নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার নাকি চোখে সর্ষে ফুল দেখছ।, আসলে সরকার নয়, সর্ষে ফুল দেখছে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রাজধানীর সেতু ভবনে আজ বুধবার ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপির নেতাদের যে অন্তরজ্বালা বেড়েছে, তা এখনো কমেনি বরং দিনে দিনে বাড়ছে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনেই আসছে তরুণ প্রজন্মের মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প। তাই বিএনপির নেতারা চোখে শুধু সর্ষে ফুলই দেখতে পাচ্ছেন। সামনে যখন এসব প্রকল্পের উদ্বোধন হবে, তখন বিএনপির নেতারা চোখে সর্ষে ফুল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবেন না বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
বিদ্যুৎ নিয়ে সাময়িক যে সংকট, সেটা নাকি সীমাহীন দুর্নীতির কারণে হয়েছে এবং এই সংকট নাকি সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যাবে—বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের আবারও বলেন, সরকার পতনের যে দিবাস্বপ্ন বিএনপি দেখছে, সেটা অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।
দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত বিএনপির নেতারা সবকিছুতেই দুর্নীতির গন্ধ খুঁজে বেড়ান এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করা বিএনপির এখন দৈনন্দিন রুটিন হয়ে গেছে। তিনি বলেন, দেশবাসী জানেন বিশ্বব্যাপী এখন জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এই সংকটকে আরও প্রকট করেছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মার্কেট চরম অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে, এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি যাতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয়, সেই লক্ষ্যে সরকারকে আগেভাগেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দ বিশ্বব্যাপী এই সংকটের কোন সমাধানের কথা না বলে বরং দুর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগ তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে এবং দুরভিসন্ধিমূলক শান্ত জনগণকে উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু বিএনপির এসব মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্র জাতির কাছে এখন স্পষ্ট।
বিএনপির কথা মানুষ এখন আর বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেকোনো সংকট ও দুর্যোগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব আজ পরীক্ষিত।
ওবায়দুল কাদের আশা করে আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এই সংকটের সমাধান হবে।

সরকার নাকি চোখে সর্ষে ফুল দেখছ।, আসলে সরকার নয়, সর্ষে ফুল দেখছে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রাজধানীর সেতু ভবনে আজ বুধবার ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপির নেতাদের যে অন্তরজ্বালা বেড়েছে, তা এখনো কমেনি বরং দিনে দিনে বাড়ছে এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনেই আসছে তরুণ প্রজন্মের মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প। তাই বিএনপির নেতারা চোখে শুধু সর্ষে ফুলই দেখতে পাচ্ছেন। সামনে যখন এসব প্রকল্পের উদ্বোধন হবে, তখন বিএনপির নেতারা চোখে সর্ষে ফুল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবেন না বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
বিদ্যুৎ নিয়ে সাময়িক যে সংকট, সেটা নাকি সীমাহীন দুর্নীতির কারণে হয়েছে এবং এই সংকট নাকি সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যাবে—বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের আবারও বলেন, সরকার পতনের যে দিবাস্বপ্ন বিএনপি দেখছে, সেটা অচিরেই দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।
দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত বিএনপির নেতারা সবকিছুতেই দুর্নীতির গন্ধ খুঁজে বেড়ান এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করা বিএনপির এখন দৈনন্দিন রুটিন হয়ে গেছে। তিনি বলেন, দেশবাসী জানেন বিশ্বব্যাপী এখন জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এই সংকটকে আরও প্রকট করেছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মার্কেট চরম অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে, এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি যাতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয়, সেই লক্ষ্যে সরকারকে আগেভাগেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দ বিশ্বব্যাপী এই সংকটের কোন সমাধানের কথা না বলে বরং দুর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগ তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে এবং দুরভিসন্ধিমূলক শান্ত জনগণকে উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু বিএনপির এসব মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্র জাতির কাছে এখন স্পষ্ট।
বিএনপির কথা মানুষ এখন আর বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেকোনো সংকট ও দুর্যোগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব আজ পরীক্ষিত।
ওবায়দুল কাদের আশা করে আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এই সংকটের সমাধান হবে।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে