
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর তিনটি ফাঁসির দণ্ডসহ এ পর্যন্ত ছয় মামলায় সাজা পেলেন।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার দুর্নীতির অভিযোগে অর্থাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বাবরকে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম এই রায় দিয়েছেন। এই মামলায় দুটি ধারার একটিতে তিন বছর এবং আরেকটিতে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুই ধারার শাস্তি একই সঙ্গে চলবে বিধায় তাকে মোট পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। কিন্তু তিনি ১৩ বছর কারাগারে আছেন। কাজেই এই মামলায় তাঁর সাজা ভোগ করতে হবে না।
এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৭ সালের ২৮ মে গুলশানের বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সে সময় তাঁর অ্যাপার্টমেন্ট তল্লাশি করে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩০০ রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, একটি সোনার হরিণ, একটি ওয়াকিটকি ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ফাইল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত চারটি আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি বাবর। এ অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ২৯ মে গুলশান থানায় অস্ত্র আইনের ১৯-এর ক ও চ ধারায় মামলা হয়। ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দ জাহেদ মনসুর অস্ত্র মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই তাঁর সাজা খাটা শুরু হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের দায়রা আদালত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার ঘটনায় উদ্ভূত দুটি মামলায় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে বাবরকে সাজা দেন। এই ঘটনায় উদ্ভুত বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বাবরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। আর অস্ত্র মামলায় দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে লুৎফুজ্জামান বাবরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। একুশে আগস্ট এর ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাকে এই ঘটনা থেকে উদ্ভূত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আবার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায়ও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
বিচারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত পাঁচ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে লুৎফুজ্জামান বাবর হাইকোর্টে আপিল করেছেন। তার আইনজীবী আমিনুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিপূর্বে পাঁচ মামলার সাজার বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে। দুর্নীতির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।
উল্লেখ্য, হত্যা মামলার এক আসামিকে রক্ষা করার জন্য স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এই দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলার বিচার চলছে লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর তিনটি ফাঁসির দণ্ডসহ এ পর্যন্ত ছয় মামলায় সাজা পেলেন।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার দুর্নীতির অভিযোগে অর্থাৎ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বাবরকে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম এই রায় দিয়েছেন। এই মামলায় দুটি ধারার একটিতে তিন বছর এবং আরেকটিতে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুই ধারার শাস্তি একই সঙ্গে চলবে বিধায় তাকে মোট পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। কিন্তু তিনি ১৩ বছর কারাগারে আছেন। কাজেই এই মামলায় তাঁর সাজা ভোগ করতে হবে না।
এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৭ সালের ২৮ মে গুলশানের বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সে সময় তাঁর অ্যাপার্টমেন্ট তল্লাশি করে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩০০ রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, একটি সোনার হরিণ, একটি ওয়াকিটকি ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ফাইল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত চারটি আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি বাবর। এ অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ২৯ মে গুলশান থানায় অস্ত্র আইনের ১৯-এর ক ও চ ধারায় মামলা হয়। ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দ জাহেদ মনসুর অস্ত্র মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবরকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই তাঁর সাজা খাটা শুরু হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের দায়রা আদালত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার ঘটনায় উদ্ভূত দুটি মামলায় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে বাবরকে সাজা দেন। এই ঘটনায় উদ্ভুত বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বাবরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। আর অস্ত্র মামলায় দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে লুৎফুজ্জামান বাবরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। একুশে আগস্ট এর ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাকে এই ঘটনা থেকে উদ্ভূত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আবার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায়ও তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
বিচারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত পাঁচ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে লুৎফুজ্জামান বাবর হাইকোর্টে আপিল করেছেন। তার আইনজীবী আমিনুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিপূর্বে পাঁচ মামলার সাজার বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে। দুর্নীতির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।
উল্লেখ্য, হত্যা মামলার এক আসামিকে রক্ষা করার জন্য স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এই দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলার বিচার চলছে লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে।

রাত সোয়া ৮টায় বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। গভীর রাতে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন এবং আগামীকাল সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
১৩ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে