নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শুধু জার্মানি নয়, সব দেশই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়। তারা সবাই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশ-জার্মানির আগামী দিনের সম্পর্ক, তাদের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
আমীর খসরু বলেন, ‘বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে বড় কর্মসূচি হচ্ছে ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। সেই কর্মসূচি সফল করতে দক্ষতা উন্নয়নে আমরা জোর দিচ্ছি। প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আমরা জোর দিচ্ছি এ জন্য যে প্রযুক্তি ছাড়া আসলে অর্থনীতিতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই ক্ষেত্রে জার্মানির সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে আগামী দিনে দক্ষতা উন্নয়ন করতে পারি, সে নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
জার্মান বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘আমরা তাদের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছি। জার্মানরা চীনে বিনিয়োগ করেছে, ভারতেও কিছু বিনিয়োগ করেছে। ইতিমধ্যে তারা মনে করেছে, বাংলাদেশে আগামী দিনে বিনিয়োগের জন্য ভালো জায়গা।’
বিনিয়োগ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বিনিয়োগের পরিবেশ সম্পর্কে বিএনপির কর্মপরিকল্পনা কী হবে, তা ইতিমধ্যে প্রত্যেকটি দূতাবাসে আমরা পাঠিয়েছি। শুধু জার্মান বিনিয়োগ নয়, সব দেশই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়। সবাই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। প্রত্যেকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। শেষ কথা হচ্ছে, যত তাড়াতাড়ি নির্বাচন হয়ে নির্বাচিত সরকার আসবে, যেখানে শর্ট টার্ম, মিড টার্ম, লং টার্ম সিদ্ধান্তগুলো নিতে পারে। সে জন্য তারা অপেক্ষায় আছে একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক নির্বাচিত সরকার হবে।’
জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আমীর খসরু ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শুধু জার্মানি নয়, সব দেশই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়। তারা সবাই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশ-জার্মানির আগামী দিনের সম্পর্ক, তাদের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
আমীর খসরু বলেন, ‘বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে বড় কর্মসূচি হচ্ছে ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। সেই কর্মসূচি সফল করতে দক্ষতা উন্নয়নে আমরা জোর দিচ্ছি। প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আমরা জোর দিচ্ছি এ জন্য যে প্রযুক্তি ছাড়া আসলে অর্থনীতিতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই ক্ষেত্রে জার্মানির সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে আগামী দিনে দক্ষতা উন্নয়ন করতে পারি, সে নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
জার্মান বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘আমরা তাদের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছি। জার্মানরা চীনে বিনিয়োগ করেছে, ভারতেও কিছু বিনিয়োগ করেছে। ইতিমধ্যে তারা মনে করেছে, বাংলাদেশে আগামী দিনে বিনিয়োগের জন্য ভালো জায়গা।’
বিনিয়োগ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বিনিয়োগের পরিবেশ সম্পর্কে বিএনপির কর্মপরিকল্পনা কী হবে, তা ইতিমধ্যে প্রত্যেকটি দূতাবাসে আমরা পাঠিয়েছি। শুধু জার্মান বিনিয়োগ নয়, সব দেশই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়। সবাই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। প্রত্যেকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। শেষ কথা হচ্ছে, যত তাড়াতাড়ি নির্বাচন হয়ে নির্বাচিত সরকার আসবে, যেখানে শর্ট টার্ম, মিড টার্ম, লং টার্ম সিদ্ধান্তগুলো নিতে পারে। সে জন্য তারা অপেক্ষায় আছে একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক নির্বাচিত সরকার হবে।’
জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে আমীর খসরু ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে