নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী দায়িত্বে না রাখার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আজ রোববার সংলাপে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া আওয়ামী লীগের লিখিত প্রস্তাবে এ দাবি জানানো হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলমান সংলাপে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আজ সংলাপে বসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বেলা ৩টায় দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দল ইসির সঙ্গে আলোচনায় বসে।
লিখিত প্রস্তাবে আওয়ামী লীগ বলেছে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দলীয়করণের অংশ হিসেবে পুলিশসহ বেসামরিক প্রশাসনে ব্যাপকভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগ করেছিল। তাদের অনেকেই এখন জেলা পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অথবা দায়িত্ব পাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ। এই দলীয় কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের সব নির্বাচনী দায়িত্বের বাইরে রাখতে হবে।
এ ছাড়া লিখিত প্রস্তাবে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে, তা হলো: কমিশনের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে ঊর্ধ্বে রেখে সংবিধান ও আইনে প্রদত্ত দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা প্রদর্শন এবং নির্বাচনের সময় নির্বাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার দায়িত্বশীলতা।
সংলাপে ভোট কারচুপি এড়াতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিকল্প নেই বলেও মত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ মনে-প্রাণে ইভিএম বিশ্বাস করে। ভোট কারচুপি এড়াতে ইভিএমের বিকল্প নেই। আমরা ৩০০ আসনেই ইভিএম চাই।’
আওয়ামী লীগের এমন প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে একটা সংকট আছে। অধিকাংশ দল ইভিএমের পক্ষে না। সবাই ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারছে না। আমরাও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।’
এর আগে গত মাসে ইভিএম নিয়ে আলাদা করে মতবিনিময় করেছিল ইসি। সেই আলোচনাতেও আওয়ামী লীগ সব আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের দাবি জানায়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল সংলাপে সভাপতিত্ব করছেন। এ ছাড়া কমিশনের সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও অন্য কমিশনাররা এতে উপস্থিত ছিলেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে গত ১৭ জুলাই থেকে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগসহ ২৮টি দল ইসির ডাকে সাড়া দিয়েছে। ইসি ও নির্বাচন ব্যবস্থায় অনাস্থা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলে এই সংলাপে অংশ নেয়নি বিএনপিসহ নয়টি দল।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী দায়িত্বে না রাখার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আজ রোববার সংলাপে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া আওয়ামী লীগের লিখিত প্রস্তাবে এ দাবি জানানো হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলমান সংলাপে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আজ সংলাপে বসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বেলা ৩টায় দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দল ইসির সঙ্গে আলোচনায় বসে।
লিখিত প্রস্তাবে আওয়ামী লীগ বলেছে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দলীয়করণের অংশ হিসেবে পুলিশসহ বেসামরিক প্রশাসনে ব্যাপকভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগ করেছিল। তাদের অনেকেই এখন জেলা পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অথবা দায়িত্ব পাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ। এই দলীয় কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের সব নির্বাচনী দায়িত্বের বাইরে রাখতে হবে।
এ ছাড়া লিখিত প্রস্তাবে যে বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে, তা হলো: কমিশনের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে ঊর্ধ্বে রেখে সংবিধান ও আইনে প্রদত্ত দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা প্রদর্শন এবং নির্বাচনের সময় নির্বাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার দায়িত্বশীলতা।
সংলাপে ভোট কারচুপি এড়াতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিকল্প নেই বলেও মত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ মনে-প্রাণে ইভিএম বিশ্বাস করে। ভোট কারচুপি এড়াতে ইভিএমের বিকল্প নেই। আমরা ৩০০ আসনেই ইভিএম চাই।’
আওয়ামী লীগের এমন প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে একটা সংকট আছে। অধিকাংশ দল ইভিএমের পক্ষে না। সবাই ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারছে না। আমরাও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।’
এর আগে গত মাসে ইভিএম নিয়ে আলাদা করে মতবিনিময় করেছিল ইসি। সেই আলোচনাতেও আওয়ামী লীগ সব আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের দাবি জানায়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল সংলাপে সভাপতিত্ব করছেন। এ ছাড়া কমিশনের সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও অন্য কমিশনাররা এতে উপস্থিত ছিলেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে গত ১৭ জুলাই থেকে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগসহ ২৮টি দল ইসির ডাকে সাড়া দিয়েছে। ইসি ও নির্বাচন ব্যবস্থায় অনাস্থা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলে এই সংলাপে অংশ নেয়নি বিএনপিসহ নয়টি দল।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১১ মিনিট আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৫ ঘণ্টা আগে