নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নামের আগে ‘মাননীয়’ বলতে বারণ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার বনানীর হোটেল শেরাটনে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই অনুরোধ করেন। তারেক রহমান বলেন, ‘আমার নামের আগে “মাননীয়” বলবেন না।’
শুভেচ্ছা বিনিময়ের ওই অনুষ্ঠানে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে তাঁর কাছে নিজেদের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তাঁরা।
যথাসময়ে অনুষ্ঠানস্থলে এসে মঞ্চে ওঠার আগেই সাংবাদিকদের সঙ্গে করমর্দন এবং কুশলাদি বিনিময় করেন তারেক রহমান। মঞ্চে ওঠার সময় লাল ফিতা দিয়ে ঘেরা বেষ্টনী দেখে থেমে যান তিনি এবং সরিয়ে নিতে বলেন। এরপর ওই বেষ্টনী সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর মঞ্চে ওঠার পর শুরু হয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের বক্তৃতাপর্ব। এ সময় সাংবাদিকদের কেউ কেউ তারেক রহমানকে মাননীয় বলে সম্বোধন করলে তিনি মাইক নিয়ে বলেন, ‘আমার নামের আগে মাননীয় বলবেন না।’
সবাইকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানিয়ে যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, ‘আমি শুধু জনাব তারেক রহমানকে জানিয়ে রাখতে চাই, তিনি নিজেও জানেন না যে তিনি কী? তারেক জানেন না, তিনি আসলেই কত জনপ্রিয়।’
শফিক রেহমান আরও বলেন, ‘এখন দেখছি, তারেক রহমান সময় মেইনটেইন করছেন। আমি লক্ষ করছি, তাঁর ওপর কিছু বিলাতি প্রভাব পড়েছে। আমি বলব, তিনি একজন পরিবর্তিত মানুষ হয়ে গেছেন। এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।’
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ‘আপনি চেয়ারম্যান হলেন। আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, আপনাদের শুভকামনা, সুস্বাস্থ্য কামনা এবং আপনার সর্বস্তরের সাফল্য কামনা করছি। আমরা গণতন্ত্র চাই, স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই এবং সুশাসন চাই।’
মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমি এক তারেক রহমানকে চিনতাম ২৩ বছর আগে। আমি প্রথম ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। আমি এখন দেখি, ২৩ বছর বাদে তারেক রহমান বদলে গেছেন, আমূল পরিবর্তন হয়ে গেছে তাঁর মধ্যে।’
নিউ এজ সম্পাদক ও এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি নূরুল কবীর বলেন, ‘আমরা যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে সমাজ এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর চাই, অবশ্যই গণতান্ত্রিক রাজনীতির পাশাপাশি একটা গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ থাকতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল যদি বিশ্বাস করে মানুষকে বলেন যে তারা গণতান্ত্রিক রূপান্তর চান...তাহলে একই সঙ্গে তার দায় দাঁড়ায় সেই গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সহযোগিতা করবার জন্যই গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা।’
তারেক রহমানের উদ্দেশে আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান, আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনি জানেন না, এখানে কী হয়েছে। আপনার বিশিষ্ট লোকজন আপনাকে যা বলেছে, এটাই আপনি শুনেছেন। এখন যারা মিডিয়ার নতুন বন্ধুরা আপনাকে যেটা বলছে, সেটাই আপনি শুনছেন এবং আপনি মনে করছেন, এটাই বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস। না, এটা ১৭ বছরের ইতিহাস না।’
কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ বলেন, ‘আজকে এখানে আপনি (তারেক রহমান) মিলিত হয়েছেন। এটা ভালো। ঘন ঘন ইন্টার্যাকশন হলে আপনারা উপকৃত হবেন, আমরা উপকৃত হব। আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই। সবাই আমরা দেশপ্রেমিক, সবাই আমরা দেশের ভালো চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য সাংঘর্ষিক নয়, আমরা পরিপূরক, আমরা ওয়াচডগ হিসেবে বস্তুনিষ্ঠভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আপনাদের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে চাই।’
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, ‘আপনি আসতে পেরেছেন? স্বপ্ন নিয়ে এসেছেন, একটা পরিকল্পনার কথা বলেছেন, পরিকল্পনা আছে আপনার। আমি শুধু বলতে চাই, আপনার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক, পরিকল্পনাটা বাস্তবায়িত হোক। আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই, অভিনন্দন জানাই, ভালো থাকুন।’
এই অনুষ্ঠানে সম্পাদকদের মধ্যে আরও ছিলেন দৈনিক ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দীন, যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ইনাম আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, বণিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের মো. রেজাউল করিম, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকণ্ঠের শহীদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নামের আগে ‘মাননীয়’ বলতে বারণ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার বনানীর হোটেল শেরাটনে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই অনুরোধ করেন। তারেক রহমান বলেন, ‘আমার নামের আগে “মাননীয়” বলবেন না।’
শুভেচ্ছা বিনিময়ের ওই অনুষ্ঠানে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে তাঁর কাছে নিজেদের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তাঁরা।
যথাসময়ে অনুষ্ঠানস্থলে এসে মঞ্চে ওঠার আগেই সাংবাদিকদের সঙ্গে করমর্দন এবং কুশলাদি বিনিময় করেন তারেক রহমান। মঞ্চে ওঠার সময় লাল ফিতা দিয়ে ঘেরা বেষ্টনী দেখে থেমে যান তিনি এবং সরিয়ে নিতে বলেন। এরপর ওই বেষ্টনী সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর মঞ্চে ওঠার পর শুরু হয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের বক্তৃতাপর্ব। এ সময় সাংবাদিকদের কেউ কেউ তারেক রহমানকে মাননীয় বলে সম্বোধন করলে তিনি মাইক নিয়ে বলেন, ‘আমার নামের আগে মাননীয় বলবেন না।’
সবাইকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানিয়ে যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, ‘আমি শুধু জনাব তারেক রহমানকে জানিয়ে রাখতে চাই, তিনি নিজেও জানেন না যে তিনি কী? তারেক জানেন না, তিনি আসলেই কত জনপ্রিয়।’
শফিক রেহমান আরও বলেন, ‘এখন দেখছি, তারেক রহমান সময় মেইনটেইন করছেন। আমি লক্ষ করছি, তাঁর ওপর কিছু বিলাতি প্রভাব পড়েছে। আমি বলব, তিনি একজন পরিবর্তিত মানুষ হয়ে গেছেন। এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।’
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ‘আপনি চেয়ারম্যান হলেন। আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, আপনাদের শুভকামনা, সুস্বাস্থ্য কামনা এবং আপনার সর্বস্তরের সাফল্য কামনা করছি। আমরা গণতন্ত্র চাই, স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই এবং সুশাসন চাই।’
মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমি এক তারেক রহমানকে চিনতাম ২৩ বছর আগে। আমি প্রথম ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। আমি এখন দেখি, ২৩ বছর বাদে তারেক রহমান বদলে গেছেন, আমূল পরিবর্তন হয়ে গেছে তাঁর মধ্যে।’
নিউ এজ সম্পাদক ও এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি নূরুল কবীর বলেন, ‘আমরা যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে সমাজ এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর চাই, অবশ্যই গণতান্ত্রিক রাজনীতির পাশাপাশি একটা গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ থাকতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল যদি বিশ্বাস করে মানুষকে বলেন যে তারা গণতান্ত্রিক রূপান্তর চান...তাহলে একই সঙ্গে তার দায় দাঁড়ায় সেই গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সহযোগিতা করবার জন্যই গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা।’
তারেক রহমানের উদ্দেশে আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান, আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনি জানেন না, এখানে কী হয়েছে। আপনার বিশিষ্ট লোকজন আপনাকে যা বলেছে, এটাই আপনি শুনেছেন। এখন যারা মিডিয়ার নতুন বন্ধুরা আপনাকে যেটা বলছে, সেটাই আপনি শুনছেন এবং আপনি মনে করছেন, এটাই বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস। না, এটা ১৭ বছরের ইতিহাস না।’
কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ বলেন, ‘আজকে এখানে আপনি (তারেক রহমান) মিলিত হয়েছেন। এটা ভালো। ঘন ঘন ইন্টার্যাকশন হলে আপনারা উপকৃত হবেন, আমরা উপকৃত হব। আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই। সবাই আমরা দেশপ্রেমিক, সবাই আমরা দেশের ভালো চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য সাংঘর্ষিক নয়, আমরা পরিপূরক, আমরা ওয়াচডগ হিসেবে বস্তুনিষ্ঠভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আপনাদের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে চাই।’
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, ‘আপনি আসতে পেরেছেন? স্বপ্ন নিয়ে এসেছেন, একটা পরিকল্পনার কথা বলেছেন, পরিকল্পনা আছে আপনার। আমি শুধু বলতে চাই, আপনার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক, পরিকল্পনাটা বাস্তবায়িত হোক। আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই, অভিনন্দন জানাই, ভালো থাকুন।’
এই অনুষ্ঠানে সম্পাদকদের মধ্যে আরও ছিলেন দৈনিক ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দীন, যুগান্তরের আবদুল হাই শিকদার, সংবাদের আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ইনাম আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, বণিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের মো. রেজাউল করিম, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকণ্ঠের শহীদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈষম্যহীন ব্যবস্থা এবং নতুন আর্থ-রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে নতুন এক রাজনৈতিক শক্তির কথা বলেছেন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। দুই সপ্তাহ ধরে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার পর এই সম্ভাবনার কথা লিখলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩৬ মিনিট আগে
পেশার চেয়ে গোপন উৎসে ৫ গুণেরও বেশি আয় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর। তাঁর স্থাবর কিংবা অস্থাবর কোনো সম্পদের মূল্যও বাড়েনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি এমন তথ্য তুলে ধরেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান
৯ ঘণ্টা আগে
সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া তাসনিম জারাসহ ৫১ জন। গতকাল শনিবার প্রথম দিন ৭০টি আবেদনের শুনানিতে ৫২টি মঞ্জুর করেছে নির্বাচন
১২ ঘণ্টা আগে