নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। আবারও তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা জানান। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গতকালও (মঙ্গলবার) হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সব চিকিৎসকও সেখানে ছিলেন। তিনি (খালেদা জিয়া) আবারও সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছেন। আবার তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’
গত ১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন খালেদা জিয়া। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চিকিৎসকেরা খুব পরিষ্কার করে বলেছেন, তাঁর (খালেদা জিয়া) জীবন রক্ষার জন্য এক মুহূর্ত দেরি না করে তাঁকে উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানোর প্রয়োজন। কিন্তু সরকার প্রথম থেকেই এই বিষয়টাতে একটা নেতিবাচক অবস্থান নিয়ে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না।’
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, খালেদা জিয়া সুস্থ অবস্থায় হেঁটে কারাগারে গিয়েছিলেন। এই কয়েক বছরে কারাগারে থাকার সময় তাঁর চিকিৎসা না হওয়ায় আজকে তাঁর এমন অবস্থা হয়েছে। সরকার খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। কারণ তিনিই একমাত্র নেতা, যিনি দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য কথা বলেন। এ কারণেই তাঁর চিকিৎসায় সরকারের এত অনীহা বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। আবারও তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা জানান। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গতকালও (মঙ্গলবার) হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সব চিকিৎসকও সেখানে ছিলেন। তিনি (খালেদা জিয়া) আবারও সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছেন। আবার তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’
গত ১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন খালেদা জিয়া। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চিকিৎসকেরা খুব পরিষ্কার করে বলেছেন, তাঁর (খালেদা জিয়া) জীবন রক্ষার জন্য এক মুহূর্ত দেরি না করে তাঁকে উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানোর প্রয়োজন। কিন্তু সরকার প্রথম থেকেই এই বিষয়টাতে একটা নেতিবাচক অবস্থান নিয়ে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না।’
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, খালেদা জিয়া সুস্থ অবস্থায় হেঁটে কারাগারে গিয়েছিলেন। এই কয়েক বছরে কারাগারে থাকার সময় তাঁর চিকিৎসা না হওয়ায় আজকে তাঁর এমন অবস্থা হয়েছে। সরকার খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। কারণ তিনিই একমাত্র নেতা, যিনি দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য কথা বলেন। এ কারণেই তাঁর চিকিৎসায় সরকারের এত অনীহা বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।

২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছাবাণী পাঠানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায়...
১৬ মিনিট আগে
তিনি আরও বলেন,‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে যে আবেগ কাজ করছে, সেই আবেগ নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে।’
৩৪ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের কূটনৈতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ‘গোপন বৈঠক’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
৪ ঘণ্টা আগে