নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চারদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি বলেছেন, এখন চারদিকে ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্র ঘুরতেছে ডানে-বাঁয়ে। শেখ হাসিনাকে হত্যা করে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরেরা বাংলাদেশের ইতিহাসকে আবারও পাকিস্তানের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে।’
আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে ১৯ বার। এখনো তাকে বুলেট তাড়া করে বেড়ায়। তারা (বিএনপি, জামায়াত, শিবির) নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে এই উন্নয়নশীল সরকারকে উৎখাত করতে চায়।’ ২০২৩ সালের নির্বাচন সফল করতে বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধৈর্যসহকারে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে বঙ্গবন্ধুর সুখ-দুঃখের সাথি উল্লেখ করে মায়া বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণের আগে অনেকেই বঙ্গবন্ধুকে অনেক কিছু বলার কথা বলেছেন। কিন্তু বঙ্গমাতা তাঁর কাছে গিয়ে বলেছিলেন, তোমার মনে যা চায়, মানুষের জন্য যা বলার দরকার তুমি তাই বলবে। সেই কথার ওপর ভিত্তি করেই সেদিন বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণ দিয়েছিলেন। এই পরামর্শটা একমাত্র তিনিই দিতে পারেন, যিনি একজন বিচক্ষণ ব্যক্তি। বেগম মুজিব ছিলেন রাজনৈতিকভাবে একজন বিচক্ষণ ও বিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছাকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারের আর্থিক বিষয় থেকে শুরু করে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁর যে কমিটমেন্ট, তা বর্ণনাতীত। বঙ্গবন্ধুর কারাবন্দী জীবনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের একটি সেতু তিনি স্থাপন করেছিলেন। ওই সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তিনি আদান-প্রদান করেছেন। ৭ মার্চের গণ-আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনেই তাঁর সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা ছিল।’ তিনি না থাকলে রাষ্ট্রীয়ভাবে গণ-অভ্যুদয় সম্ভব হতো না বলে মন্তব্য করেন মহিবুল হাসান চৌধুরী।

চারদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি বলেছেন, এখন চারদিকে ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্র ঘুরতেছে ডানে-বাঁয়ে। শেখ হাসিনাকে হত্যা করে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরেরা বাংলাদেশের ইতিহাসকে আবারও পাকিস্তানের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে।’
আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে ১৯ বার। এখনো তাকে বুলেট তাড়া করে বেড়ায়। তারা (বিএনপি, জামায়াত, শিবির) নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে এই উন্নয়নশীল সরকারকে উৎখাত করতে চায়।’ ২০২৩ সালের নির্বাচন সফল করতে বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধৈর্যসহকারে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে বঙ্গবন্ধুর সুখ-দুঃখের সাথি উল্লেখ করে মায়া বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণের আগে অনেকেই বঙ্গবন্ধুকে অনেক কিছু বলার কথা বলেছেন। কিন্তু বঙ্গমাতা তাঁর কাছে গিয়ে বলেছিলেন, তোমার মনে যা চায়, মানুষের জন্য যা বলার দরকার তুমি তাই বলবে। সেই কথার ওপর ভিত্তি করেই সেদিন বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণ দিয়েছিলেন। এই পরামর্শটা একমাত্র তিনিই দিতে পারেন, যিনি একজন বিচক্ষণ ব্যক্তি। বেগম মুজিব ছিলেন রাজনৈতিকভাবে একজন বিচক্ষণ ও বিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছাকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারের আর্থিক বিষয় থেকে শুরু করে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁর যে কমিটমেন্ট, তা বর্ণনাতীত। বঙ্গবন্ধুর কারাবন্দী জীবনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের একটি সেতু তিনি স্থাপন করেছিলেন। ওই সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তিনি আদান-প্রদান করেছেন। ৭ মার্চের গণ-আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনেই তাঁর সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা ছিল।’ তিনি না থাকলে রাষ্ট্রীয়ভাবে গণ-অভ্যুদয় সম্ভব হতো না বলে মন্তব্য করেন মহিবুল হাসান চৌধুরী।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১০ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১০ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১০ ঘণ্টা আগে