নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বছর না গড়াতে নতুন রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চে ভাঙনের সুর। এই জোট থেকে বেরিয়ে গেল গণ অধিকার পরিষদ। জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
চলমান যুগপৎ আন্দোলনকে বেগবান করতেই এই সিদ্ধান্ত এমনটা উল্লেখ করে আবু হানিফ বলেন, ‘আজ গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটি হলো, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে শুধুমাত্র গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে জোটবদ্ধ কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে গণ অধিকার পরিষদের নিজস্ব উদ্যোগে চলমান যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সকল দলের সঙ্গে রাজপথে সমন্বিত কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
আবু হানিফ আরও বলেন, ‘নানা বিষয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের বিরূপ আচরণ আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা অনেকটাই হতাশ।’
বাংলাদেশের সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গত বছর গঠিত হয়েছিল গণতন্ত্র মঞ্চ নামে রাজনৈতিক জোট। দলগুলো হলো: জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা আসলে বৃহৎ স্বার্থে কাজ করতে চাই ডান, বাম নির্বিশেষে। মূলত এই কারণেই বেড়িয়ে আসা। এ ছাড়া বেশ কিছু দিন থেকেই নানা বিষয়ে মতবিরোধ ছিল। তবে সরকার বিরোধী আন্দোলনের বৃহৎ স্বার্থেই মূলত আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শরীক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও জোটের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয় বলে আজকের পত্রিকাকে জানান। তিনি বলেন, ‘তারা জোট থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানি না। ওরা তো বাইরে বাইরেই ছিল শুরু থেকেই। এখন হুট করে ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি আমি জানি না। ওরা যখন আমাদের সঙ্গে ছিল তখনো জোরালোভাবে ছিল না। অনুষ্ঠানে আসত, বক্তৃতা করত চলে যেত।’

বছর না গড়াতে নতুন রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চে ভাঙনের সুর। এই জোট থেকে বেরিয়ে গেল গণ অধিকার পরিষদ। জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
চলমান যুগপৎ আন্দোলনকে বেগবান করতেই এই সিদ্ধান্ত এমনটা উল্লেখ করে আবু হানিফ বলেন, ‘আজ গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটি হলো, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে শুধুমাত্র গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে জোটবদ্ধ কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে গণ অধিকার পরিষদের নিজস্ব উদ্যোগে চলমান যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সকল দলের সঙ্গে রাজপথে সমন্বিত কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
আবু হানিফ আরও বলেন, ‘নানা বিষয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের বিরূপ আচরণ আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা অনেকটাই হতাশ।’
বাংলাদেশের সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গত বছর গঠিত হয়েছিল গণতন্ত্র মঞ্চ নামে রাজনৈতিক জোট। দলগুলো হলো: জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা আসলে বৃহৎ স্বার্থে কাজ করতে চাই ডান, বাম নির্বিশেষে। মূলত এই কারণেই বেড়িয়ে আসা। এ ছাড়া বেশ কিছু দিন থেকেই নানা বিষয়ে মতবিরোধ ছিল। তবে সরকার বিরোধী আন্দোলনের বৃহৎ স্বার্থেই মূলত আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শরীক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও জোটের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয় বলে আজকের পত্রিকাকে জানান। তিনি বলেন, ‘তারা জোট থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানি না। ওরা তো বাইরে বাইরেই ছিল শুরু থেকেই। এখন হুট করে ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি আমি জানি না। ওরা যখন আমাদের সঙ্গে ছিল তখনো জোরালোভাবে ছিল না। অনুষ্ঠানে আসত, বক্তৃতা করত চলে যেত।’

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
১ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৩ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১৩ ঘণ্টা আগে