নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে, সেটার পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য যে সময় দরকার, সেই সময়টা না দিয়ে আগে নির্বাচনের মাধ্যমে একটা কাঠামো তৈরি করা উচিত। যেখানে লেখা থাকবে, যারাই দায়িত্বে আসুক তারা পরবর্তীতে এই পদ্ধতিগুলো নিয়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করবে। এরকমটা হলে পরে কিন্তু কুয়াশাটা অনেকাংশে কেটে যায়। গোঁ ধরে বসে থাকলে আমাদের কোনো হবে না, লাভ হবে দাদাদের আর দিদিদের।
আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় স্বস্তির জায়গা হচ্ছে মুক্ত গণমাধ্যম, এ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখন আর কোনো সংবাদমাধ্যমে কেউ হস্তক্ষেপ করে না। কেউ বলে না, “এই খবরটা প্রচার করতে পারবে না’ কিংবা “ওই খবরটা বারবার প্রচার করতে হবে।” কোনো সাংবাদিক আর প্রধান উপদেষ্টার কাছে গিয়ে বলে না, “প্রশ্ন করতে আসিনি, প্রশংসা করতে এসেছি।” কোনো সংবাদকর্মী আর উপদেষ্টাদের পেছনে তেলের বোতল নিয়ে হাঁটে না। মুক্ত গণমাধ্যমের কারণে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা হঠাৎ করে হয়নি। বহু আগে থেকেই এরকম ঘটনা ঘটছিল। কিন্তু প্রচারের নিষেধাজ্ঞার কারণে মানুষ তা জানতে পারত না। এখন মানুষ জানতে পারছে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘বক্তব্যে আমরা প্রায়ই শুনি, “আপনারা যদি সংশোধন না হন।” কিন্তু আমি বলি, “আমরা যদি সংশোধন না হই।” কারণ আপনারা আর আমরা মিলে হচ্ছে ‘আমরা’। যতক্ষণ পর্যন্ত এই ‘আমরা’-এর বোধ জাগবে না, দলগত বিভাজন থেকে কোনো কল্যাণকর কিছু আসবে না।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে মতভেদ ও বিতর্ক। মতভেদ না থাকলে সমাজ মৃত সমাজে পরিণত হয়। তবে বিতর্ক যেন জাতীয় স্বার্থে আঘাত না হানে। আজকে জাতীয় স্বার্থের জায়গায় আমাদের দৃঢ় থাকতে হবে, যাতে কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন না ঘটে। এই বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলেরই অভিন্ন অবস্থান রয়েছে। তাই জাতীয় ঐক্যের মঞ্চ ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল খায়ের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে, সেটার পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য যে সময় দরকার, সেই সময়টা না দিয়ে আগে নির্বাচনের মাধ্যমে একটা কাঠামো তৈরি করা উচিত। যেখানে লেখা থাকবে, যারাই দায়িত্বে আসুক তারা পরবর্তীতে এই পদ্ধতিগুলো নিয়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করবে। এরকমটা হলে পরে কিন্তু কুয়াশাটা অনেকাংশে কেটে যায়। গোঁ ধরে বসে থাকলে আমাদের কোনো হবে না, লাভ হবে দাদাদের আর দিদিদের।
আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় স্বস্তির জায়গা হচ্ছে মুক্ত গণমাধ্যম, এ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখন আর কোনো সংবাদমাধ্যমে কেউ হস্তক্ষেপ করে না। কেউ বলে না, “এই খবরটা প্রচার করতে পারবে না’ কিংবা “ওই খবরটা বারবার প্রচার করতে হবে।” কোনো সাংবাদিক আর প্রধান উপদেষ্টার কাছে গিয়ে বলে না, “প্রশ্ন করতে আসিনি, প্রশংসা করতে এসেছি।” কোনো সংবাদকর্মী আর উপদেষ্টাদের পেছনে তেলের বোতল নিয়ে হাঁটে না। মুক্ত গণমাধ্যমের কারণে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা হঠাৎ করে হয়নি। বহু আগে থেকেই এরকম ঘটনা ঘটছিল। কিন্তু প্রচারের নিষেধাজ্ঞার কারণে মানুষ তা জানতে পারত না। এখন মানুষ জানতে পারছে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘বক্তব্যে আমরা প্রায়ই শুনি, “আপনারা যদি সংশোধন না হন।” কিন্তু আমি বলি, “আমরা যদি সংশোধন না হই।” কারণ আপনারা আর আমরা মিলে হচ্ছে ‘আমরা’। যতক্ষণ পর্যন্ত এই ‘আমরা’-এর বোধ জাগবে না, দলগত বিভাজন থেকে কোনো কল্যাণকর কিছু আসবে না।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে মতভেদ ও বিতর্ক। মতভেদ না থাকলে সমাজ মৃত সমাজে পরিণত হয়। তবে বিতর্ক যেন জাতীয় স্বার্থে আঘাত না হানে। আজকে জাতীয় স্বার্থের জায়গায় আমাদের দৃঢ় থাকতে হবে, যাতে কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন না ঘটে। এই বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলেরই অভিন্ন অবস্থান রয়েছে। তাই জাতীয় ঐক্যের মঞ্চ ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল খায়ের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে