রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পূর্বঘোষিত জামায়াতের নারী সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দলটি থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার-সহকারী মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘‘মহিলা সমাবেশ’ অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে জানানো হবে, ইনশাআল্লাহ।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে সারা দেশে জামায়াতে ইসলামীর নারী নেতাকর্মীদের হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাকায় সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছিল দলটি। গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ৩১ জানুয়ারি সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের বলেছিলেন, দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণার সময় জামায়াতের মহিলা বিভাগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির পক্ষ থেকে হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতির শিকার হচ্ছেন। এরই প্রতিবাদে মহিলা বিভাগের ব্যানারে এই সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের মহিলা বিভাগের নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য প্রতিবাদ জানাবেন। যদি নির্বাচন কমিশন ও সরকার এতে কর্ণপাত না করে, তবে আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যও এ নিয়ে মাঠে নামবে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে এক পক্ষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, কিন্তু আরেকটি পক্ষ আছে, যারা আগে থেকেই তাদের সঙ্গে ছিল। ১৭ বছর তাদের মাঠে-ঘাটে পাওয়া যায়নি। ভেতরে-ভেতরে তাদের সঙ্গেই ছিল। তারা আবারও ভেতরে-ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আগামীকাল শুক্রবার তাদের ইশতেহার ঘোষণা করবে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি লক্ষ করছি, এবারও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার পরিকল্পনা চলছে। সরকারের ভেতরে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা এখনো আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে। তারা চায়, নির্বাচন না হোক আর নির্বাচন হলে যেন বিএনপি জিততে না পারে।’
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের কারণে সাতজন প্রার্থীকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে সেই অনুরোধ রাখেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে আসনগুলোর ব্যালট পেপারে একই সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও জোটের প্রার্থীদের আলাদা দলীয় প্রতীক থাকবে।
৬ ঘণ্টা আগে