
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঈদগাহ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় নাহিদ এই হুঁশিয়ারি দেন।
এর আগে গতকাল রোববার নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে নির্দেশনা জারি করে। সেখানে জানানো হয়, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিশ ইনচার্জ, আনসার, সাধারণ আনসার বা ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ফোন রাখতে পারবেন। অন্যদের সঙ্গে ফোন রাখা যাবে না।
এই নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কার প্ল্যান, কার পরিকল্পনা মোতাবেক ইলেকশন কমিশন কাজ করছে, এটা জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি, আজকে সন্ধ্যার মধ্যে, দিনের আলো থাকতে থাকতে এই বিধিবিধান পরিবর্তন করেন। আগামীকাল না হলে ইলেকশন কমিশন ঘেরাও হবে।’
নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে এনসিপি আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আমরা এত দিন কিছু বলি নাই। সব সহ্য করে গিয়েছি। ইলেকশনের দ্বারপ্রান্তে এসে এই ধরনের ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া, মানুষের কণ্ঠস্বর, মানুষের তথ্য অধিকারকে রোধ করে দেওয়ার কোনো আইন করা হলে, সেই আইন মেনে নেওয়া হবে না।’
নাহিদ জানান, তাঁদের প্রতিনিধিরা আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে নাহিদ বলেন, ‘ইলেকশন কমিশনকে বলছি, এত দিন যা করেছেন, করেছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, ফ্যাসিস্ট আমলের ইলেকশন কমিশনের যেই পরিণতি হয়েছিল, তার থেকেও ভয়াবহ পরিণতি হবে এই ইলেকশন কমিশনের।’
প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীকেও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান নাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব আপনারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে পালন করবেন। বাংলাদেশের জনগণের অধিকার রক্ষা করবেন। গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করবেন। মনে রাখবেন গণ-অভ্যুত্থানের হাজারো শহীদের, হাজারো মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে এই নির্বাচন হচ্ছে। এর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের কোনো দিন ক্ষমা করবে না, করবে না, করবে না।’
ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে প্রতিহত করা হবে হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে থাকব। ভোটকেন্দ্র যদি দখলের চেষ্টা করা হয়, ইনশা আল্লাহ শক্ত হাতে লাঠি হাতে তরুণ সমাজ প্রতিহত করবে।’
মোহাম্মদপুরবাসীকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের রিকশা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ’মোহাম্মদপুরবাসী রিকশা মার্কাকে জয়যুক্ত করে ফ্যাসিবাদবিরোধী, কারা নির্যাতিত আলেমকে জয়যুক্ত করে ইসলামের পক্ষে ভোট দেবেন। গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে, সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়ে আল্লামা মামুনুল হককে আপনারা আগামী সংসদে পাঠাবেন। আমরা ইনসাফের পক্ষে, দুর্নীতির বিপক্ষে, সংস্কারের পক্ষে, আধিপত্যবাদের বিপক্ষে নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আমরা অনুরোধ করেছিলাম যে এই সংসদে যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল, যারা খুনের সহযোগী ছিল, তারা কেউ যেন এখানে কোনো বক্তব্য রাখতে না পারে। এই রাষ্ট্রপতি তিন কারণে অপরাধী, তাঁর বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
এ সময় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিন শব্দের একটি পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘Get out Chuppu.’
৩ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনসহ তিন দাবিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জাতীয় সংসদ ভবনের প্রবেশপথে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে পুরোনো রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন শুরু করতে হবে। তা না হলে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে