Ajker Patrika

বিএনপির বিদ্রোহীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে ব্যবস্থা: নজরুল ইসলাম খান

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ছবি: ফোকাস বাংলা
রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ছবি: ফোকাস বাংলা

তফসিল ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী নেতারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আশা করছি, তাঁরা (বিদ্রোহী প্রার্থী) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন। অনেকে এরই মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন। আমি মনে করি, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার সময়ের মধ্যে এই পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে যাবে। নইলে দল তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’

রাজধানীর জিয়া উদ্যানে আজ শুক্রবার বিকেলে বিএনপির সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কর্মজীবন নিয়ে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি, ঢাকা এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সন্তান তারেক রহমানকে রেখে গেছেন, যিনি বাংলাদেশের এখন অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের রাজনীতির মস্ত বড় অংশীদার। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ তাঁর মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চায় এবং সে জন্যই তাঁকে নিয়ে মানুষের এত আকাঙ্ক্ষা, এত আবেগ।’

নির্বাচনের আগে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণতন্ত্র উত্তরণের পথে সব ভালো কাজের শত্রু থাকে। সব ভালো উদ্যোগের বিরোধিতা থাকে। কাজেই এটা অস্বাভাবিক কিছু না। শত্রুরা চেষ্টা করে, এই ভালো কাজের গতি থামানো না গেলেও যেন ধীর করা যায়। আমি বিশ্বাস করি, এ দেশের মানুষ আন্দোলন-সংগ্রামে পুড়ে খাঁটি সোনা হয়ে গেছে। কাজেই তাদের এসব অপকর্ম করে ঠেকায়া রাখা সম্ভব হবে না।’

অন্তর্বর্তী সরকারকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘একটা নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়া, উন্নত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আমরা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি এটা। সরকারকে আমরা বলেছি, তারা যেন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়। এ ব্যাপারে আমাদের যে সহযোগিতা করা প্রয়োজন, আমরা সেটা করতে রাজি হয়েছি এবং সেটা করছি। কিন্তু দৈনন্দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার দায়িত্ব তো সরকারের। এ ব্যাপারে আমরা সরকারকে আহ্বান জানিয়েছি এবং আবারও আহ্বান জানাব, তারা যেন অত্যন্ত সক্রিয় এবং কৌশলী হয়।’

দেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলগুলো বড় ধরনের জয় পায়। তাদের কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয় ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলগুলো।

এর কারণ সম্পর্কে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘একটা বিষয় বুঝতে হবে, বহু বছর আমাদের যে ছাত্রসংগঠন, তারা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজগুলোতে ঢুকতে পারে নাই। তারা কাজ করতে পারে নাই। কিন্তু যে সংগঠনটা মোটামুটি ভালো ফলাফল করছে, তাদের সম্পর্কে জানেন, তারা তাদের পরিচয় গোপন করে সরকারি দলের সঙ্গে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাজ করেছে। এর সুফল তারা এখন ভোগ করার চেষ্টা করছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আইসিসি থেকে বিসিবি বছরে আসলে কত টাকা পায়

ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে ইরান, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পতুষ্টি করছে বললেন খামেনি

ছয়জনের লিফটে বরসহ ১০ জন উঠে আটকা, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার

‘রাতারাতি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম জাপান—চীনের বিস্ফোরক দাবি

‘নির্বাচন কমিশন ধানের শীষ দিলেও আপত্তি নেই’

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত