নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আলোচিত লন্ডন বৈঠকের পরপরই আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ধরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল বিএনপি। এর মধ্যে ভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার পরপরই সে প্রস্তুতির গতি আরও বেড়েছে। এর অংশ হিসেবে সমমনা দল ও জোটগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রথম দিন গতকাল শুক্রবার তিনি বৈঠক করেন ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং লেবার পার্টির নেতাদের সঙ্গে। এ সময় তারেক রহমান সমমনা দল ও জোটগুলোকে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান জানান বলে জানা গেছে।
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় হয়। বেলা ৩টায় শুরু হয়ে চলে পৌনে ৫টা পর্যন্ত।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান। তাঁদের একজন নাম প্রকাশ না করে বলেন, সমমনা দল ও জোটগুলোকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, যার যার অবস্থান থেকে সর্বশক্তি নিয়ে এখন মাঠে নামতে হবে। ৩১ দফাকে জনগণের সামনে নিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনে এটিই জনগণের কাছে তাদের প্রতিশ্রুতি।
বৈঠক সূত্র বলছে, তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কথা বলেন। তিনি ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আলোচনায় অংশ নেন। ১২ দলীয় জোটের পক্ষে মোস্তফা জামাল হায়দার ও শাহাদাত হোসেন সেলিম বক্তব্য দেন। সমমনা জোটের ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির পক্ষে রেদোয়ান আহমেদ এবং লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বৈঠকে বক্তব্য দেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, আলোচনায় বিএনপির সমমনা ২ দল ও ২ জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন সামনে রেখে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। তাঁর উদ্দেশে বলা হয়, আগামী নির্বাচন জোটগত বা যেভাবেই হোক, সেখানে যেন শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকার আলোকে মূল্যায়ন করা হয়।
তবে নির্বাচনে শরিকদের জন্য আসনবণ্টন নিয়ে কিছু বলেননি তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে এবং নির্বাচনীপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যুগপৎ আন্দোলনে যারা ছিল, বিগত দিনগুলোতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা ঐক্যবদ্ধ থেকেছে, মাঠে আন্দোলন করেছে, আগামী দিনেও তারা যেন সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকে।
১২ দলীয় জোটের নেতা ও বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন—নির্বাচন এবং সরকার গঠনের প্রশ্নে বিএনপির যে প্রতিশ্রুতি, সে প্রতিশ্রুতি থেকে শষ্যকণা পরিমাণও বিএনপি সরবে না।’
মূলত লন্ডন বৈঠকের পরই আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিকে ধরে নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ শুরু করে বিএনপি। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পথরেখা দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতির চলমান কার্যক্রমে আরও গতি এসেছে। দলের মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। প্রার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হিসেবে চলছে জরিপের কাজও।
দলীয় সূত্র বলছে, শরিকদের জন্য অন্তত ৬০-৭০টি আসন রেখে বাকি আসনগুলোর জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ চলছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে দলের মহাসচিবসহ অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জনের মতো জ্যেষ্ঠ ও ডাকসাইটে নেতার প্রার্থিতা মোটামুটি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্য যে আসনগুলো রয়েছে, সেখানে প্রতিটির বিপরীতে তিনজন করে প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য যোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এ ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, শিক্ষাগতসহ বিভিন্ন যোগ্যতা বিচার করা হবে। এদিকে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থেকেও ৫ আগস্ট-পরবর্তী ভূমিকার জন্য তালিকা থেকে অনেকে ছিটকে গেছেন বলেও জানা গেছে।
আগামী নির্বাচনে কেমন প্রার্থী চাচ্ছে বিএনপি—এমন প্রশ্নে দলটির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও আগামী সংসদ নির্বাচন ‘কঠিন হবে’ ধরে নিয়েই প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার বিচারে যাঁরা এগিয়ে থাকবেন, তাঁরাই শেষ বিচারে দলের মনোনয়ন পাবেন।
তবে বিএনপি সমমনা দলের সঙ্গে জোট করবে কি না, তার ঘোষণা এখনো আসেনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সমমনাদের নিয়ে জোট হতে পারে। তিনি বলেন, ‘যারা যুগপৎ জুলাই আন্দোলন করেছে, আমরা তাদের নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। আমাদের সমমনা যারা আছে, যাদের নিলে একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পারব, সে হিসেবে আমাদের জোট গঠনের চেষ্টা হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের জোট গঠনের কোনো পরিকল্পনা ঘোষিত হয়নি। তবে জোট করব না, এমনও নয়।’

আলোচিত লন্ডন বৈঠকের পরপরই আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ধরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল বিএনপি। এর মধ্যে ভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার পরপরই সে প্রস্তুতির গতি আরও বেড়েছে। এর অংশ হিসেবে সমমনা দল ও জোটগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রথম দিন গতকাল শুক্রবার তিনি বৈঠক করেন ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং লেবার পার্টির নেতাদের সঙ্গে। এ সময় তারেক রহমান সমমনা দল ও জোটগুলোকে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান জানান বলে জানা গেছে।
রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় হয়। বেলা ৩টায় শুরু হয়ে চলে পৌনে ৫টা পর্যন্ত।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক নেতা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান। তাঁদের একজন নাম প্রকাশ না করে বলেন, সমমনা দল ও জোটগুলোকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, যার যার অবস্থান থেকে সর্বশক্তি নিয়ে এখন মাঠে নামতে হবে। ৩১ দফাকে জনগণের সামনে নিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনে এটিই জনগণের কাছে তাদের প্রতিশ্রুতি।
বৈঠক সূত্র বলছে, তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কথা বলেন। তিনি ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আলোচনায় অংশ নেন। ১২ দলীয় জোটের পক্ষে মোস্তফা জামাল হায়দার ও শাহাদাত হোসেন সেলিম বক্তব্য দেন। সমমনা জোটের ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির পক্ষে রেদোয়ান আহমেদ এবং লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বৈঠকে বক্তব্য দেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, আলোচনায় বিএনপির সমমনা ২ দল ও ২ জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন সামনে রেখে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। তাঁর উদ্দেশে বলা হয়, আগামী নির্বাচন জোটগত বা যেভাবেই হোক, সেখানে যেন শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকার আলোকে মূল্যায়ন করা হয়।
তবে নির্বাচনে শরিকদের জন্য আসনবণ্টন নিয়ে কিছু বলেননি তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে এবং নির্বাচনীপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যুগপৎ আন্দোলনে যারা ছিল, বিগত দিনগুলোতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা ঐক্যবদ্ধ থেকেছে, মাঠে আন্দোলন করেছে, আগামী দিনেও তারা যেন সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকে।
১২ দলীয় জোটের নেতা ও বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন—নির্বাচন এবং সরকার গঠনের প্রশ্নে বিএনপির যে প্রতিশ্রুতি, সে প্রতিশ্রুতি থেকে শষ্যকণা পরিমাণও বিএনপি সরবে না।’
মূলত লন্ডন বৈঠকের পরই আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিকে ধরে নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ শুরু করে বিএনপি। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পথরেখা দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতির চলমান কার্যক্রমে আরও গতি এসেছে। দলের মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। প্রার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হিসেবে চলছে জরিপের কাজও।
দলীয় সূত্র বলছে, শরিকদের জন্য অন্তত ৬০-৭০টি আসন রেখে বাকি আসনগুলোর জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ চলছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে দলের মহাসচিবসহ অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জনের মতো জ্যেষ্ঠ ও ডাকসাইটে নেতার প্রার্থিতা মোটামুটি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্য যে আসনগুলো রয়েছে, সেখানে প্রতিটির বিপরীতে তিনজন করে প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য যোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এ ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, শিক্ষাগতসহ বিভিন্ন যোগ্যতা বিচার করা হবে। এদিকে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থেকেও ৫ আগস্ট-পরবর্তী ভূমিকার জন্য তালিকা থেকে অনেকে ছিটকে গেছেন বলেও জানা গেছে।
আগামী নির্বাচনে কেমন প্রার্থী চাচ্ছে বিএনপি—এমন প্রশ্নে দলটির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও আগামী সংসদ নির্বাচন ‘কঠিন হবে’ ধরে নিয়েই প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার বিচারে যাঁরা এগিয়ে থাকবেন, তাঁরাই শেষ বিচারে দলের মনোনয়ন পাবেন।
তবে বিএনপি সমমনা দলের সঙ্গে জোট করবে কি না, তার ঘোষণা এখনো আসেনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সমমনাদের নিয়ে জোট হতে পারে। তিনি বলেন, ‘যারা যুগপৎ জুলাই আন্দোলন করেছে, আমরা তাদের নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। আমাদের সমমনা যারা আছে, যাদের নিলে একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পারব, সে হিসেবে আমাদের জোট গঠনের চেষ্টা হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের জোট গঠনের কোনো পরিকল্পনা ঘোষিত হয়নি। তবে জোট করব না, এমনও নয়।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে