নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রুটিন কাজের বাইরে গেলে ‘সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচন সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
দলটির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ‘আমরা বরাবরই বলে এসেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু অন্তর্বর্তীকালীন কাজ আছে। আমরা বারবার বলে এসেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রুটিন কাজের বাইরে যদি অনেক বড় কাজে হাত দিয়ে দেয়, তাহলে তার জন্য এটা কঠিন হয়ে যাবে। এবং এই কঠিন কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় এমন কতগুলো বিতর্কের সম্মুখীন হতে পারে, তার যে অন্যতম কাজ—একটা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া—সেটাও কিন্তু সংকটে পরতে পারে। আপনাদের মাধ্যমও এ কথা আমরা মনে করিয়ে দিচ্ছি।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন রুহিন হোসেন। দলটির ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নিচ্ছে।
রুহিন হোসেন বলেন, ‘আমরা সরকারে দেখতে পাচ্ছি, যেটা আমরা সরকারকেও বলেছি, আপনাদের যে প্রধান কাজ, ওইটার বাইরে গেলে পারা যাবে না। বরং সংকটে পড়তে পারেন। কারণ আমরা জানি এটা রেগুলার গভর্নমেন্ট না, ইউনিফায়েড গভর্নমেন্টও না। এর মধ্যে নানা পথের মানুষ রয়েছে। সুতরাং গুরুত্ব দেওয়া দরকার, ভালো নির্বাচনের জন্য যা যা সংস্কার করা দরকার, যা যা প্রয়োজন সেটা করেই নির্বাচনী পথরেখাটা আগেই করা দরকার। ওই সময় আমরা যতটুকু পারি সংস্কারের কাজ এগিয়ে নেব। আমি প্রত্যাশা করব, আপনাদের মাধ্যমে সরকার এ কাজকে (নির্বাচন) প্রধান কাজ হিসেবে নেবে।’
কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা ৫ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বলেছিলাম, ঐকমত্য আমরা করতে চাই, কিন্তু এবারের আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এমন কতগুলো অনৈক্যের ধারা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যদি আপনি পুরো ঐকমত্য তৈরি করতে চান তাহলে হয়তো এটা কঠিন হয়ে যাবে ৷ সুতরাং যতটুকু ঐকমত্য করা সম্ভব, সেটার মধ্যে দিয়েই আগান।’
রুহিন হোসেন বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে আমরা যদি নির্বাচনও করতে পারি, আমি প্রয়োজনীয় সংস্কার মানে বলছি, সুষ্ঠু নির্বাচনে যা যা সংস্কার সেটাকে। তাহলে এক ধাপ অগ্রগতি হবে।’
সরকারের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ‘বিতর্ক’ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে সিপিবির নেতা রুহিন হোসেন বলেন, ‘আমরা দেখলাম, সরকারের শুরুতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে কাউন্টার কজ করে এমন কতগুলো কথা তৈরি করা হলো, যেন তাকে রিপ্লেস করে ৪৭-এর ধারাবাহিকতায় ২৪। এ ধরনের কতগুলো ঘটনা কিন্তু শুরুতে বিতর্ক তৈরি করেছে। আমরা আশা করব, এ বিতর্কগুলো বন্ধ করতে হবে।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রুটিন কাজের বাইরে গেলে ‘সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচন সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
দলটির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ‘আমরা বরাবরই বলে এসেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কিছু অন্তর্বর্তীকালীন কাজ আছে। আমরা বারবার বলে এসেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রুটিন কাজের বাইরে যদি অনেক বড় কাজে হাত দিয়ে দেয়, তাহলে তার জন্য এটা কঠিন হয়ে যাবে। এবং এই কঠিন কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় এমন কতগুলো বিতর্কের সম্মুখীন হতে পারে, তার যে অন্যতম কাজ—একটা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া—সেটাও কিন্তু সংকটে পরতে পারে। আপনাদের মাধ্যমও এ কথা আমরা মনে করিয়ে দিচ্ছি।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন রুহিন হোসেন। দলটির ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নিচ্ছে।
রুহিন হোসেন বলেন, ‘আমরা সরকারে দেখতে পাচ্ছি, যেটা আমরা সরকারকেও বলেছি, আপনাদের যে প্রধান কাজ, ওইটার বাইরে গেলে পারা যাবে না। বরং সংকটে পড়তে পারেন। কারণ আমরা জানি এটা রেগুলার গভর্নমেন্ট না, ইউনিফায়েড গভর্নমেন্টও না। এর মধ্যে নানা পথের মানুষ রয়েছে। সুতরাং গুরুত্ব দেওয়া দরকার, ভালো নির্বাচনের জন্য যা যা সংস্কার করা দরকার, যা যা প্রয়োজন সেটা করেই নির্বাচনী পথরেখাটা আগেই করা দরকার। ওই সময় আমরা যতটুকু পারি সংস্কারের কাজ এগিয়ে নেব। আমি প্রত্যাশা করব, আপনাদের মাধ্যমে সরকার এ কাজকে (নির্বাচন) প্রধান কাজ হিসেবে নেবে।’
কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা ৫ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বলেছিলাম, ঐকমত্য আমরা করতে চাই, কিন্তু এবারের আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এমন কতগুলো অনৈক্যের ধারা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যদি আপনি পুরো ঐকমত্য তৈরি করতে চান তাহলে হয়তো এটা কঠিন হয়ে যাবে ৷ সুতরাং যতটুকু ঐকমত্য করা সম্ভব, সেটার মধ্যে দিয়েই আগান।’
রুহিন হোসেন বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে আমরা যদি নির্বাচনও করতে পারি, আমি প্রয়োজনীয় সংস্কার মানে বলছি, সুষ্ঠু নির্বাচনে যা যা সংস্কার সেটাকে। তাহলে এক ধাপ অগ্রগতি হবে।’
সরকারের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ‘বিতর্ক’ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে সিপিবির নেতা রুহিন হোসেন বলেন, ‘আমরা দেখলাম, সরকারের শুরুতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে কাউন্টার কজ করে এমন কতগুলো কথা তৈরি করা হলো, যেন তাকে রিপ্লেস করে ৪৭-এর ধারাবাহিকতায় ২৪। এ ধরনের কতগুলো ঘটনা কিন্তু শুরুতে বিতর্ক তৈরি করেছে। আমরা আশা করব, এ বিতর্কগুলো বন্ধ করতে হবে।’

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩৭ মিনিট আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৪১ মিনিট আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে