নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার একটি দলের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় পার্টির (জাপা)। পাশাপাশি জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে দলটির অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া বলেছেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে তফসিলের পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে ২০২৪ সালের অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।
কোনো রাজনৈতিক দলের নামোল্লেখ না করে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হলে তাহলে (অংশ) নেব। আমরা এখন পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেখছি না। আমরা দেখছি, একটি অংশকে সরকার বেশি পৃষ্ঠপোষকতা করছে। ওই অবস্থা বিরাজমান যদি থাকে, তাহলে আমরা দলগতভাবে প্রেসিডিয়াম সভায় যখন সিদ্ধান্ত হবে, তফসিল ঘোষণা হলে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।’
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগের মতো জাপা ও ১৪ দলীয় জোটভুক্তদের নিবন্ধন স্থগিতের দাবি জানায়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, ‘আরপিও বিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে দল নিবন্ধন পায়। সে ক্ষেত্রে কে কি দাবি জানাল তাতে কিছু দেখার বিষয় নয়, আমরা আইন লঙ্ঘনও করিনি।’
নির্বাচন করার কারণে জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে যে তকমা দেওয়া হচ্ছে—তার সঙ্গে তিনি একমত নন উল্লেখ করে রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘ভোটে অংশ নেওয়া অপরাধ হলে ২০১৮ সালে নির্বাচন করা বিএনপি, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামী আন্দোলন, গণফোরামসহ সব দলের নিবন্ধন বাতিলের দাবি করা উচিত।’
জাপার নেতা আরও বলেন, ‘ইসি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। ইসি নির্বাচন আহ্বান করেছে, দলের ইচ্ছে, স্বাধীনতা রয়েছে নির্বাচনে অংশ নিতে পারার, বর্জনও করার। তিন নির্বাচনে অনেকে বর্জন করেছে, অনেকে অংশ নিয়েছিল। এ তিন নির্বাচনে বিএনপি, ইসলামী ঐক্যজোট, গণফোরামসহ অনেকে ২০১৮ সালে অংশ নিয়েছিল। বিএনপি চার বছর ওই সংসদে ছিল। যদি সেই নির্বাচন অবৈধ হয়, বিএনপির অংশগ্রহণও অবৈধ।’
এ সময় জাতীয় পার্টির নিবন্ধন বাতিলের প্রসঙ্গ এনে তিনি আবারও বলেন, ‘জাতীয় পার্টির (নিবন্ধন) যদি (আওয়ামী লীগের আমলে হওয়া নির্বাচনে) অংশ নেওয়ার দাবিতে বাতিলের দাবি উঠে, তাহলে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলনসহ সেই নির্বাচনে অংশ নেয় ৩১টি দল; ভোটে অংশগ্রহণ অপরাধ হলে, একই অপরাধে অপরাধী এসব দল।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘ইসির কার্যক্রম এখনো পক্ষপাতহীন বা পক্ষপাতদুষ্ট কিনা তা নিয়ে মন্তব্য করা যাচ্ছে না। কারণ, এখনো এ ইসির অধীনে কোনো নির্বাচন হয়নি। এ নিয়ে বলার সময় এখনো আসেনি।’
নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জাপার অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় দলটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য খলিলুর রহমান খলিল, নুরুজ্জামান এবং দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

সরকার একটি দলের পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় পার্টির (জাপা)। পাশাপাশি জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে দলটির অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া বলেছেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে তফসিলের পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে ২০২৪ সালের অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।
কোনো রাজনৈতিক দলের নামোল্লেখ না করে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হলে তাহলে (অংশ) নেব। আমরা এখন পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেখছি না। আমরা দেখছি, একটি অংশকে সরকার বেশি পৃষ্ঠপোষকতা করছে। ওই অবস্থা বিরাজমান যদি থাকে, তাহলে আমরা দলগতভাবে প্রেসিডিয়াম সভায় যখন সিদ্ধান্ত হবে, তফসিল ঘোষণা হলে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।’
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগের মতো জাপা ও ১৪ দলীয় জোটভুক্তদের নিবন্ধন স্থগিতের দাবি জানায়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, ‘আরপিও বিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে দল নিবন্ধন পায়। সে ক্ষেত্রে কে কি দাবি জানাল তাতে কিছু দেখার বিষয় নয়, আমরা আইন লঙ্ঘনও করিনি।’
নির্বাচন করার কারণে জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে যে তকমা দেওয়া হচ্ছে—তার সঙ্গে তিনি একমত নন উল্লেখ করে রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘ভোটে অংশ নেওয়া অপরাধ হলে ২০১৮ সালে নির্বাচন করা বিএনপি, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামী আন্দোলন, গণফোরামসহ সব দলের নিবন্ধন বাতিলের দাবি করা উচিত।’
জাপার নেতা আরও বলেন, ‘ইসি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। ইসি নির্বাচন আহ্বান করেছে, দলের ইচ্ছে, স্বাধীনতা রয়েছে নির্বাচনে অংশ নিতে পারার, বর্জনও করার। তিন নির্বাচনে অনেকে বর্জন করেছে, অনেকে অংশ নিয়েছিল। এ তিন নির্বাচনে বিএনপি, ইসলামী ঐক্যজোট, গণফোরামসহ অনেকে ২০১৮ সালে অংশ নিয়েছিল। বিএনপি চার বছর ওই সংসদে ছিল। যদি সেই নির্বাচন অবৈধ হয়, বিএনপির অংশগ্রহণও অবৈধ।’
এ সময় জাতীয় পার্টির নিবন্ধন বাতিলের প্রসঙ্গ এনে তিনি আবারও বলেন, ‘জাতীয় পার্টির (নিবন্ধন) যদি (আওয়ামী লীগের আমলে হওয়া নির্বাচনে) অংশ নেওয়ার দাবিতে বাতিলের দাবি উঠে, তাহলে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলনসহ সেই নির্বাচনে অংশ নেয় ৩১টি দল; ভোটে অংশগ্রহণ অপরাধ হলে, একই অপরাধে অপরাধী এসব দল।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘ইসির কার্যক্রম এখনো পক্ষপাতহীন বা পক্ষপাতদুষ্ট কিনা তা নিয়ে মন্তব্য করা যাচ্ছে না। কারণ, এখনো এ ইসির অধীনে কোনো নির্বাচন হয়নি। এ নিয়ে বলার সময় এখনো আসেনি।’
নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জাপার অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় দলটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য খলিলুর রহমান খলিল, নুরুজ্জামান এবং দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে