নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি এখন সরকারকে পালাতে বলে। আমরা এই দেশ থেকে পালাব না। প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাড়ি গিয়ে উঠব। ঠাকুরগাঁওয়ে একটা বাড়ি আছে না? ওই বাড়িতে উঠব।’
আজ রোববার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিকে ‘মরণযাত্রা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘পদযাত্রা মানে শেষযাত্রা। পদযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা। পদযাত্রা মানে পেছন যাত্রা। পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা। ওই মরণযাত্রা হচ্ছে এখন বিএনপির।’
জনসভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি এখন সরকারকে লাল কার্ড দেখায়। ১০ ডিসেম্বর সরকারের পতনের কথা বলে। ৩০ ডিসেম্বর সরকার চলে যায়। ১১ জানুয়ারি সরকার আর নেই! সরকার কি আছে? শেখ হাসিনা আছে? বিএনপির এখন কী? পদযাত্রা। মানে শেষযাত্রা।’
বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি এখন সরকারকে পালাতে বলে। আওয়ামী লীগ নাকি পালাবার পথ খুঁজে পাবে না। ফখরুল সাহেব, পালিয়ে তো আছেন আপনারা। তারেক রহমান আর রাজনীতি করবে না মুচলেকা দিয়ে পালিয়েছে লন্ডনে। দুর্নীতির মামলায় সাত বছরের পলাতক আসামি আপনাদের নেতা তারেক রহমান পালিয়ে যায়। আমরা পালাতে জানি না।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই দেশেতে জন্ম আমার, এই দেশেতে মরি। যখন কুর্মিটোলায় বঙ্গবন্ধুকে শীতের সকালে নিয়ে যাচ্ছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায়, বঙ্গবন্ধু জেলগেটে এসে একখণ্ড কুয়াশাভেজা মাটি কপালে ঠেকিয়ে বলেছিলেন, “এই দেশে তো জন্ম আমার, এই দেশেতে মরি।” আমরা এই দেশ থেকে পালাব না। প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাড়ি গিয়ে উঠব। ঠাকুরগাঁওয়ে একটা বাড়ি আছে না? ওই বাড়িতে উঠব।’
মাদ্রাসা ময়দানেই কিছুদিন আগে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কিছুদিন আগে বিএনপি এখানে একটা সমাবেশ করেছে। সেই সমাবেশ আর এই সমাবেশ আজ সারা বাংলাদেশ দেখছে। পদ্মা নদীর সব ঢেউ আজ এখানে চলে এসেছে। জনসমুদ্র হয়েছে। এই মাঠে যত লোক, তার ১০ গুণ বাইরে বসে আছে। সবাই বসে আছে বক্তৃতা শুনতে।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মনে এখন জ্বালা বড় জ্বালা। অন্তর জ্বালা। পদ্মা সেতুর জ্বালা যেতে না যেতে মেট্রোরেল জ্বালা। এটা যেতে না যেতে টানেলের জ্বালা। জ্বালা করে জ্বালা! অন্তর জ্বালা! যেদিকে তাকাই উন্নয়ন, উন্নয়ন। রাজশাহী শহর গ্রিন সিটিতে রূপান্তর হয়েছে শেখ হাসিনার উন্নয়নে। এই রাজশাহী ভাগ্যবান। রাজশাহী এখন সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সিটি। সে জন্য মেয়রকে ধন্যবাদ জানাব। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজশাহীকে নবরূপে সজ্জিত করেছেন মেয়র।’
সামনে আরও জ্বালা আছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এরপর মেট্রোরেল পাতালে। ২ তারিখে গ্রাউন্ড রেডি। ওই পায়রার জ্বালা আরেক জ্বালা, মাতার বাড়ির জ্বালা আরেক জ্বালা, রূপপুরের জ্বালা আরেক জ্বালা। গ্রাম হয়ে গেছে শহর, আরেক জ্বালা! জ্বালা রে জ্বালা! জ্বালায় মরে ফখরুল আর বিএনপি।’
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে। খেলা হওয়ার আগেই তো পালানো শুরু করেছে! আগেই তো মরণযাত্রা শুরু করেছে। খেলা তবে হবে। আন্দোলনে হবে। নির্বাচনে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলা হবে। খেলা হবে লুটপাট, অর্থ পাচার, হত্যা, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে। খেলা হবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। খেলা হবে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।’
নির্বাচনের জন্য নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে ফাইনাল খেলা। খবর আছে? তৈরি হয়ে যান। রেডি হয়ে যান। বিএনপির এখনো শিক্ষা হয়নি। শিক্ষাটা পাবে, যখন আগামী নির্বাচনে আবারও পরাজয়ের মুখ দর্শন করতে হবে। আজ সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ হন। শেখ হাসিনা আপনাদের সম্মান দিয়েছে। তাই শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।’
জনসভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনসহ কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি এখন সরকারকে পালাতে বলে। আমরা এই দেশ থেকে পালাব না। প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাড়ি গিয়ে উঠব। ঠাকুরগাঁওয়ে একটা বাড়ি আছে না? ওই বাড়িতে উঠব।’
আজ রোববার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিকে ‘মরণযাত্রা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘পদযাত্রা মানে শেষযাত্রা। পদযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা। পদযাত্রা মানে পেছন যাত্রা। পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা। ওই মরণযাত্রা হচ্ছে এখন বিএনপির।’
জনসভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি এখন সরকারকে লাল কার্ড দেখায়। ১০ ডিসেম্বর সরকারের পতনের কথা বলে। ৩০ ডিসেম্বর সরকার চলে যায়। ১১ জানুয়ারি সরকার আর নেই! সরকার কি আছে? শেখ হাসিনা আছে? বিএনপির এখন কী? পদযাত্রা। মানে শেষযাত্রা।’
বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি এখন সরকারকে পালাতে বলে। আওয়ামী লীগ নাকি পালাবার পথ খুঁজে পাবে না। ফখরুল সাহেব, পালিয়ে তো আছেন আপনারা। তারেক রহমান আর রাজনীতি করবে না মুচলেকা দিয়ে পালিয়েছে লন্ডনে। দুর্নীতির মামলায় সাত বছরের পলাতক আসামি আপনাদের নেতা তারেক রহমান পালিয়ে যায়। আমরা পালাতে জানি না।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই দেশেতে জন্ম আমার, এই দেশেতে মরি। যখন কুর্মিটোলায় বঙ্গবন্ধুকে শীতের সকালে নিয়ে যাচ্ছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায়, বঙ্গবন্ধু জেলগেটে এসে একখণ্ড কুয়াশাভেজা মাটি কপালে ঠেকিয়ে বলেছিলেন, “এই দেশে তো জন্ম আমার, এই দেশেতে মরি।” আমরা এই দেশ থেকে পালাব না। প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাড়ি গিয়ে উঠব। ঠাকুরগাঁওয়ে একটা বাড়ি আছে না? ওই বাড়িতে উঠব।’
মাদ্রাসা ময়দানেই কিছুদিন আগে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কিছুদিন আগে বিএনপি এখানে একটা সমাবেশ করেছে। সেই সমাবেশ আর এই সমাবেশ আজ সারা বাংলাদেশ দেখছে। পদ্মা নদীর সব ঢেউ আজ এখানে চলে এসেছে। জনসমুদ্র হয়েছে। এই মাঠে যত লোক, তার ১০ গুণ বাইরে বসে আছে। সবাই বসে আছে বক্তৃতা শুনতে।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মনে এখন জ্বালা বড় জ্বালা। অন্তর জ্বালা। পদ্মা সেতুর জ্বালা যেতে না যেতে মেট্রোরেল জ্বালা। এটা যেতে না যেতে টানেলের জ্বালা। জ্বালা করে জ্বালা! অন্তর জ্বালা! যেদিকে তাকাই উন্নয়ন, উন্নয়ন। রাজশাহী শহর গ্রিন সিটিতে রূপান্তর হয়েছে শেখ হাসিনার উন্নয়নে। এই রাজশাহী ভাগ্যবান। রাজশাহী এখন সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সিটি। সে জন্য মেয়রকে ধন্যবাদ জানাব। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজশাহীকে নবরূপে সজ্জিত করেছেন মেয়র।’
সামনে আরও জ্বালা আছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এরপর মেট্রোরেল পাতালে। ২ তারিখে গ্রাউন্ড রেডি। ওই পায়রার জ্বালা আরেক জ্বালা, মাতার বাড়ির জ্বালা আরেক জ্বালা, রূপপুরের জ্বালা আরেক জ্বালা। গ্রাম হয়ে গেছে শহর, আরেক জ্বালা! জ্বালা রে জ্বালা! জ্বালায় মরে ফখরুল আর বিএনপি।’
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খেলা হবে। খেলা হওয়ার আগেই তো পালানো শুরু করেছে! আগেই তো মরণযাত্রা শুরু করেছে। খেলা তবে হবে। আন্দোলনে হবে। নির্বাচনে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলা হবে। খেলা হবে লুটপাট, অর্থ পাচার, হত্যা, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে। খেলা হবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। খেলা হবে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।’
নির্বাচনের জন্য নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে ফাইনাল খেলা। খবর আছে? তৈরি হয়ে যান। রেডি হয়ে যান। বিএনপির এখনো শিক্ষা হয়নি। শিক্ষাটা পাবে, যখন আগামী নির্বাচনে আবারও পরাজয়ের মুখ দর্শন করতে হবে। আজ সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ হন। শেখ হাসিনা আপনাদের সম্মান দিয়েছে। তাই শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।’
জনসভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনসহ কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে প্রার্থী। কিন্তু এরপরও সাতটি আসনে প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন জামায়াতসহ জোটের...
১ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের একটি গলি। শীতের দুপুরের হালকা রোদ। গলির এক পাশে ডাব বিক্রির একটি ভ্যান। ক্রেতা খুব একটা নেই। নরম রোদে শীত পোহাচ্ছিলেন ডাবওয়ালা ও তাঁর বন্ধু। এই প্রতিবেদক এগিয়ে গেলেও নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে প্রথমে তাঁরা খুব একটা ইচ্ছুক ছিলেন না। খানিক কুশল বিনিময়ে বরফ গলে।
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটে পৌঁছে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত ও সেখানে নফল নামাজ পড়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে সেখানে যান। পরে তিনি ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে