নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে খেলা হবে। বিএনপি নাকি নাকি ১০ ডিসেম্বর বিজয় মিছিল করবে খালেদা জিয়াকে নিয়ে। তার মানে লাঠিসোঁটা নিয়ে নামবে। এর বিরুদ্ধে খেলা হবে। বাড়াবাড়ি করলে ছাড় দেব না বলে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বক্তব্য দেন, শেখ হাসিনার নামটা পর্যন্ত শালীনতার সঙ্গে উচ্চারণ করেন না। করেন হাসিনা-হাসিনা। আর রাজনীতি করব না বলে দেশ ছেড়ে ২০০৮ সালে মুচলেকা দিয়ে লন্ডন গেছেন। নে—তা। আন্দোলনের! নির্বাচনের! খেলা হবে এমনি বলিনি।’
খেলা হবে—স্লোগান নিয়ে জাতীয় পার্টির ফিরোজ রশীদের সমালোচনার জবাবে কাদের বলেন, ভারতে পশ্চিমবঙ্গে যে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে মমতা ব্যানার্জি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জিতেছেন। সেখানে মূল স্লোগান ছিলো ‘খেলা হবে’। নরেন্দ্র মোদিও দুর্নীতি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে খেলা হবে এগুলো বলে বক্তব্য দিয়েছেন। এটা কোণ হালকা বিষয় নয়। রাজনীতিতে এই পলিটিক্যাল টিউমার আছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি কালকে বাড্ডায় বক্তব্য দিয়েছি। দেড়-দুই লাখ মানুষ সারা মাঠ খেলা হবে বলেছেন। জনগণ তো এটা অপছন্দ করছেন না। আপনি কেন করছেন? আপনার ভালো লাগে না আপনি বলবেন না। আমি বলবো-এটা একটা পলিটিক্যাল স্লোগান। পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতে এই স্লোগান বেশি হয়েছে। তাতে কী গণতন্ত্র হালকা হয়ে গেছে? জনগণ কী সেটা মনে করে? জনগণ তো সমস্বরে স্লোগান দিচ্ছে। উচ্চারণ করছেন। যেহেতু জনগণ বলছে আমি তো সে জন্য বলছি। হালকা কথা।’
কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটা বাড়াবাড়ির জন্য বলেছেন। আমরা ছাড় দিচ্ছি। কিন্তু মনে রাখবেন বাড়াবাড়ি করলে ছাড় দেব না। পরিষ্কার কথা। আমরা আওয়ামী লীগ কোথাও কী আপনাদের সঙ্গে মারামারি করতে গেছি? আমরা তো বিএনপির সমাবেশে মারামারি করতে যাইনি। কেন এসব কথা তুলছেন।’
সত্য স্বীকার করে সরকারকে বেল আউটে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। তিনি বলেন, ‘পাচারকৃত ১০ বিলিয়ন ডলার ডিফল্ট করে বসে আছি। ১০ বিলিয়ন ডলার যদি পেয়ে যায়, এটা কার কাছে পাব? আইএমএফ অথবা আমেরিকার কাছে পাব। ভৌগোলিক রাজনৈতিক কারণে তারা আমাদের বন্ধু না শত্রু সেটা দেখতে হবে। বেল আউট ছাড়া দেশকে উদ্ধার করা সম্ভব না।’
বিএনপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হবে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, ‘সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশে যে আইনের শাসন অনুপস্থিত, আইনের শাসন থাকলে প্রধানমন্ত্রীর জায়গা থেকে এই ধরনের বক্তব্য অপেক্ষা ছিল না। আইনমন্ত্রী আবার ব্যাখ্যা দিলেন এই মুহূর্তে খালেদা জিয়াকে জেলে নেওয়ার প্রয়োজন নাই। প্রধানমন্ত্রী অনেক সময়, অনেক কথা বলেন। আগে বলেছিলেন, পদ্মা সেতু থেকে টুপ করে ফেলে দেব। কিন্তু এটা ভিন্ন বার্তা যায়।’
জাতীয় পার্টির সংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘ইদানীং রাজনীতিতে নতুন শব্দ যোগ হয়েছে। আমি শুনতেছি সবাই বলতেছে খেলা হবে। কিসের খেলা হবে? কোথায় খেলা হবে? কার সঙ্গে খেলা হবে? জনগণ কোথায় খেলা দেখতে চায়? এটা বুঝি না। এটা নতুন শব্দ।’

বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে খেলা হবে। বিএনপি নাকি নাকি ১০ ডিসেম্বর বিজয় মিছিল করবে খালেদা জিয়াকে নিয়ে। তার মানে লাঠিসোঁটা নিয়ে নামবে। এর বিরুদ্ধে খেলা হবে। বাড়াবাড়ি করলে ছাড় দেব না বলে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বক্তব্য দেন, শেখ হাসিনার নামটা পর্যন্ত শালীনতার সঙ্গে উচ্চারণ করেন না। করেন হাসিনা-হাসিনা। আর রাজনীতি করব না বলে দেশ ছেড়ে ২০০৮ সালে মুচলেকা দিয়ে লন্ডন গেছেন। নে—তা। আন্দোলনের! নির্বাচনের! খেলা হবে এমনি বলিনি।’
খেলা হবে—স্লোগান নিয়ে জাতীয় পার্টির ফিরোজ রশীদের সমালোচনার জবাবে কাদের বলেন, ভারতে পশ্চিমবঙ্গে যে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে মমতা ব্যানার্জি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জিতেছেন। সেখানে মূল স্লোগান ছিলো ‘খেলা হবে’। নরেন্দ্র মোদিও দুর্নীতি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে খেলা হবে এগুলো বলে বক্তব্য দিয়েছেন। এটা কোণ হালকা বিষয় নয়। রাজনীতিতে এই পলিটিক্যাল টিউমার আছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি কালকে বাড্ডায় বক্তব্য দিয়েছি। দেড়-দুই লাখ মানুষ সারা মাঠ খেলা হবে বলেছেন। জনগণ তো এটা অপছন্দ করছেন না। আপনি কেন করছেন? আপনার ভালো লাগে না আপনি বলবেন না। আমি বলবো-এটা একটা পলিটিক্যাল স্লোগান। পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতে এই স্লোগান বেশি হয়েছে। তাতে কী গণতন্ত্র হালকা হয়ে গেছে? জনগণ কী সেটা মনে করে? জনগণ তো সমস্বরে স্লোগান দিচ্ছে। উচ্চারণ করছেন। যেহেতু জনগণ বলছে আমি তো সে জন্য বলছি। হালকা কথা।’
কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটা বাড়াবাড়ির জন্য বলেছেন। আমরা ছাড় দিচ্ছি। কিন্তু মনে রাখবেন বাড়াবাড়ি করলে ছাড় দেব না। পরিষ্কার কথা। আমরা আওয়ামী লীগ কোথাও কী আপনাদের সঙ্গে মারামারি করতে গেছি? আমরা তো বিএনপির সমাবেশে মারামারি করতে যাইনি। কেন এসব কথা তুলছেন।’
সত্য স্বীকার করে সরকারকে বেল আউটে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। তিনি বলেন, ‘পাচারকৃত ১০ বিলিয়ন ডলার ডিফল্ট করে বসে আছি। ১০ বিলিয়ন ডলার যদি পেয়ে যায়, এটা কার কাছে পাব? আইএমএফ অথবা আমেরিকার কাছে পাব। ভৌগোলিক রাজনৈতিক কারণে তারা আমাদের বন্ধু না শত্রু সেটা দেখতে হবে। বেল আউট ছাড়া দেশকে উদ্ধার করা সম্ভব না।’
বিএনপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হবে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, ‘সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশে যে আইনের শাসন অনুপস্থিত, আইনের শাসন থাকলে প্রধানমন্ত্রীর জায়গা থেকে এই ধরনের বক্তব্য অপেক্ষা ছিল না। আইনমন্ত্রী আবার ব্যাখ্যা দিলেন এই মুহূর্তে খালেদা জিয়াকে জেলে নেওয়ার প্রয়োজন নাই। প্রধানমন্ত্রী অনেক সময়, অনেক কথা বলেন। আগে বলেছিলেন, পদ্মা সেতু থেকে টুপ করে ফেলে দেব। কিন্তু এটা ভিন্ন বার্তা যায়।’
জাতীয় পার্টির সংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘ইদানীং রাজনীতিতে নতুন শব্দ যোগ হয়েছে। আমি শুনতেছি সবাই বলতেছে খেলা হবে। কিসের খেলা হবে? কোথায় খেলা হবে? কার সঙ্গে খেলা হবে? জনগণ কোথায় খেলা দেখতে চায়? এটা বুঝি না। এটা নতুন শব্দ।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৯ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৯ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১০ ঘণ্টা আগে