নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন উপজেলা নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন এখন বিশ্ববাসীর কাছে রীতিমতো হাস্যকর কৌতুকে পরিণত হয়েছে। কেবল জাতীয় নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোকেও “আমরা আর মামুদের” তামাশায় রূপান্তরিত করা হয়েছে।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘দস্যুদলের কাছে যেমন সাধারণ মানুষের সম্পদ নিরাপদ নয়, তেমনি ভোট ডাকাত সরকার কখনোই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারবে না।’
রিজভী আরও বলেন, ‘অভিনব ভোট ডাকাতির কারিগর শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া অসম্ভব, এ কারণেই দেশের ৯৫ ভাগ ভোটার ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন বর্জন করেছেন। যে কারণে জনগণ ডামি নির্বাচন বর্জন করেছিলেন, এখনো সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। গণতন্ত্রের প্রতি সংবেদনশীল জনগণ বিশ্বাস করে, ক্রীতদাসের পক্ষে কখনোই স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। জাতীয় কিংবা স্থানীয় নির্বাচন, যেকোনো নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিশ্বাস করে কোনোভাবে দলীয় মনোনয়ন আদায় করতে পারলেই তাদের বিজয় নিশ্চিত। বিজয়ী হিসেবে ঘোষিত হতে তাদের শুধু কোনো রকমে নির্বাচনের দিনটি পার করার অপেক্ষা মাত্র। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে চলমান উপজেলা নির্বাচনের নামে প্রহসনে অংশ নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে বলে গণতন্ত্রকামী জনগণ মনে করে না।’
উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার প্রহসনের নির্বাচন বিপুলভাবে প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দেখানোর জন্য সরকার বিভিন্ন সময়ে নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। কখনো নিজ দলের একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন ডামি প্রার্থী লেলিয়ে দিয়েছে। কখনো স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক চালু করেছে, এখন আবার প্রতীক বাতিল করে দিয়ে নিজেরা নিজেরাই উপজেলা নির্বাচনের নাটক জমানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘তবে এসব করে গণতন্ত্রকামী জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি, বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ভোট ডাকাত শেখ হাসিনার পাতা ফাঁদে পা দেবে না।’
এদিন নগরীর পথচারীদের মাঝে ঢাকা মহানগর উত্তরের তুরাগ থানা বিএনপির পক্ষ থেকে খাবার পানি, স্যালাইন বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন রিজভী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়ে আপনি কি নিজেকে একমাত্র ত্রাণকর্তা মনে করছেন, জনগণ তা জানতে চায়। জনগণের ভোট ডাকাতি করেছেন আপনি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চাবি ভারতের কাছে বন্ধক রেখে আর ক্ষমতা ধরে রাখা যাবে না।’

আসন্ন উপজেলা নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন এখন বিশ্ববাসীর কাছে রীতিমতো হাস্যকর কৌতুকে পরিণত হয়েছে। কেবল জাতীয় নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোকেও “আমরা আর মামুদের” তামাশায় রূপান্তরিত করা হয়েছে।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘দস্যুদলের কাছে যেমন সাধারণ মানুষের সম্পদ নিরাপদ নয়, তেমনি ভোট ডাকাত সরকার কখনোই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারবে না।’
রিজভী আরও বলেন, ‘অভিনব ভোট ডাকাতির কারিগর শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া অসম্ভব, এ কারণেই দেশের ৯৫ ভাগ ভোটার ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন বর্জন করেছেন। যে কারণে জনগণ ডামি নির্বাচন বর্জন করেছিলেন, এখনো সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। গণতন্ত্রের প্রতি সংবেদনশীল জনগণ বিশ্বাস করে, ক্রীতদাসের পক্ষে কখনোই স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। জাতীয় কিংবা স্থানীয় নির্বাচন, যেকোনো নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিশ্বাস করে কোনোভাবে দলীয় মনোনয়ন আদায় করতে পারলেই তাদের বিজয় নিশ্চিত। বিজয়ী হিসেবে ঘোষিত হতে তাদের শুধু কোনো রকমে নির্বাচনের দিনটি পার করার অপেক্ষা মাত্র। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে চলমান উপজেলা নির্বাচনের নামে প্রহসনে অংশ নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে বলে গণতন্ত্রকামী জনগণ মনে করে না।’
উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার প্রহসনের নির্বাচন বিপুলভাবে প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দেখানোর জন্য সরকার বিভিন্ন সময়ে নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। কখনো নিজ দলের একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন ডামি প্রার্থী লেলিয়ে দিয়েছে। কখনো স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক চালু করেছে, এখন আবার প্রতীক বাতিল করে দিয়ে নিজেরা নিজেরাই উপজেলা নির্বাচনের নাটক জমানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘তবে এসব করে গণতন্ত্রকামী জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি, বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ভোট ডাকাত শেখ হাসিনার পাতা ফাঁদে পা দেবে না।’
এদিন নগরীর পথচারীদের মাঝে ঢাকা মহানগর উত্তরের তুরাগ থানা বিএনপির পক্ষ থেকে খাবার পানি, স্যালাইন বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন রিজভী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, জনগণের মালিকানা কেড়ে নিয়ে আপনি কি নিজেকে একমাত্র ত্রাণকর্তা মনে করছেন, জনগণ তা জানতে চায়। জনগণের ভোট ডাকাতি করেছেন আপনি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চাবি ভারতের কাছে বন্ধক রেখে আর ক্ষমতা ধরে রাখা যাবে না।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৬ ঘণ্টা আগে