নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশকে বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে চায় বিএনপি। সে জন্য তারা সরকার পতনের এক দফা দাবি দিচ্ছে। তাদেরকে অতীতের মতো মোকাবিলা করা হবে। আজ কয়েক ঘণ্টার নোটিশে কয়েক লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছে। এখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। আজ বুধবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা আজম।
সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, বিএনপির সরকার পতনের এক দফা ঘরে ফিরে যাবে। জনগণকে নিয়ে আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবে। শেখ হাসিনা বাঁচলে দেশ বাঁচবে, শেখ হাসিনা এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র সফল হতে দেব না। আজ থেকে ঢাকার রাজপথ আমাদের দখলে থাকবে। নির্বাচন পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকব।’
তাপস আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে নগর ভবন পর্যন্ত লোকারণ্য হয়েছে। আমরা বিএনপির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে আছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাঠে থাকব।’
ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। নৌকার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তার প্রমাণ পদ্মা সেতু। আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করতে হবে।
এর আগে আজ বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশ শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সমাবেশ চলছিল। সমাবেশে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সমাবেশস্থলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, কামরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হোসেন খান নিখিল, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশকে বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে চায় বিএনপি। সে জন্য তারা সরকার পতনের এক দফা দাবি দিচ্ছে। তাদেরকে অতীতের মতো মোকাবিলা করা হবে। আজ কয়েক ঘণ্টার নোটিশে কয়েক লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছে। এখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। আজ বুধবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের সমাবেশে এসব কথা বলেন মির্জা আজম।
সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, বিএনপির সরকার পতনের এক দফা ঘরে ফিরে যাবে। জনগণকে নিয়ে আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবে। শেখ হাসিনা বাঁচলে দেশ বাঁচবে, শেখ হাসিনা এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র সফল হতে দেব না। আজ থেকে ঢাকার রাজপথ আমাদের দখলে থাকবে। নির্বাচন পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকব।’
তাপস আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে নগর ভবন পর্যন্ত লোকারণ্য হয়েছে। আমরা বিএনপির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে আছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাঠে থাকব।’
ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। নৌকার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তার প্রমাণ পদ্মা সেতু। আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করতে হবে।
এর আগে আজ বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশ শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সমাবেশ চলছিল। সমাবেশে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সমাবেশস্থলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, কামরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হোসেন খান নিখিল, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৪ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৪ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৬ ঘণ্টা আগে