নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা দেশকে বিপদের মুখে ফেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডায় এক পদযাত্রার আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, লোডশেডিং, সীমাহীন দুর্নীতি, নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার-নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এই পদযাত্রার আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে এমন এমন কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী, যে কথাগুলো আমাদের দেশকে বিপদের মুখে ফেলে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী বললেন যে যুক্তরাষ্ট্র নাকি তাঁকে সরাতে চায়। এটা কোনো প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা আশা করি না। তার মানে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) জেনে গেছেন আন্তর্জাতিক মহল তাঁকে সমর্থন দিচ্ছে না। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ আজ একটাই কথা বলছে যে—আপনি এই মুহূর্তে (শেখ হাসিনা) সরে যান, পদত্যাগ করুন এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিন। হাসিনা সরকারের অধীনে এই দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’
‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়’—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের পাল্টা জবাবে ফখরুল বলেন, আজকে তারা (আওয়ামী লীগ) বলছে যে তাদের আমলে নাকি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়। কোনো কালেই তাদের নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সভায় প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে; তাদের বলব, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়, নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা যে আমরা করতে পারি—সেটা কিন্তু আমরা প্রমাণ করেছি। কাজেই এটা নিয়ে আর কারও কোনো প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা দেশকে বিপদের মুখে ফেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডায় এক পদযাত্রার আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, লোডশেডিং, সীমাহীন দুর্নীতি, নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার-নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এই পদযাত্রার আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে এমন এমন কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী, যে কথাগুলো আমাদের দেশকে বিপদের মুখে ফেলে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী বললেন যে যুক্তরাষ্ট্র নাকি তাঁকে সরাতে চায়। এটা কোনো প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা আশা করি না। তার মানে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) জেনে গেছেন আন্তর্জাতিক মহল তাঁকে সমর্থন দিচ্ছে না। কারণ, বাংলাদেশের মানুষ আজ একটাই কথা বলছে যে—আপনি এই মুহূর্তে (শেখ হাসিনা) সরে যান, পদত্যাগ করুন এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিন। হাসিনা সরকারের অধীনে এই দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’
‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়’—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের পাল্টা জবাবে ফখরুল বলেন, আজকে তারা (আওয়ামী লীগ) বলছে যে তাদের আমলে নাকি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়। কোনো কালেই তাদের নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সভায় প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে; তাদের বলব, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়, নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা যে আমরা করতে পারি—সেটা কিন্তু আমরা প্রমাণ করেছি। কাজেই এটা নিয়ে আর কারও কোনো প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই।’

মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
২২ মিনিট আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
২৫ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
২ ঘণ্টা আগে