নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশপাশে বিএনপির লোকজন। তাঁকে স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে, তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়াকে কি স্লো পয়জনিং করা হয়েছে—গতকাল বৃহস্পতিবার যুবদলের এক কর্মসূচিতে এমন প্রশ্ন তোলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন, বেগম জিয়াকে নাকি স্লো পয়জনিং করা হচ্ছে। তাঁর পাশে থাকেন আপনারা, ফখরুল সাহেবরা। তাঁকে যে খাওয়ায় সে পরিবারেরই লোক। তাঁর আশপাশে সর্বক্ষণ ঘোরাফেরা করে বিএনপির লোকেরা। আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের কেউ তাঁর পাশে থাকে না। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের চিকিৎসকেরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আশপাশের লোকেরা সব বিএনপির, পরিবারের, আপনারা। স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে, তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে। হুকুমের আসামি শেখ হাসিনা হবে না, হলে ফখরুল সাহেব আপনি হবেন।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা মাইনাস করার জন্য স্লো পয়জনিং করছেন কি না, সেই রকম কিছু করবেন বলেই কি উধোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে আওয়ামী লীগের ওপর, শেখ হাসিনার ওপর দোষ চাপিয়ে যাচ্ছেন?’
মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার জন্য এখন এত মায়াকান্না কাঁদেন। কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করেন। তাঁর জন্য দেখার মতো কার্যকর ও অর্থবহ একটা মিছিল রাজপথে করার দুঃসাহস আপনাদের ছিল না। এটা দেখাতে পারেননি। কোন মুখে তাঁর জন্য মায়াকান্না কাঁদছেন, লজ্জা করে না?’
খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারের কোনো দায় নেই। কোনো কিছু হলে এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে। মির্জা ফখরুল সাহেবদের নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।
এ সময় তিনি ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড, বিএনপির আমলে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কারো চিকিৎসার নামে জনগণকে জিম্মি করা যাবে না। কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে।’
বিএনপির আন্দোলন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশবিরোধী এই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকে প্রতিহত করতে সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থান ও সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে। যারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করবে। আমরা তাদের সমুচিত জবাব দেব।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, আবদুস সোবহান গোলাপ, ওয়াসিকা আয়শা খান, শাম্মী আহমেদ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, বিপ্লব বড়ুয়া, দেলোয়ার হোসেন, সায়েম খান, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশপাশে বিএনপির লোকজন। তাঁকে স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে, তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়াকে কি স্লো পয়জনিং করা হয়েছে—গতকাল বৃহস্পতিবার যুবদলের এক কর্মসূচিতে এমন প্রশ্ন তোলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন, বেগম জিয়াকে নাকি স্লো পয়জনিং করা হচ্ছে। তাঁর পাশে থাকেন আপনারা, ফখরুল সাহেবরা। তাঁকে যে খাওয়ায় সে পরিবারেরই লোক। তাঁর আশপাশে সর্বক্ষণ ঘোরাফেরা করে বিএনপির লোকেরা। আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের কেউ তাঁর পাশে থাকে না। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের চিকিৎসকেরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আশপাশের লোকেরা সব বিএনপির, পরিবারের, আপনারা। স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে, তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে। হুকুমের আসামি শেখ হাসিনা হবে না, হলে ফখরুল সাহেব আপনি হবেন।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা মাইনাস করার জন্য স্লো পয়জনিং করছেন কি না, সেই রকম কিছু করবেন বলেই কি উধোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে আওয়ামী লীগের ওপর, শেখ হাসিনার ওপর দোষ চাপিয়ে যাচ্ছেন?’
মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার জন্য এখন এত মায়াকান্না কাঁদেন। কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করেন। তাঁর জন্য দেখার মতো কার্যকর ও অর্থবহ একটা মিছিল রাজপথে করার দুঃসাহস আপনাদের ছিল না। এটা দেখাতে পারেননি। কোন মুখে তাঁর জন্য মায়াকান্না কাঁদছেন, লজ্জা করে না?’
খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারের কোনো দায় নেই। কোনো কিছু হলে এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে। মির্জা ফখরুল সাহেবদের নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।
এ সময় তিনি ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড, বিএনপির আমলে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কারো চিকিৎসার নামে জনগণকে জিম্মি করা যাবে না। কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে।’
বিএনপির আন্দোলন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশবিরোধী এই ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকে প্রতিহত করতে সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থান ও সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে। যারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করবে। আমরা তাদের সমুচিত জবাব দেব।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, আবদুস সোবহান গোলাপ, ওয়াসিকা আয়শা খান, শাম্মী আহমেদ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, বিপ্লব বড়ুয়া, দেলোয়ার হোসেন, সায়েম খান, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৫ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৬ ঘণ্টা আগে