নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে যে পরিমাণ রিজার্ভ আছে তা দিয়ে আর মাত্র ৫ থেকে ৬ মাস বিদেশি ব্যয় মেটানো যাবে। সরকার দেউলিয়া হতে বসেছে। সরকারি ও আধা সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধ করে দিয়েছে। কেননা, তাঁদের কাছে বিদেশি ডলার নেই।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক যুব ঐক্য আয়োজিত এক মানববন্ধনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘করোনার সময় সরকার আমাদের সান্ত্বনা দিয়েছে, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নাকি ভালো আছে। যখন বৈদেশিক মুদ্রা কমার কথা তখন নাকি আরও বাড়ছে। সরকার আসলে মিথ্যা কথা বলেছে। সরকার জিডিপি, রিজার্ভের কথা বলে আমাদের মিথ্যা তথ্য দেয়।’
মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, ‘এখন আমাদের যথেষ্ট পরিমাণে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে হয়। আমদানি যদি করতে হয় ১০ টাকার, সরকারের ব্যবসায়ীরা সেটাকে বলে ১৬ টাকা। বাকি ৬ টাকা তাঁরা পাচার করে। সরকারি ব্যাংক থেকে প্রতিবছর ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়। এ ছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে ও বিভিন্ন উপায়ে আরও লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যায়। সরকার এ সম্পর্কে কিছু জানে না।’
প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে মান্না বলেন, ‘তিন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বলেন পদ্মা সেতুতে নিয়ে চুবানো দরকার। কতটুকু নির্লজ্জ হলে তিনি এ কথা বলতে পারেন। পুরো পৃথিবীর মানুষ যেখানে ড. ইউনূসকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়, সেখানে তিনি ড. ইউনূসকে চুবিয়ে মারতে চান। ড. ইউনূস যে আমেরিকা কিংবা বিশ্বব্যাংককে বুঝিয়েছে পদ্মা সেতুতে টাকা না দেওয়ার জন্য, সেটা আমরা বিশ্বাস করি না।’
সরকারের কাছে পদ্মা সেতুর ব্যয় কত বছরে মেটানো যাবে, তার হিসাব নেই উল্লেখ করে মান্না বলেন, ‘যখন আপনারা পদ্মা সেতু বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন তখন বলেছিলেন ১২ হাজার কোটি টাকায় আপনারা এই কাজ করতে পারবেন। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে এই সেতুর পেছনে খরচ হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। ১৫ থেকে ২০ বছর কিংবা তার থেকেও বেশি সময় লাগতে পারে এই টাকা পরিশোধ করতে।’
মানববন্ধনে নাগরিক যুব ঐক্যের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাসেল আহমেদ বলেন, ‘সন্তানকে খাবার দিতে না পেরে অনেক মা-বাবা আত্মহত্যা করছে। আপনারা দেশ চালাতে পারছেন না, আপনারা ব্যর্থ। আপনারা রিকশাচালক, বাস ড্রাইভারদের সরকার না। আপনারা হয় ক্ষমতা ছেড়ে দিন নইলে আমরা টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেব।’
নাগরিক যুব ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি কাজে প্রমাণ দিয়েছে তারা জনগণের সরকার না। ঢাকা শহরে উন্নয়ন নেই, গজব আছে। সেই গজবে ঢাকা শহর পৃষ্ঠ। সেটা থেকে মুক্তি পেতে হলে দরকার হাসিনা সরকারের বিদায়। এই পি কে হালদাররা টাকা পাচার করে দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ বলছে তারা মুক্তিযুদ্ধের ধারক-বাহক কিন্তু তারাই মুক্তিযুদ্ধকে সবচেয়ে বেশি কলঙ্কিত করেছে।’

দেশে যে পরিমাণ রিজার্ভ আছে তা দিয়ে আর মাত্র ৫ থেকে ৬ মাস বিদেশি ব্যয় মেটানো যাবে। সরকার দেউলিয়া হতে বসেছে। সরকারি ও আধা সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধ করে দিয়েছে। কেননা, তাঁদের কাছে বিদেশি ডলার নেই।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক যুব ঐক্য আয়োজিত এক মানববন্ধনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘করোনার সময় সরকার আমাদের সান্ত্বনা দিয়েছে, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নাকি ভালো আছে। যখন বৈদেশিক মুদ্রা কমার কথা তখন নাকি আরও বাড়ছে। সরকার আসলে মিথ্যা কথা বলেছে। সরকার জিডিপি, রিজার্ভের কথা বলে আমাদের মিথ্যা তথ্য দেয়।’
মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, ‘এখন আমাদের যথেষ্ট পরিমাণে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে হয়। আমদানি যদি করতে হয় ১০ টাকার, সরকারের ব্যবসায়ীরা সেটাকে বলে ১৬ টাকা। বাকি ৬ টাকা তাঁরা পাচার করে। সরকারি ব্যাংক থেকে প্রতিবছর ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়। এ ছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে ও বিভিন্ন উপায়ে আরও লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যায়। সরকার এ সম্পর্কে কিছু জানে না।’
প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে মান্না বলেন, ‘তিন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বলেন পদ্মা সেতুতে নিয়ে চুবানো দরকার। কতটুকু নির্লজ্জ হলে তিনি এ কথা বলতে পারেন। পুরো পৃথিবীর মানুষ যেখানে ড. ইউনূসকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়, সেখানে তিনি ড. ইউনূসকে চুবিয়ে মারতে চান। ড. ইউনূস যে আমেরিকা কিংবা বিশ্বব্যাংককে বুঝিয়েছে পদ্মা সেতুতে টাকা না দেওয়ার জন্য, সেটা আমরা বিশ্বাস করি না।’
সরকারের কাছে পদ্মা সেতুর ব্যয় কত বছরে মেটানো যাবে, তার হিসাব নেই উল্লেখ করে মান্না বলেন, ‘যখন আপনারা পদ্মা সেতু বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন তখন বলেছিলেন ১২ হাজার কোটি টাকায় আপনারা এই কাজ করতে পারবেন। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে এই সেতুর পেছনে খরচ হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। ১৫ থেকে ২০ বছর কিংবা তার থেকেও বেশি সময় লাগতে পারে এই টাকা পরিশোধ করতে।’
মানববন্ধনে নাগরিক যুব ঐক্যের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাসেল আহমেদ বলেন, ‘সন্তানকে খাবার দিতে না পেরে অনেক মা-বাবা আত্মহত্যা করছে। আপনারা দেশ চালাতে পারছেন না, আপনারা ব্যর্থ। আপনারা রিকশাচালক, বাস ড্রাইভারদের সরকার না। আপনারা হয় ক্ষমতা ছেড়ে দিন নইলে আমরা টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেব।’
নাগরিক যুব ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি কাজে প্রমাণ দিয়েছে তারা জনগণের সরকার না। ঢাকা শহরে উন্নয়ন নেই, গজব আছে। সেই গজবে ঢাকা শহর পৃষ্ঠ। সেটা থেকে মুক্তি পেতে হলে দরকার হাসিনা সরকারের বিদায়। এই পি কে হালদাররা টাকা পাচার করে দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ বলছে তারা মুক্তিযুদ্ধের ধারক-বাহক কিন্তু তারাই মুক্তিযুদ্ধকে সবচেয়ে বেশি কলঙ্কিত করেছে।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে