নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশব্যাপী পরিকল্পিত অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ব্যাপারে সতর্ক থেকে ওই চক্রান্ত প্রতিহত করতে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তকে প্রতিহত করতে হবে। সুযোগ সন্ধানী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। কেউ যাতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে সম্পর্কে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে সাবধান থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্মকারীরা যাতে পার পেতে না পারে, সে জন্য সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়ার জন্য দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ইতিমধ্যে দুষ্কৃতকারীরা রাজধানীসহ দেশব্যাপী পরিকল্পিত অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ডাকাতি, হামলা, ভাঙচুর ও লুটতরাজে লিপ্ত হয়েছে। কয়েকটি জেলায় সংখ্যালঘুদের বসতবাড়ি, দোকানপাটে আক্রমণ চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। অনেককে ভয় দেখিয়ে বাড়ি ও এলাকা ছাড়া করার মতো সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত দুষ্কৃতকারীদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রেখে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনকে যাতে কেউ নিজ হাতে তুলে নিতে না পারে, সে জন্য গণতন্ত্রকামী মানুষ সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে মুক্ত নিশ্বাস নেওয়ার পরিবেশ। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দুর্বার আন্দোলনে অভূতপূর্ব সাফল্যের ফলশ্রুতিতে দেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত। বৈষম্যবিরোধী যৌক্তিক আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সাহস ও দৃঢ়তায় গণমানুষের বহু কাঙ্ক্ষিত প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অর্জিত বিজয়কে সংহত করে দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কেউ যাতে আন্দোলনের অর্জিত বিজয়কে বিকৃত করতে না পারে, সেদিকে গণতন্ত্রকামী মানুষকে সতর্ক থেকে একযোগে তা প্রতিহত করতে হবে। শান্তির সমাজ গড়তে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে অঙ্গীকার সেটি সার্থক করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

দেশব্যাপী পরিকল্পিত অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ব্যাপারে সতর্ক থেকে ওই চক্রান্ত প্রতিহত করতে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তকে প্রতিহত করতে হবে। সুযোগ সন্ধানী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। কেউ যাতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে সম্পর্কে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে সাবধান থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্মকারীরা যাতে পার পেতে না পারে, সে জন্য সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়ার জন্য দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ইতিমধ্যে দুষ্কৃতকারীরা রাজধানীসহ দেশব্যাপী পরিকল্পিত অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ডাকাতি, হামলা, ভাঙচুর ও লুটতরাজে লিপ্ত হয়েছে। কয়েকটি জেলায় সংখ্যালঘুদের বসতবাড়ি, দোকানপাটে আক্রমণ চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। অনেককে ভয় দেখিয়ে বাড়ি ও এলাকা ছাড়া করার মতো সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত দুষ্কৃতকারীদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রেখে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনকে যাতে কেউ নিজ হাতে তুলে নিতে না পারে, সে জন্য গণতন্ত্রকামী মানুষ সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে মুক্ত নিশ্বাস নেওয়ার পরিবেশ। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দুর্বার আন্দোলনে অভূতপূর্ব সাফল্যের ফলশ্রুতিতে দেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত। বৈষম্যবিরোধী যৌক্তিক আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সাহস ও দৃঢ়তায় গণমানুষের বহু কাঙ্ক্ষিত প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অর্জিত বিজয়কে সংহত করে দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কেউ যাতে আন্দোলনের অর্জিত বিজয়কে বিকৃত করতে না পারে, সেদিকে গণতন্ত্রকামী মানুষকে সতর্ক থেকে একযোগে তা প্রতিহত করতে হবে। শান্তির সমাজ গড়তে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে অঙ্গীকার সেটি সার্থক করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে