
রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ জনকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ২৭ জনের মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দলীয় কার্যালয়ে মিটিং করতে পুলিশের অনুমতি লাগে না। তবে আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল, সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোকজন নাশকতা করার জন্য একত্রিত হয়েছে। সে অনুযায়ী পুলিশ সেখানে যায়।’
তিনি বলেন, ‘তাঁদের আটক করার পর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ জনকে রাখা হয়েছে, বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মোবাইল ফোন ফরেনসিক করা হবে।’
গতকাল শনিবার বেলা ৩টার দিকে গুলিস্তানে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে সাংবাদিক নেতাসহ সেখানে থাকা নেতা-কর্মীদের আটক করে বিভিন্ন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের হিসাবে, অভিযানে ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
জাসদ বলছে, পুলিশের অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় অভিযান চালিয়ে নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ দলটির।
জাসদের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের লোকজনের গোপন বৈঠকের অভিযোগও অস্বীকার করা হয়েছে।
জাসদ কার্যালয় থেকে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্যকেও আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুর, লুটপাট ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সরকারের কাছে চারটি প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা। আজ শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব প্রশ্ন তোলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যরাতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা ভঙ্গুর, তার ভয়াবহ নিদর্শন। রাতভর প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর ও লুটপাট চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ও নির্বিকার ভূমিকা গভীর উদ্বেগের। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। খোদ রাজধানীর বুকে চর দখলের মতো একটি...
১৯ ঘণ্টা আগে
কোনো উদ্যোগ ভালো না লাগলে তার বিকল্প পরিকল্পনা দেওয়া উচিত। আপনি এর চেয়ে ভালো পরিকল্পনা দেন, বলেন—এটা না করে এটা করলে আরও ভালো হয়। কিন্তু সেটা না করে সমালোচনা করায় তো কিছু লাভ হবে না। দেশটা সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবাই মিলে চেষ্টা করতে হবে...
১৯ ঘণ্টা আগে
ভেরিফিকেশনের নামে ফ্যাসিবাদী আমলের এই অপকর্ম পরিত্যাগ করুন। ফ্যাসিবাদ আমলের অনুরূপ যেকোনো কূট-তৎপরতা জনগণ সহ্য করবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। মেধাবী যুবসমাজসহ তরুণদের নিজেদের অধিকার আদায়ে আবারও সোচ্চার হতে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে