
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রকাশ্যে মুখোমুখি বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনি যেহেতু আপনার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, তাই আমি আপনাকে একটি গণমঞ্চে মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, যেখানে আমরা জাতির সামনে নিজ নিজ ইশতেহার উপস্থাপন করতে পারব এবং সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেব।’
আজ শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির এই আহ্বান জানান।
ওই পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। ন্যায্যতা ও জন-আস্থা না থাকলে কোনো নির্বাচনী ফল জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে না।’
ডা. শফিকুর রহমানের মতে, জুলাই বিপ্লবের পর তরুণদের কাছে রাজনীতিকে সভ্য, দায়িত্বশীল ও সংঘাতমুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নৈতিক দায়িত্ব।
জামায়াত আমির বলেন, গণমাধ্যম ও জনগণের সরাসরি পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থার মানদণ্ড হওয়া উচিত উন্মুক্ত সমালোচনা, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনগণ শুধু সরকার পরিবর্তনের জন্য আত্মদান করেনি; তারা বৈষম্য দূরীকরণ, রাষ্ট্র পরিচালনার বিদ্যমান কাঠামোর পরিবর্তন, ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন কাঠামো তথা অংশীদারত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে
১২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ১৪ ও ১৫ জুলাইকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি না থাকা দুঃখজনক।
১৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) জাতীয় ছাত্রশক্তির আয়োজিত ‘স্মরণগাথায় জুলাই: বিপ্লবের দিনগুলি’ শীর্ষক আলোচনা সভা বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে নির্ধারিত সময়ে শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
১৬ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক সংগঠনের নয়; এটি ছিল দেশের আপামর জনগণের আন্দোলন। ফ্যাসিবাদবিরোধী এই ঐক্য ধরে রেখে শহীদদের প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সরকার যেন ফ্যাসিবাদী আচরণ করতে না পারে, সে জন্য গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে...
১৭ ঘণ্টা আগে