চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জামায়াতে ইসলামীর ‘জন্মদাতা’ আখ্যা দিয়েছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সিরহাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় কামরুল হুদা ওই মন্তব্য করেন। রাতেই তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘জিয়াউর রহমানের নাম মুখে নিলে বেহেশত নিশ্চিত’ বলে এর আগে মন্তব্য করে ঝড় তোলেন কামরুল হুদা।
সম্মেলনে কামরুল হুদা বলেন, ‘বিএনপির শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জামায়াতের জন্মদাতা বা পিতা। ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন, সেই জন্মদাতার সাথে তারা বেইমানি করেছে। জন্মদাতার ছবি রাস্তায় ফেলে পদদলিত করেছে জায়ামাতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনের ছেলেরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা (জামায়াত) আমার নেতা তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়েছে। দেশমাতাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়েছে। এদেরকে আমরা ভোট দিতে পারি না। এরা ধর্মের কথা বলে বেহেশতের সার্টিফিকেট বিক্রি করে। এদের থেকে সাবধান হবেন।’
এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কামরুল হুদা বলেছিলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নাম মুখে নিলে বেহেশত নিশ্চিত।’ তাঁর ওই বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ভাইরাল হওয়া বক্তব্যে কামরুল হুদাকে বলতে শোনা যায়, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম প্রতিদিন নিলেই বেহেশত নিশ্চিত, আমি বিশ্বাস করি। কারণ, উনি দেশের জনগণের সঙ্গে হঠকারিতা করেননি।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জামায়াতে ইসলামীর ‘জন্মদাতা’ আখ্যা দিয়েছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সিরহাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় কামরুল হুদা ওই মন্তব্য করেন। রাতেই তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘জিয়াউর রহমানের নাম মুখে নিলে বেহেশত নিশ্চিত’ বলে এর আগে মন্তব্য করে ঝড় তোলেন কামরুল হুদা।
সম্মেলনে কামরুল হুদা বলেন, ‘বিএনপির শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জামায়াতের জন্মদাতা বা পিতা। ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন, সেই জন্মদাতার সাথে তারা বেইমানি করেছে। জন্মদাতার ছবি রাস্তায় ফেলে পদদলিত করেছে জায়ামাতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনের ছেলেরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা (জামায়াত) আমার নেতা তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়েছে। দেশমাতাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়েছে। এদেরকে আমরা ভোট দিতে পারি না। এরা ধর্মের কথা বলে বেহেশতের সার্টিফিকেট বিক্রি করে। এদের থেকে সাবধান হবেন।’
এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কামরুল হুদা বলেছিলেন, ‘জিয়াউর রহমানের নাম মুখে নিলে বেহেশত নিশ্চিত।’ তাঁর ওই বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ভাইরাল হওয়া বক্তব্যে কামরুল হুদাকে বলতে শোনা যায়, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম প্রতিদিন নিলেই বেহেশত নিশ্চিত, আমি বিশ্বাস করি। কারণ, উনি দেশের জনগণের সঙ্গে হঠকারিতা করেননি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৭ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে