রংপুর প্রতিনিধি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন না, দূরে ছিলেন; তাঁদের সদস্য করে নেওয়া হলেও নেতৃত্বে আনা যাবে না। এখন সময় এসেছে বিএনপির হিসাব-নিকাশের।
আজ বৃহস্পতিবার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিভাগীয় সদস্য সংগ্রহ ও সদস্যপদ নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদ হোসেন এসব কথা বলেন।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির হয়ে তাঁরাই নেতৃত্বে আসবেন, যাঁরা প্রতিকৃল অবস্থায় বিএনপি ছেড়ে যাননি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আন্দোলনে ও বিএনপিতে ছিলেন। বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে থেকে সব ধরনের সুবিধা গ্রহণ করেছে, আবার ৫ আগস্টের পর বিএনপির পতাকাতলে এসে নতুন করে সুবিধা ভোগের চিন্তা করছে, তাদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা ও নবায়ন করা যাবে না।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এমন সদস্য নিতে হবে, যাকে দেখে মানুষের বুক গর্বে ভরে যায়। এমন কাউকে সদস্য করা যাবে না, যার জন্য মুখ লুকাতে হয়। যাচাই-বাছাই করে সদস্য সংগ্রহ করতে হবে। বিএনপির সদস্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ভাই গ্রুপ কিংবা অমুক-তমুক গ্রুপ দেখে নয়, সমাজ যাকে সম্মান করে, সমাজ যাকে সমীহ করে, তাকেই জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপিতে সদস্য হিসেবে উৎসাহিত করতে হবে। সাবেক শিক্ষক, শিক্ষিকাসহ অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের বিএনপির সদস্য হতে উৎসাহিত করতে হবে আমাদের।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘১৯৪৭ ও ৭১-কে ভোলা যাবে না, তেমনি ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বর ভোলা যাবে না। সেই সঙ্গে ১৯৯০ ভোলা যাবে না, ৯০ ভুললে স্বৈরাচার আবার মাথাচাড়া দেবে। তেমনি ২০২৪-এর জুলাই-আগস্ট যদি মনে না রাখি, তাহলে আবারও কর্তৃত্ববাদী শাসন আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।’
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) আব্দুল খালেক ও অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্যসচিব আনিছুর রহমান লাকু। সঞ্চালনা করেন রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন না, দূরে ছিলেন; তাঁদের সদস্য করে নেওয়া হলেও নেতৃত্বে আনা যাবে না। এখন সময় এসেছে বিএনপির হিসাব-নিকাশের।
আজ বৃহস্পতিবার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিভাগীয় সদস্য সংগ্রহ ও সদস্যপদ নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদ হোসেন এসব কথা বলেন।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির হয়ে তাঁরাই নেতৃত্বে আসবেন, যাঁরা প্রতিকৃল অবস্থায় বিএনপি ছেড়ে যাননি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আন্দোলনে ও বিএনপিতে ছিলেন। বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে থেকে সব ধরনের সুবিধা গ্রহণ করেছে, আবার ৫ আগস্টের পর বিএনপির পতাকাতলে এসে নতুন করে সুবিধা ভোগের চিন্তা করছে, তাদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা ও নবায়ন করা যাবে না।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এমন সদস্য নিতে হবে, যাকে দেখে মানুষের বুক গর্বে ভরে যায়। এমন কাউকে সদস্য করা যাবে না, যার জন্য মুখ লুকাতে হয়। যাচাই-বাছাই করে সদস্য সংগ্রহ করতে হবে। বিএনপির সদস্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ভাই গ্রুপ কিংবা অমুক-তমুক গ্রুপ দেখে নয়, সমাজ যাকে সম্মান করে, সমাজ যাকে সমীহ করে, তাকেই জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপিতে সদস্য হিসেবে উৎসাহিত করতে হবে। সাবেক শিক্ষক, শিক্ষিকাসহ অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের বিএনপির সদস্য হতে উৎসাহিত করতে হবে আমাদের।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘১৯৪৭ ও ৭১-কে ভোলা যাবে না, তেমনি ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বর ভোলা যাবে না। সেই সঙ্গে ১৯৯০ ভোলা যাবে না, ৯০ ভুললে স্বৈরাচার আবার মাথাচাড়া দেবে। তেমনি ২০২৪-এর জুলাই-আগস্ট যদি মনে না রাখি, তাহলে আবারও কর্তৃত্ববাদী শাসন আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।’
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) আব্দুল খালেক ও অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্যসচিব আনিছুর রহমান লাকু। সঞ্চালনা করেন রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১৪ ঘণ্টা আগে