
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সকল গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দলীয়করণ বন্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে রাজধানীতে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আগামী ১৪ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টনের মুক্তাঙ্গন এলাকায় একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃহত্তর গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ১৪ নভেম্বর শনিবার রাজধানীতে মহাসমাবেশ করা হবে।
এ ছাড়া আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসব্যাপী দেশের গুরুত্বপূর্ণ চারটি বিভাগ অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে দলগুলোর পক্ষ থেকে। তারা জানায়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট মার্চ করা হবে।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে যার যার ধর্ম সে নির্বিঘ্নে পালন করবে। পূজা এলেই নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আসে। আমরা এমন একটি দিন চাই, যেদিন নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের আলাদাভাবে ভাবতে হবে না। আশঙ্কামুক্ত পরিবেশে বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ তাঁদের ধর্মীয় উৎসব পালন করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। রাজনৈতিক দল
২৩ মিনিট আগে
রাজনৈতিক অঙ্গনকে আবারও অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের লংমার্চের উদ্দেশ্য কী? সরকারি দল তাদের কোনো রকম গ্রেপ্তার-নিপীড়ন করেনি, যা হাসিনার আমলে করা হতো।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধী দলকে সংবিধান সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে বাইরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৪ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস। মির্জা আব্বাসের সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল তাঁর দেশে ফেরার
২১ ঘণ্টা আগে