আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের সঙ্গে এক নারীর কথোপকথন ফাঁস নিয়ে মুখ খুলেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সাবেক সদস্য শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ নিয়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেন।
ওই পোস্টে জুলাই অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধা সারোয়ার তুষার সম্পর্কে ইমি তিনটি নোট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সারোয়ার তুষারের ফোনালাপে একটা কথা স্পষ্ট যে তাদের ঘনিষ্ঠতা একপাক্ষিক ছিল না। এভাবে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা পাবলিক করাটাও সমর্থনযোগ্য কিছু না। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
১. সমস্যা অসততায়। রাজনীতি বুদ্ধিবৃত্তিক জায়গা বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। যোগ্যতার মাপকাঠিকে খাটে নিয়ে যাওয়া আমাদের বদ্ধমূল অপসংস্কৃতি। নতুন বন্দোবস্তোর কথা বলে ক্ষমতার সুবিধাজনক অবস্থানের প্রিভিলেজ নেয়া লোকের অন্তত আমার কাছে কখনো কোনো সম্মান নেই।
২. এপ্রোচে। রাজনৈতিক অঙ্গনের নারীদেরকে এভেইলএবল মনে করা এবং নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে আলফা মেলদের ‘ফেভারিট’ হওয়ার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি নারীদের রাজনৈতিক অবস্থানকে নিজের দলেই অসম্মানিত করে। এই কারণেই কোনো পুরুষ সহযোদ্ধা ‘লাগাইতে’ চাইলে এমনকি চরম অপ্রস্তুত এবং অসম্মানিত হয়ে পড়তে হয়। নারীদেরকে এইরকম অ্যাভেইলঅ্যাবল মনে করাটা সমস্যা। এটা বদলাতে হবে।
৩. দলীয়ভাবে এনসিপির সমস্যা হচ্ছে, নারীঘটিত ঘটনাগুলো ডিল না করে প্রত্যেকবার তারা এড়িয়ে গেছে কোনো না কোনোভাবে। সম্পত্তির অধিকার এবং ফোনালাপ ইস্যুতে সামান্তা শারমিন যে উত্তর দিয়েছে সেই সামান্তা শারমিন মোটেও আওয়ামী আমলে লড়াই করা সামান্তা শারমিন নয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতি যদি মোরাল গ্রাউন্ড আর মেরুদন্ড দুর্বল করে দেয় তাহলে সার্বিক পরিস্থিতিকে কখনো ভালো বলা যায় না।
আমি এই ব্যাপারে কথা বলসি কারণ রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীদেরকে যেভাবে ট্রিট করা হয় তা চরম অসম্মানজনক এবং অবমাননাকর। নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতার চাইতে ফ্লার্টিং স্কিল আর অপরচুনিস্ট হওয়াটা যদি যোগ্যতার মানদণ্ড হয় তাহলে কখনোই পরিবর্তন আসবে না। শুধু মানুষ বদলাবে, শোষণের চরিত্র বদলাবে না। নিষ্পেষণ বন্ধ হবে না।
এই পোস্ট দেওয়ার কিছু পর তিনি ৩ নম্বর পয়েন্টটি প্রত্যাহার করে নিয়ে আরেকটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টে ইমি লেখেন, ‘সারোয়ার তুষারের স্ক্রিনশট সম্পর্কিত যে সর্বশেষ স্ট্যাটাস তার ৩ নাম্বার পয়েন্টটা আমি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আমাকে ভিক্টিম সরাসরি জানালেন যে, তিনি এই ঘটনার পরে নানানভাবে মানুষজনকে রিচ আউট করে বিষয়টি জানিয়েছেন, কিন্ত কেউই সেই মুহূর্তে তাকে হেল্প করেনাই। ঘটনাটা এড়ায়ে যাওয়ার চেষ্টা করসে সকলেই। ঘটনা যে আজকে লিক হইসে, তার দায়ও আসলে এই কথা সত্যি হইলে ভিক্টিমকে দেওয়ার সুযোগ নাই। আর তিনি যদি রিচ আউট করেই থাকেন, অন্তত আমার জায়গা থেকে আমি শক্তভাবে তার পাশে থাকব অন্য আর একটা বান্দা না থাকলেও। আমার উক্ত বক্তব্যের জন্য আমি ভিক্টিমের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি।’
উল্লেখ্য, ইমি নাগরিক কমিটির দলিত, হরিজন ও তফসিলি সেলের সদস্য ছিলেন। তবে নাগরিক কমিটি থেকে নতুন রাজনৈতিক দল পার্টি গঠনপর্বে তিনি কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।
আরও খবর পড়ুন:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের সঙ্গে এক নারীর কথোপকথন ফাঁস নিয়ে মুখ খুলেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সাবেক সদস্য শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ নিয়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেন।
ওই পোস্টে জুলাই অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধা সারোয়ার তুষার সম্পর্কে ইমি তিনটি নোট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সারোয়ার তুষারের ফোনালাপে একটা কথা স্পষ্ট যে তাদের ঘনিষ্ঠতা একপাক্ষিক ছিল না। এভাবে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা পাবলিক করাটাও সমর্থনযোগ্য কিছু না। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
১. সমস্যা অসততায়। রাজনীতি বুদ্ধিবৃত্তিক জায়গা বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। যোগ্যতার মাপকাঠিকে খাটে নিয়ে যাওয়া আমাদের বদ্ধমূল অপসংস্কৃতি। নতুন বন্দোবস্তোর কথা বলে ক্ষমতার সুবিধাজনক অবস্থানের প্রিভিলেজ নেয়া লোকের অন্তত আমার কাছে কখনো কোনো সম্মান নেই।
২. এপ্রোচে। রাজনৈতিক অঙ্গনের নারীদেরকে এভেইলএবল মনে করা এবং নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে আলফা মেলদের ‘ফেভারিট’ হওয়ার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি নারীদের রাজনৈতিক অবস্থানকে নিজের দলেই অসম্মানিত করে। এই কারণেই কোনো পুরুষ সহযোদ্ধা ‘লাগাইতে’ চাইলে এমনকি চরম অপ্রস্তুত এবং অসম্মানিত হয়ে পড়তে হয়। নারীদেরকে এইরকম অ্যাভেইলঅ্যাবল মনে করাটা সমস্যা। এটা বদলাতে হবে।
৩. দলীয়ভাবে এনসিপির সমস্যা হচ্ছে, নারীঘটিত ঘটনাগুলো ডিল না করে প্রত্যেকবার তারা এড়িয়ে গেছে কোনো না কোনোভাবে। সম্পত্তির অধিকার এবং ফোনালাপ ইস্যুতে সামান্তা শারমিন যে উত্তর দিয়েছে সেই সামান্তা শারমিন মোটেও আওয়ামী আমলে লড়াই করা সামান্তা শারমিন নয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতি যদি মোরাল গ্রাউন্ড আর মেরুদন্ড দুর্বল করে দেয় তাহলে সার্বিক পরিস্থিতিকে কখনো ভালো বলা যায় না।
আমি এই ব্যাপারে কথা বলসি কারণ রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীদেরকে যেভাবে ট্রিট করা হয় তা চরম অসম্মানজনক এবং অবমাননাকর। নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতার চাইতে ফ্লার্টিং স্কিল আর অপরচুনিস্ট হওয়াটা যদি যোগ্যতার মানদণ্ড হয় তাহলে কখনোই পরিবর্তন আসবে না। শুধু মানুষ বদলাবে, শোষণের চরিত্র বদলাবে না। নিষ্পেষণ বন্ধ হবে না।
এই পোস্ট দেওয়ার কিছু পর তিনি ৩ নম্বর পয়েন্টটি প্রত্যাহার করে নিয়ে আরেকটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টে ইমি লেখেন, ‘সারোয়ার তুষারের স্ক্রিনশট সম্পর্কিত যে সর্বশেষ স্ট্যাটাস তার ৩ নাম্বার পয়েন্টটা আমি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আমাকে ভিক্টিম সরাসরি জানালেন যে, তিনি এই ঘটনার পরে নানানভাবে মানুষজনকে রিচ আউট করে বিষয়টি জানিয়েছেন, কিন্ত কেউই সেই মুহূর্তে তাকে হেল্প করেনাই। ঘটনাটা এড়ায়ে যাওয়ার চেষ্টা করসে সকলেই। ঘটনা যে আজকে লিক হইসে, তার দায়ও আসলে এই কথা সত্যি হইলে ভিক্টিমকে দেওয়ার সুযোগ নাই। আর তিনি যদি রিচ আউট করেই থাকেন, অন্তত আমার জায়গা থেকে আমি শক্তভাবে তার পাশে থাকব অন্য আর একটা বান্দা না থাকলেও। আমার উক্ত বক্তব্যের জন্য আমি ভিক্টিমের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি।’
উল্লেখ্য, ইমি নাগরিক কমিটির দলিত, হরিজন ও তফসিলি সেলের সদস্য ছিলেন। তবে নাগরিক কমিটি থেকে নতুন রাজনৈতিক দল পার্টি গঠনপর্বে তিনি কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।
আরও খবর পড়ুন:

বৈষম্যহীন ব্যবস্থা এবং নতুন আর্থ-রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে নতুন এক রাজনৈতিক শক্তির কথা বলেছেন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। দুই সপ্তাহ ধরে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার পর এই সম্ভাবনার কথা লিখলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
পেশার চেয়ে গোপন উৎসে ৫ গুণেরও বেশি আয় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর। তাঁর স্থাবর কিংবা অস্থাবর কোনো সম্পদের মূল্যও বাড়েনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি এমন তথ্য তুলে ধরেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান
১১ ঘণ্টা আগে
সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া তাসনিম জারাসহ ৫১ জন। গতকাল শনিবার প্রথম দিন ৭০টি আবেদনের শুনানিতে ৫২টি মঞ্জুর করেছে নির্বাচন
১৪ ঘণ্টা আগে