
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠা করা জাতীয় পার্টির (জাপা) হাল ধরবেন তাঁর সন্তানেরাই। তাঁরা জাপার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। সামনে চমকের পর চমক আসছে। এমনটাই জানিয়েছেন এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক। তিনি বলেছেন, ‘পিতার চেয়ারে শুধু ছেলেদের শোভা পায়। একমাত্র ছেলেরাই পারবে পিতার নাম বহন করতে। অন্য কেউ নয়। সাদ, এরিক এরাই হবে আগামী দিনে লাঙ্গলের ধারক ও বাহক।’
জাতীয় পার্টির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টি (বিদিশা) পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভায় বিদিশা এসব কথা বলেন।
আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে প্রেসিডেন্ট পার্কে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে এরশাদপুত্র এরিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
নতুন বছরে চমকের পর চমক আসছে জানিয়ে পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিদিশা বলেন, ‘২০২২-এ নতুনরূপে সাজবে জাতীয় পার্টি। গুটি গুটি পায়ে আমি ও এরিক জাতীয় পার্টির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার পথচলা শুরু করেছিলাম। এখন অনেক লোক আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। অপেক্ষা করুন, চমকের পর চমক আসছে সামনে। জাতি সেই চমক দেখার অপেক্ষায় আছে।’
দেশের ৩০ জেলায় কমিটি হয়েছে জানিয়ে বিদিশা বলেন, ‘৬৪ জেলায় কমিটি হওয়ার পরে ঢাকায় বড় কর্মসূচি দেওয়া হবে। এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পার্টির তৃণমূল তাদের নেতা নির্বাচন করবে। পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় অনেকে আসবে আবার চলে যাবে। কিন্তু পার্টি তার নিজ গতিতেই চলবে। আমার দরজা সবার জন্য খোলা আছে।’
এরশাদের স্ত্রী ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের প্রসঙ্গ টেনে বিদিশা বলেন, ‘বেগম রওশন এরশাদ এখনো জীবিত আছেন, আগের চাইতে বেশ সুস্থ আছেন তিনি। আর এরই মধ্যে পোস্টার থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান।’
গত ১৪ জুলাই এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে জাতীয় পার্টির ‘নতুন কমিটি’ ঘোষণা করেন এরিক এরশাদ। কমিটির চেয়ারপারসন হিসেবে রওশন এরশাদ এবং কো-চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর ছেলে সাদ এরশাদের নাম ঘোষণা করেন এরিক। রওশন এরশাদের অসুস্থতার কথা বলে ৪ নভেম্বর কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হন বিদিশা।

দেশের আর্থিক অবস্থা নাজুক বলে দাবি করেছে বিরোধী দল। তাদের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলে সবার ওপর প্রভাব পড়বে। শনিবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন অভিমত দিয়েছেন কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সাইফুল আলম খান মিলন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে...
৩ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল প্রথমে বলেছিল জ্বালানিসংকটের কারণে লংমার্চ করবে, অথচ এই কর্মসূচিতেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পোড়ানো হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে তারা দাবি তুলল গণরায় বাস্তবায়নের। একদিকে তারা সংবিধান সংশোধনী কমিটির আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সেখানে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকছে, অন্যদিকে লংমার্চে...
৫ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ বছর লড়াই করতে করতে জনগণের রায় নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাস পার হচ্ছে। এখনই আন্দোলন শুরু করেছেন, এটা ঠিক না। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে জনগণের সাড়া নেই। এই লংমার্চে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছে। দেশের মানুষ আপনাদের লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেনি
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। অবশ্যই দেশনেত্রীর মৃত্যু স্বাভাবিক, বেগম খালেদা জিয়াকে কেউ হত্যা না করলেও যেভাবে মারা গেছেন, সেটি আমাদের কারও কাম্য ছিল না।’
৭ ঘণ্টা আগে