নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধা কোথায় তা জানতে বিচারপতিদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেছেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও বেগম খালেদা জিয়ার শর্তহীন মুক্তির’ দাবিতে আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
বিচারপতিদের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী। প্রচলিত আইনে তার জামিন পাওয়ার সব ধরনের অধিকার আছে। কিন্তু বিচারপতিরা কেন তাঁকে মুক্তি দিচ্ছেন না? খালেদা জিয়াকে মুক্তিতে বাধা কোথায়? তাঁর সঙ্গে আপনাদের আচরণ জনগণ মনে রাখবে।
এ সময় তিনি হুঁশিয়ার করে আরও বলেন, একদিন আপনাদেরও বিচার হবে, সেই বিচার হবে রাজপথে, তখন লুকিয়েও পালাতে পারবেন না।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকার গুম, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, সন্ত্রাস চালিয়ে রাষ্ট্রে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে জনগণকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহাদাত বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তারা প্রাইভেট বাহিনীতে পরিণত করে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। স্বাধীনভাবে রাজনীতি যেন এখন অতীত ইতিহাস। মানুষের জানমাল ও চলাচলে কোনো স্বাধীনতা নেই, কোনো নিরাপত্তা নেই।
সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগের জন্য এক আতঙ্কের নাম। বাংলাদেশের জনগণের ভরসা ও আস্থার প্রতীক তিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়েছে এবং জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন মিথ্যাচার করছে।
জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সম্পাদক ডা. আওলাদ হোসেন শিল্পী, সাইফুল আলম, ঢাকা মহানগর সভাপতি মেহাম্মদ হোসেন মোবারক, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আজাদসহ প্রমুখ।

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধা কোথায় তা জানতে বিচারপতিদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেছেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও বেগম খালেদা জিয়ার শর্তহীন মুক্তির’ দাবিতে আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
বিচারপতিদের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী। প্রচলিত আইনে তার জামিন পাওয়ার সব ধরনের অধিকার আছে। কিন্তু বিচারপতিরা কেন তাঁকে মুক্তি দিচ্ছেন না? খালেদা জিয়াকে মুক্তিতে বাধা কোথায়? তাঁর সঙ্গে আপনাদের আচরণ জনগণ মনে রাখবে।
এ সময় তিনি হুঁশিয়ার করে আরও বলেন, একদিন আপনাদেরও বিচার হবে, সেই বিচার হবে রাজপথে, তখন লুকিয়েও পালাতে পারবেন না।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকার গুম, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, সন্ত্রাস চালিয়ে রাষ্ট্রে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে জনগণকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহাদাত বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তারা প্রাইভেট বাহিনীতে পরিণত করে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। স্বাধীনভাবে রাজনীতি যেন এখন অতীত ইতিহাস। মানুষের জানমাল ও চলাচলে কোনো স্বাধীনতা নেই, কোনো নিরাপত্তা নেই।
সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগের জন্য এক আতঙ্কের নাম। বাংলাদেশের জনগণের ভরসা ও আস্থার প্রতীক তিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়েছে এবং জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন মিথ্যাচার করছে।
জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সম্পাদক ডা. আওলাদ হোসেন শিল্পী, সাইফুল আলম, ঢাকা মহানগর সভাপতি মেহাম্মদ হোসেন মোবারক, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আজাদসহ প্রমুখ।

রাত সোয়া ৮টায় বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। গভীর রাতে শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন এবং আগামীকাল সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
১২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১৩ ঘণ্টা আগে