার দেখা হবে বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বিজয়ের মিছিলে পতাকা হাতে আবারও দেখা হবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে কত লোক, লোকে লোকারণ্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে এলাম, পথে পথে মানুষ আর মানুষ। বাইরে কয়েকটা সমুদ্র। এটা হয়ে গেছে মহাসমুদ্র। মহাসমুদ্রের গর্জন ধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। জনতার মহাসমুদ্র। গতকাল (শুক্রবার) ছাত্র সমাবেশ দেখে ষড়যন্ত্রকারীদের চোখে ঘুম নাই। তারা অন্তর জ্বালায় মরে! এত ছাত্র, এত ছাত্রী কোথা থেকে এল? আজকে ওরা এই ছবি দেখে মূর্ছা যাবে। এই মহাসমুদ্র দেখলে ওরা হারিয়ে যাবে।’

একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
৩ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টি (জাপা), কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল এবং জাতীয় পার্টির একাধিক অংশের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের একটি সংগঠন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন
৩ ঘণ্টা আগে