নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কোন জোটে না থাকলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির (জাপা) বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে বলে দাবি করেছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তবে এই সম্পর্ক অটুট থাকবে কি না সেটা আওয়ামী লীগের আগামী দিনের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে হিন্দু মহাজোটের প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমন মন্তব্য করেন জি এম কাদের।
জি এম কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। ভালো কাজ করলে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকতে পারি। কিন্তু আওয়ামী লীগ যদি গণমানুষের আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে আগামীতে আমরা তাদের সঙ্গে নাও থাকতে পারি।’
দুই দলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘জাতীয় পার্টি কোন জোটে নেই। গত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কোন জোট ছিল না। ওই নির্বাচনে কিছু আসনে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছিল। তখন আসনভিত্তিক আমাদের নেতা কর্মীরা আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন আবার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা জাতীয় পার্টির পক্ষে কাজ করেছে।’
সম্প্রতি দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে এ সময় জি এম কাদের বলেন, ‘দেশ ও মানুষের সেবার দায়িত্ব নিতেই আমরা রাজনীতি করছি। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনেও শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কেউ দলীয় শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে চায়, সে যত বড় নেতাই হোক, যত প্রভাবশালী হোক অথবা যত অর্থ বিত্তের মালিকই হোক, কাউকে ছেড়ে দেব না।’
ইভিএমের বিপক্ষে অবস্থান নিলেও জাপা এখনো নির্বাচনের ঘোষণা দেয়নি বলেও জানান জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিইনি। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা অত্যন্ত কঠিন। আমরা বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা দেশ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় রেখে, দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

কোন জোটে না থাকলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির (জাপা) বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে বলে দাবি করেছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তবে এই সম্পর্ক অটুট থাকবে কি না সেটা আওয়ামী লীগের আগামী দিনের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে হিন্দু মহাজোটের প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এমন মন্তব্য করেন জি এম কাদের।
জি এম কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। ভালো কাজ করলে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকতে পারি। কিন্তু আওয়ামী লীগ যদি গণমানুষের আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে আগামীতে আমরা তাদের সঙ্গে নাও থাকতে পারি।’
দুই দলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘জাতীয় পার্টি কোন জোটে নেই। গত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কোন জোট ছিল না। ওই নির্বাচনে কিছু আসনে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছিল। তখন আসনভিত্তিক আমাদের নেতা কর্মীরা আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন আবার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা জাতীয় পার্টির পক্ষে কাজ করেছে।’
সম্প্রতি দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে এ সময় জি এম কাদের বলেন, ‘দেশ ও মানুষের সেবার দায়িত্ব নিতেই আমরা রাজনীতি করছি। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনেও শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কেউ দলীয় শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে চায়, সে যত বড় নেতাই হোক, যত প্রভাবশালী হোক অথবা যত অর্থ বিত্তের মালিকই হোক, কাউকে ছেড়ে দেব না।’
ইভিএমের বিপক্ষে অবস্থান নিলেও জাপা এখনো নির্বাচনের ঘোষণা দেয়নি বলেও জানান জি এম কাদের। তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিইনি। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা অত্যন্ত কঠিন। আমরা বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা দেশ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় রেখে, দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর পর নির্বাসন থেকে দেশে ফেরায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
৯ ঘণ্টা আগে
মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
১২ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
১২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে