
দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের শীর্ষ নেতাকে একনজর দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীর ৩০০ ফুট সড়কে সংবর্ধনাস্থলে এসেছেন হাজার হাজার মানুষ। স্টেজের পাশে মানুষের ঢল নামায় নেতাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না অনেকেই। তাই স্টেজের আশপাশের ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে ভিড় করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেজ থেকে প্রায় কয়েকশ গজ দূর পর্যন্ত মানুষের উপচেপড়া ভিড়। অনেকে নানাভাবে স্টেজ দেখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু মঞ্চের সামনে যেতে না পেরে ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে হাজার হাজার মানুষ। কেউ দাঁড়িয়ে আছেন, কেউ বসে পড়েছেন। সবার অপেক্ষা দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে দেশের মাটিতে একনজর দেখা।
স্টেজের পাশের একটি ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে বসা মো. কবির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টাঙ্গাইল থেকে রাত ২টায় সংবর্ধনাস্থলে এসেছি। এরপর স্টেজের সামনে গিয়েছিলাম। কিন্তু সকালে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। সেখানে আর দাঁড়িয়ে থাকা যায়নি। তাই পেছনে এসে ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে বসেছি।’
মো. জামুরুল ইসলাম নামের আরেকজন বলেন, ‘স্টেজের সামনে থেকে ধাক্কাধাক্কিতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারিনি। তাই নেতাকে দেখতে পাশের ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে বসেছি।’
এদিকে অনেকে গতকাল রাতেই সংবর্ধনাস্থলে এসেছেন। তাই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসা অনেককে সড়কেই ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায়।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে অনড় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। এ জন্য সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে গঠিত বিশেষ কমিটিকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। এই কমিটিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল আছে তারা। দলগুলো বলছে, সংসদে দাবি উপেক্ষিত হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৪ জুলাই আন্দোলন চলছিল। ওই দিন শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ বলে কটূক্তি করেন। এর প্রতিবাদে প্রথমে রোকেয়া হলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলের নারী শিক্ষার্থীরা হলের তালা ভেঙে বেরিয়ে আসেন। পরে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীরা হল থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিগত চার মাস ধরে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে তাঁকে জাতীয় সংসদে আসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। তিনি বলেছেন, যারা ইনসাফের কথা বলে, তারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমাকে জাতির কাছে ছোট করার চেষ্টা করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, আমরা ভুল করেছি। আমরা অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে গিয়েছি। কিন্তু মানবাধিকারে উন্নতি করতে পারি নাই। আর ভুল নয়। আমাদের বৈষম্য দূর করতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে সকল প্রতিহিংসা, জিঘাংসা দূর করে অন্তর্ভুক্তিমূলক...
১২ ঘণ্টা আগে