
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপির আন্দোলন মানেই হচ্ছে সন্ত্রাস সৃষ্টির উসকানি এবং রাজপথ দখলের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা।’
আজ এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিবের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগনির্ভর বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
বিএনপির চিরায়ত আচরণ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে সর্বদা বাধাগ্রস্ত করেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বৈশ্বিক সংকটে বিএনপি জনগণের পাশে না থেকে বরং তারা দেশ ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে।’
ওবায়দুল কাদের তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘বিএনপি দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে মাঠে নামিয়েছে।’
আন্দোলনের নামে বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরাবরের মতো জনগণের জানমালের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
আন্দোলনের নামে কাউকে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে জনমনে ভীতি সঞ্চার ও ক্ষতিকর কার্যকলাপ সংঘটন করতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসনির্ভরতা ত্যাগ করে প্রকৃত গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলন করুন।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি বৈশ্বিক সংকট বুঝতে অক্ষম হলেও জনগণ ঠিকই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিজেদের মতো করে সাশ্রয়ী ও সংযমী হচ্ছে।’
ওবায়দুল কাদের তাঁর বিবৃতিতে বিএনপিকে বরাবরের মতো আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের জনসমর্থন যাচাই করুন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ মে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামীকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করবে বিএনপি।
৮ ঘণ্টা আগে
শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে সংসদে সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। তাঁরা বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে মানুষের বিশ্বাসের জায়গা নষ্ট হয়ে গেলে সরকারের ভিত নড়ে উঠবে। বিরোধী দলকে ভোট বর্জনের পুরোনো রেওয়াজ থেকে সরে আসার অনুরোধ করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন বিলের আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর এমপি নাজিবুর রহমান বলেন, ‘আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, কেন তিনি একই ইস্যুতে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়, যখন তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন, একটি পজিশন নিয়েছিলেন, আ
৯ ঘণ্টা আগে
‘যে আদালতের রেফারেন্সের ভিত্তিতে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল, সে সরকারে আমাদের সংসদ সদস্যও শপথ নিয়েছিলেন। তাহলে বিগত সরকারের সবকিছু অবৈধ ঘোষণা করতে হবে। যদি বলা হয় আমার রায়টি অবৈধ। কারণ, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাতজন বিচারপতির বেঞ্চে আমার রায়টি বহাল রাখা হয়েছিল...
১০ ঘণ্টা আগে