
শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যার ঘটনা পুলিশসহ পুরো প্রশাসনের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি অবিলম্বে রেজাউল করিমের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুবায়ের বলেন, ‘আমরা মনে করি, পুরো ঘটনা প্রবাহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রথম মারামারির সময় পুলিশ সহযোগিতা করলে ঘটনাপ্রবাহ এত দূর আসত না। সেটা না করে পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালন করে। তবে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে। এ জন্য আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এ সময় সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হওয়ায় আমরা তাঁর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ও তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, গত কয়েক দিনে সারা দেশে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতভাবে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা ও নিপীড়ন করা হয়েছে। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা প্রশাসনের এই ধরনের এক পাক্ষিক আচরণের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের ব্যর্থতা তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন শেষে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, ‘বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানি ও সরাসরি নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সেখানে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আগেই থেকে জামায়াত ও ১১ দলীয় প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলকে হত্যার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল।’
কর্তব্যরত ইউএনও এবং পুলিশ প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে নীরবতা পালন করেছে—এমন অভিযোগ এনে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘এতে প্রমাণিত হয় প্রশাসন একদিকে হেলে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিছু থাকবে না এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখনই সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বিএনপির সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’
সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম নূরে আলম ও যুববিষয়ক সম্পাদক আমান সুবহান, খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক আবদুল আজিজ খসরু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) প্রকাশনা-বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম জিয়াউল আনোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে এক পক্ষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, কিন্তু আরেকটি পক্ষ আছে, যারা আগে থেকেই তাদের সঙ্গে ছিল। ১৭ বছর তাদের মাঠে-ঘাটে পাওয়া যায়নি। ভেতরে-ভেতরে তাদের সঙ্গেই ছিল। তারা আবারও ভেতরে-ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আগামীকাল শুক্রবার তাদের ইশতেহার ঘোষণা করবে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি লক্ষ করছি, এবারও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার পরিকল্পনা চলছে। সরকারের ভেতরে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা এখনো আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে। তারা চায়, নির্বাচন না হোক আর নির্বাচন হলে যেন বিএনপি জিততে না পারে।’
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পূর্বঘোষিত জামায়াতের নারী সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দলটি থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৭ ঘণ্টা আগে