নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার স্পষ্ট ঘোষণা দিলেও এখনো তাদের জন্য আলোচনার দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো জোটে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে কি না, জানতে চাইলে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আমরা সব সময় বলেছি, আমাদের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। এখনো আমাদের সেই একই বার্তা রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জুবায়ের বলেন, আজ সকাল ৯টা থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধিবেশন চলছে। আজকের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণার সূচি, ২২ তারিখ থেকে আমাদের নির্বাচনী প্রচার কাজ আরম্ভ হবে।
আজকের বৈঠকে বিস্তারিত পরিকল্পনা, অর্থাৎ কোন জেলায়, কোন আসনে কখন আমরা যাব এবং কে কে সঙ্গে থাকবেন—তার একটি খসড়া প্রস্তাব আজ চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি।
আজকের বৈঠকে জামায়াতের ইশতেহারটিও চূড়ান্ত হবে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সুবিধাজনক সময়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা এটি জাতির কাছে উপস্থাপন করব।’
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম বেশ কিছু “পলিসি পেপার” তৈরি করেছেন। জনগণের ভোটে যদি আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাই, তবে আমাদের কর্মপন্থা কী হবে, তা এখানে বিস্তারিত থাকছে। বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যরা আজ সেগুলো পেশ করছেন এবং আজকের বৈঠকে তা চূড়ান্ত হবে। পরবর্তী সময়ে এগুলো আমাদের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যাবে।’
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জাতীয় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, যেমন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে যেহেতু সময় খুব কম, তাই আমরা চেষ্টা করছি দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে আজকের এই বৈঠকে সব এজেন্ডা চূড়ান্ত করার।
অবশিষ্ট ৪৭ আসনের বিষয়ে আইনজীবী জুবায়ের বলেন, ‘আমরা ৪৭টি আসন রেখেছিলাম। এ বিষয়ে আমাদের একটি লিয়াজোঁ কমিটি আছে। তাঁরা আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছালে আমরা আপনাদের তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার স্পষ্ট ঘোষণা দিলেও এখনো তাদের জন্য আলোচনার দরজা উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো জোটে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে কি না, জানতে চাইলে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আমরা সব সময় বলেছি, আমাদের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। এখনো আমাদের সেই একই বার্তা রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জুবায়ের বলেন, আজ সকাল ৯টা থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধিবেশন চলছে। আজকের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণার সূচি, ২২ তারিখ থেকে আমাদের নির্বাচনী প্রচার কাজ আরম্ভ হবে।
আজকের বৈঠকে বিস্তারিত পরিকল্পনা, অর্থাৎ কোন জেলায়, কোন আসনে কখন আমরা যাব এবং কে কে সঙ্গে থাকবেন—তার একটি খসড়া প্রস্তাব আজ চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি।
আজকের বৈঠকে জামায়াতের ইশতেহারটিও চূড়ান্ত হবে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সুবিধাজনক সময়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা এটি জাতির কাছে উপস্থাপন করব।’
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, ‘একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম বেশ কিছু “পলিসি পেপার” তৈরি করেছেন। জনগণের ভোটে যদি আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাই, তবে আমাদের কর্মপন্থা কী হবে, তা এখানে বিস্তারিত থাকছে। বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যরা আজ সেগুলো পেশ করছেন এবং আজকের বৈঠকে তা চূড়ান্ত হবে। পরবর্তী সময়ে এগুলো আমাদের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যাবে।’
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জাতীয় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, যেমন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে যেহেতু সময় খুব কম, তাই আমরা চেষ্টা করছি দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে আজকের এই বৈঠকে সব এজেন্ডা চূড়ান্ত করার।
অবশিষ্ট ৪৭ আসনের বিষয়ে আইনজীবী জুবায়ের বলেন, ‘আমরা ৪৭টি আসন রেখেছিলাম। এ বিষয়ে আমাদের একটি লিয়াজোঁ কমিটি আছে। তাঁরা আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছালে আমরা আপনাদের তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী এক মহান রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসেন তাঁরা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে