নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাতে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এ আলোচনা হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুমসহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আমরা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলেছি। উভয় দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ডেভেলপমেন্টসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটিয়ে আমরা যেন একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পেয়েছে।’
তিনি প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, ‘আশা করছি আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের জনগণ, দুই দেশের সরকার, পার্টি টু পার্টি আমরা আরও ক্লোজলি কাজ করার সুযোগ পাব। ভবিষ্যতে আমাদের এ ধরনের মিউচুয়াল ডায়ালগ দুই দেশের স্বার্থে অব্যাহত থাকবে, ইনশা আল্লাহ।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার হচ্ছে পিপলস রিপাবলিকান অব চায়না। আমরা অনুরোধ করেছি, তাঁরা যেন বাংলাদেশে আরও বেশি ইনভেস্ট করেন। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য আমরা তাঁদের আরও সক্রিয় হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। আমরা আশা করছি, তাঁরা এটা সক্রিয় বিবেচনায় নেবেন।’
চায়না রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। চায়নার জনগণ বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। আমরা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাব।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাতে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এ আলোচনা হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুমসহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আমরা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলেছি। উভয় দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ডেভেলপমেন্টসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটিয়ে আমরা যেন একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পেয়েছে।’
তিনি প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, ‘আশা করছি আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের জনগণ, দুই দেশের সরকার, পার্টি টু পার্টি আমরা আরও ক্লোজলি কাজ করার সুযোগ পাব। ভবিষ্যতে আমাদের এ ধরনের মিউচুয়াল ডায়ালগ দুই দেশের স্বার্থে অব্যাহত থাকবে, ইনশা আল্লাহ।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার হচ্ছে পিপলস রিপাবলিকান অব চায়না। আমরা অনুরোধ করেছি, তাঁরা যেন বাংলাদেশে আরও বেশি ইনভেস্ট করেন। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য আমরা তাঁদের আরও সক্রিয় হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। আমরা আশা করছি, তাঁরা এটা সক্রিয় বিবেচনায় নেবেন।’
চায়না রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। চায়নার জনগণ বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। আমরা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাব।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৬ ঘণ্টা আগে