নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার পতনের ন্যূনতম ‘এক দফা’ দাবিতে বিএনপির জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শামিল থাকার কথা জানিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।
আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ অবস্থানের কথা জানান দলটির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেন, ‘সরকারবিরোধী আন্দোলনরত দলগুলোর ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই। দুর্নীতিবাজ ও জনবিরোধী সরকারের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করার এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ কায়েম করার পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বিএনপির পক্ষ থেকে যে ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়েছে, সেই পদক্ষেপকে আমরা সমর্থন করি এবং সাধুবাদ জানাই। আমরা এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শামিল থাকার ঘোষণা প্রদান করছি।’
বিবৃতিতে কোটা আন্দোলন নিয়ে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে অলি আহমদ বলেন, সরকারি চাকরিতে আরোপিত কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী যে আন্দোলনের ডাক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দিয়েছিল, সেটিকে সশস্ত্র সহিংসতার মাধ্যমে দমন করতে গিয়ে অবৈধ সরকার দেশে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আইন, নিয়মনীতি হলো শুধু সাধারণ মানুষের জন্য। যারা বর্তমানে সরকারে আছে বা সরকারি দল, তাদের কোনো নিয়মনীতি বা আইন মানতে হয় না। তারা যাকে ইচ্ছা প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে, যাকে ইচ্ছা দোষারোপ করে, কারণ তারা পথভ্রষ্ট এবং সরকারের সেবাদাস। ঘটনা ঘটায় সরকার, আর দোষারোপ করা হয় বিরোধী দলগুলোকে।’
সরকারকে উদ্দেশ করে অলি আহমদ বলেন, সময় লাগতে পারে, তবে অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। ঘটনাগুলোকে যতই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হোক বা নতুন নতুন নাটক করা হোক, এতে কিছু আসে যায় না। প্রকৃত ঘটনা দেশের জনগণ দেখেছে এবং সমগ্র পৃথিবীর মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। সুতরাং বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নাই।
সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশে আমি বলব, আপনারা দ্রুত পদত্যাগ করুন, মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করুন। ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি যুক্তিসংগত, তাদের হয়রানি বন্ধ করুন। ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করুন, ইন্টারনেট চালু করুন। ক্ষমতা ত্যাগ করুন, জনগণকে মুক্তি দিন। আপনারা দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছেন, পর্বত পরিমাণ সমস্যা সৃষ্টি করেছেন; এর থেকে আর বের হতে পারবেন না। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বা দেশের মানুষদের সমস্যার সমাধান আপনারা দিতে পারবেন না। জনগণ আপনাদেরকে বিশ্বাস করে না। এমতাবস্থায় দ্রুত পদত্যাগ করাই আপনাদের জন্য একমাত্র সমাধান।’

সরকার পতনের ন্যূনতম ‘এক দফা’ দাবিতে বিএনপির জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শামিল থাকার কথা জানিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।
আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ অবস্থানের কথা জানান দলটির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেন, ‘সরকারবিরোধী আন্দোলনরত দলগুলোর ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই। দুর্নীতিবাজ ও জনবিরোধী সরকারের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করার এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ কায়েম করার পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বিএনপির পক্ষ থেকে যে ঐক্যের ডাক দেওয়া হয়েছে, সেই পদক্ষেপকে আমরা সমর্থন করি এবং সাধুবাদ জানাই। আমরা এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শামিল থাকার ঘোষণা প্রদান করছি।’
বিবৃতিতে কোটা আন্দোলন নিয়ে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে অলি আহমদ বলেন, সরকারি চাকরিতে আরোপিত কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী যে আন্দোলনের ডাক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দিয়েছিল, সেটিকে সশস্ত্র সহিংসতার মাধ্যমে দমন করতে গিয়ে অবৈধ সরকার দেশে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আইন, নিয়মনীতি হলো শুধু সাধারণ মানুষের জন্য। যারা বর্তমানে সরকারে আছে বা সরকারি দল, তাদের কোনো নিয়মনীতি বা আইন মানতে হয় না। তারা যাকে ইচ্ছা প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে, যাকে ইচ্ছা দোষারোপ করে, কারণ তারা পথভ্রষ্ট এবং সরকারের সেবাদাস। ঘটনা ঘটায় সরকার, আর দোষারোপ করা হয় বিরোধী দলগুলোকে।’
সরকারকে উদ্দেশ করে অলি আহমদ বলেন, সময় লাগতে পারে, তবে অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। ঘটনাগুলোকে যতই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হোক বা নতুন নতুন নাটক করা হোক, এতে কিছু আসে যায় না। প্রকৃত ঘটনা দেশের জনগণ দেখেছে এবং সমগ্র পৃথিবীর মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। সুতরাং বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নাই।
সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশে আমি বলব, আপনারা দ্রুত পদত্যাগ করুন, মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করুন। ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি যুক্তিসংগত, তাদের হয়রানি বন্ধ করুন। ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করুন, ইন্টারনেট চালু করুন। ক্ষমতা ত্যাগ করুন, জনগণকে মুক্তি দিন। আপনারা দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছেন, পর্বত পরিমাণ সমস্যা সৃষ্টি করেছেন; এর থেকে আর বের হতে পারবেন না। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বা দেশের মানুষদের সমস্যার সমাধান আপনারা দিতে পারবেন না। জনগণ আপনাদেরকে বিশ্বাস করে না। এমতাবস্থায় দ্রুত পদত্যাগ করাই আপনাদের জন্য একমাত্র সমাধান।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে