নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, ‘কেউ যদি চিন্তা করে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে দেবে না। আমি বলব, আমার এলাকায় কেউ ভুলেও এই চিন্তা করবেন না। নাশকতার চিন্তা করলে তাদের বাড়ির খাট-বালিশ থাকবে না।’
আজ শনিবার বিকেলে ফতুল্লার তল্লা এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন বানচালের বিষয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘তবে আমি মনে করি নির্বাচন তারা ঠেকাতে পারবে না। সারা দেশে আনন্দঘন পরিবেশে ভোট হবে। নির্বাচন কমিশন তাদের বিষয়টি দেখবে। মানুষ নাশকতা মেনে নেয় না। ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা মানুষ স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি। মানুষ যদি খেপে যায় তাহলে বিএনপির জন্য ভয়াবহ হবে।’
বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে শামীম ওসমান বলেন, ‘বিএনপিকে একসময় আমি রাজনৈতিক দল ভাবতাম। এখন ওদের কোনো দল মনে করি না। বিএনপি গণমানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। যখন দেখছি একজন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারি হেলমেট খুলে চাপাতি দিয়ে কোপাচ্ছে। এক মা ও তার সন্তান দুজন আগুনে পুড়ে মারা গেল। এরপর আর মেনে নেওয়া যায় না। এদের এখন সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যেতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির ছেলেদের জন্য আমার মায়া হয়। আমার এলাকায় বিএনপির অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তাদেরকে লন্ডন থেকে তারেক রহমান বলছে, গাড়িতে আগুন দিয়ে ভিডিও পাঠাতে। এসব ভিডিও আবার আমার কাছেও চলে আসে। প্রশাসন ভিডিও পেয়ে যাচ্ছে। এসব মামলায় যখন তাদের শাস্তি হবে, তখন পরিবার কাঁদবে।’
বিএনপির ডাকে কেউ সাড়া দেবে না জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমার মনে হয় না সন্ত্রাসীদের ডাকে সাধারণ মানুষ সাড়া দেবে। সবাই তাদের কার্যক্রম জেনে গেছে। পৃথিবীর বড় পরাশক্তিগুলো চাচ্ছে বাংলাদেশকে ভিন্ন একটি দিকে নিয়ে যেতে। বিএনপি তাদের হয়ে কাজ করছে। তারা ভাবছে পরাশক্তিরা তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে যাবে।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, ‘কেউ যদি চিন্তা করে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে দেবে না। আমি বলব, আমার এলাকায় কেউ ভুলেও এই চিন্তা করবেন না। নাশকতার চিন্তা করলে তাদের বাড়ির খাট-বালিশ থাকবে না।’
আজ শনিবার বিকেলে ফতুল্লার তল্লা এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন বানচালের বিষয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘তবে আমি মনে করি নির্বাচন তারা ঠেকাতে পারবে না। সারা দেশে আনন্দঘন পরিবেশে ভোট হবে। নির্বাচন কমিশন তাদের বিষয়টি দেখবে। মানুষ নাশকতা মেনে নেয় না। ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা মানুষ স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি। মানুষ যদি খেপে যায় তাহলে বিএনপির জন্য ভয়াবহ হবে।’
বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে শামীম ওসমান বলেন, ‘বিএনপিকে একসময় আমি রাজনৈতিক দল ভাবতাম। এখন ওদের কোনো দল মনে করি না। বিএনপি গণমানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। যখন দেখছি একজন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, ছাত্রদলের সাবেক সেক্রেটারি হেলমেট খুলে চাপাতি দিয়ে কোপাচ্ছে। এক মা ও তার সন্তান দুজন আগুনে পুড়ে মারা গেল। এরপর আর মেনে নেওয়া যায় না। এদের এখন সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যেতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির ছেলেদের জন্য আমার মায়া হয়। আমার এলাকায় বিএনপির অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তাদেরকে লন্ডন থেকে তারেক রহমান বলছে, গাড়িতে আগুন দিয়ে ভিডিও পাঠাতে। এসব ভিডিও আবার আমার কাছেও চলে আসে। প্রশাসন ভিডিও পেয়ে যাচ্ছে। এসব মামলায় যখন তাদের শাস্তি হবে, তখন পরিবার কাঁদবে।’
বিএনপির ডাকে কেউ সাড়া দেবে না জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমার মনে হয় না সন্ত্রাসীদের ডাকে সাধারণ মানুষ সাড়া দেবে। সবাই তাদের কার্যক্রম জেনে গেছে। পৃথিবীর বড় পরাশক্তিগুলো চাচ্ছে বাংলাদেশকে ভিন্ন একটি দিকে নিয়ে যেতে। বিএনপি তাদের হয়ে কাজ করছে। তারা ভাবছে পরাশক্তিরা তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে যাবে।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৮ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
২০ ঘণ্টা আগে