নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: খালেদা জিয়াকে যে দেশের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে বিএনপি সত্য কথা বলতেও ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
আজ শনিবার বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত রাজনৈতিক সংকট: উত্তরণ কোন পথে শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, 'ওনার (খালেদা জিয়া) যেসব লক্ষণ দেখছি আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সময় পাবেন কিনা যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আমরা দোয়া করি যেন উনি বেঁচে থাকেন। বিএনপি সত্য কথা বলতেও ভয় পায়। এটার জন্য তাদের উচিত ছিল, যেদিন থেকে সরকার তাঁকে বাইরে যেতে দেয়নি সেদিন থেকে অনশন করা। সেদিনই বলা উচিত ছিল কাশিমপুরে যেতে চাই, ফিরোজাতে থাকতে চাই না। ফিরোজাতে ওনাকে রাখা আরেকটা ধাপ্পাবাজি।'
বিএনপিতে খালেদা জিয়ার অবদানের বিষয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, 'আপনারা এ পর্যন্ত আসার পেছনে জিয়াউর রহমানের চেয়ে খালেদা জিয়ার অবদান বেশি। জিয়াউর রহমান অকালে প্রয়াণ করেছেন। আপনারা যখন হতাশায় ভুগছিলেন, কোনও পথ ছিল না, এই সাধারণ একজন গৃহবধূ আপনাদের একত্রিত করেছেন। আপনাদের দুইবার ক্ষমতায় এনেছেন। বিএনপির লোকেরা খালেদা জিয়ার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে বলে আমি মনে করি। এ জন্য তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।'
নাগরিক ঐক্যের প্রধান মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এত বড় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, গুণাগুণ বহু বলা যাবে হয়তো কেউ কেউ সমালোচনাও কিছু করতে পারবে। গতকাল রাতের বেলায় দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলন করলেন ওনার নাকি আবার জ্বর হয়েছে। কি অবস্থা হতে পারে আমরা জানি না। আচ্ছা এত বড় বিপদের মধ্যে তাঁকে দেশে রাখতেই হচ্ছে কেনো? বিদেশ পাঠিয়ে দিলে কি হতো? ওরা বিদেশ পাঠাতেও সাহস পায় না। যদি জাফরুল্লাহ ভাই দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন তাহলে পাঠিয়ে দিতেন না? আমি যদি হতাম পাঠিয়ে দিতাম। কিন্তু ওরা পাঠাবে না।
বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ লেবার পার্টি ছয়টি প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবগুলো হলো, ভোটারবিহীন সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও নির্বাচনী আইনের সংস্কার করতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কালোবাজারি সিন্ডিকেট রোধে টাস্কফোর্স গঠন ও টিবিসিকে করতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন, অর্থপাচারীদেরকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অবিলম্বে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল, চিনিকলসহ বন্ধ কলকারখানা চালু করতে হবে। কৃষিতে ভর্তুকি বাড়িয়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ঢাকা: খালেদা জিয়াকে যে দেশের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে বিএনপি সত্য কথা বলতেও ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
আজ শনিবার বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত রাজনৈতিক সংকট: উত্তরণ কোন পথে শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, 'ওনার (খালেদা জিয়া) যেসব লক্ষণ দেখছি আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সময় পাবেন কিনা যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আমরা দোয়া করি যেন উনি বেঁচে থাকেন। বিএনপি সত্য কথা বলতেও ভয় পায়। এটার জন্য তাদের উচিত ছিল, যেদিন থেকে সরকার তাঁকে বাইরে যেতে দেয়নি সেদিন থেকে অনশন করা। সেদিনই বলা উচিত ছিল কাশিমপুরে যেতে চাই, ফিরোজাতে থাকতে চাই না। ফিরোজাতে ওনাকে রাখা আরেকটা ধাপ্পাবাজি।'
বিএনপিতে খালেদা জিয়ার অবদানের বিষয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, 'আপনারা এ পর্যন্ত আসার পেছনে জিয়াউর রহমানের চেয়ে খালেদা জিয়ার অবদান বেশি। জিয়াউর রহমান অকালে প্রয়াণ করেছেন। আপনারা যখন হতাশায় ভুগছিলেন, কোনও পথ ছিল না, এই সাধারণ একজন গৃহবধূ আপনাদের একত্রিত করেছেন। আপনাদের দুইবার ক্ষমতায় এনেছেন। বিএনপির লোকেরা খালেদা জিয়ার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে বলে আমি মনে করি। এ জন্য তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।'
নাগরিক ঐক্যের প্রধান মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এত বড় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, গুণাগুণ বহু বলা যাবে হয়তো কেউ কেউ সমালোচনাও কিছু করতে পারবে। গতকাল রাতের বেলায় দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলন করলেন ওনার নাকি আবার জ্বর হয়েছে। কি অবস্থা হতে পারে আমরা জানি না। আচ্ছা এত বড় বিপদের মধ্যে তাঁকে দেশে রাখতেই হচ্ছে কেনো? বিদেশ পাঠিয়ে দিলে কি হতো? ওরা বিদেশ পাঠাতেও সাহস পায় না। যদি জাফরুল্লাহ ভাই দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন তাহলে পাঠিয়ে দিতেন না? আমি যদি হতাম পাঠিয়ে দিতাম। কিন্তু ওরা পাঠাবে না।
বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ লেবার পার্টি ছয়টি প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবগুলো হলো, ভোটারবিহীন সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও নির্বাচনী আইনের সংস্কার করতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কালোবাজারি সিন্ডিকেট রোধে টাস্কফোর্স গঠন ও টিবিসিকে করতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন, অর্থপাচারীদেরকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অবিলম্বে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল, চিনিকলসহ বন্ধ কলকারখানা চালু করতে হবে। কৃষিতে ভর্তুকি বাড়িয়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগে